1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আইপিএলে খেলা নিয়ে মুখ খুললেন মোহাম্মদ আমির আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল সিডনিতে বাংলাদেশ উইমেন্স ফোরামের বসন্ত উৎসব তরুণদের বিনা জামানতে ২০ লাখ টাকা ঋণের আবেদন শুরু, করবেন যেভাবে বুড়িগঙ্গা থেকে সুন্দরবন: পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার বনাম বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্ত স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই বিদায় বললেন ম্যাক্সওয়েল রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫৪৯, মামলা ৫৭ সোলার এক্সপোর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগাতে পারছে না বাংলাদেশ, সতর্ক করল বিশ্বব্যাংক বিশ্বে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে লাহোর, ঢাকার অবস্থান কত?

ফসল বাঁচাতে পোষা হচ্ছে বন্যপ্রাণী নেকড়ে

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৪
  • ১১৯ Time View

কাজাখস্তানের গ্রামবাসীরা তাদের জমি পাহারা দেওয়ার কাজে বিরল একটি প্রাণীকে রক্ষী হিসেবে ব্যবহার করছে। এবং এটি গৃহপালিত নয়, বরং বন্যপ্রাণী। আর এই প্রাণীটি হচ্ছে নেকড়ে।

সংবাদদাতারা বলছে, এর ব্যবহার ক্রমশ বাড়তে থাকায় এখন একে কিনতেও পাওয়া যাচ্ছে।image_111575_0

স্থানীয় কে.টি.কে. টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, “আপনি এখন একটি নেকড়ের বাচ্চা কিনতেও পারেন। এজন্যে খরচ পড়বে ৫০০ ডলার। এবং ঠিকমতো চেষ্টা করলে এই বন্যপ্রাণীটিকে খুব সহজে পোষ মানানো যায়।”

দেশটির দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের একজন নুরসেইত সিলকিশিবে ওই চ্যানেলকে জানিয়েছেন যে তিনি একটি বাচ্চা নেকড়ে কিনেছেন। তিন বছর আগে তিনি একজন শিকারির কাছ থেকে এটা কিনেছিলেন। তার নাম দেওয়া হয়েছে কুর্তকা।

তিনি জানান, নেকড়েটি তার বাড়িতে বেশ ভালো আছে। ঘুরে বেড়াচ্ছে বাড়ির উঠোনে। তিনি জানান যে নেকড়েটিকে কখনো শেকল দিয়ে বেঁধেও রাখতে হয় না। মাঝেমধ্যেই তাকে গ্রামের ভেতরে হাঁটতে নিয়ে যাওয়া হয়। বাড়ির লোকেরা, প্রতিবেশী এবং গ্রামবাসীরাও তাকে দেখে ভয় পায় না।

তিনি বলেন, “আপনি যদি ওকে ঠিকমতো খেতে দেন, যত্ন করেন তাহলে ও আপনাকে আক্রমণ করবে না। যদিও সে কুকুরের চেয়ে বেশিই খায়।”

তবে নেকড়ে বিশেষজ্ঞ আলমাস জাপারফ বলেছেন, এই বন্যপ্রাণীটিকে বাড়িতে রাখা খুবই বিপজ্জনক।

তিনি বলেন, “নেকড়ে হচ্ছে একটি তাজা বোমার মতো। এটা যেকোনো সময়ে যা কিছু করতে পারে।”

এই প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় সোশাল মিডিয়াগুলোতে এটা এনিয়ে আশঙ্কাও প্রকাশ করা হচ্ছে।

তবে নেকড়ে শিকার বন্ধ করতে না পারায় সরকারের সমালোচনাও করছে তারা।

একজন বলছেন, গ্রামের মানুষ এখন তাদের জমির ফসল বাঁচাতে নেকড়ে দিয়ে নেকড়ে ঠেকাচ্ছে। এজন্যেতো আপনি তাদেরকে দোষ দিতে পারেন না। আরেকজন রসিকতা করে বলেছেন, “ভেড়াকে তাদের খোঁয়াড়ে রাখা হয়েছে, ফুলে উঠেছে নেকড়ের পেটও, কিন্তু মেষপালককে কেউ খুঁজে পাচ্ছে না।” – বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ