1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১২ Time View

অনলাইন ডেস্ক: ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

৭ নভেম্বর শনিবার আলোচনা সভায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য,শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক দর্শন, পররাষ্ট্রনীতি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোসহীন গণতান্ত্রিক সংগ্রাম, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে সবার আগে বাংলাদেশ নিয়ে আলোকপাত করেন হাইকমিশনের মিনিস্টার (প্রেস) সাইদুর রহমান।

নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার প্রীতি রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির বাণী পড়ে শোনান কমার্স কাউন্সিলর ইফতেখারউদ্দিন শামীম, সহকারী ডিফেন্স এডভাইজার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রুমন পারভেজ। মিশনের এইচওসি মাহমুদুল হকের পরিচালনায় মিশনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় মিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

আলোচনা সভায় মিনিস্টার (প্রেস) সাইদুর রহমান বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী এবং জনতা মিলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রচিত সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। তারা ‘সিপাহী-জনতা ভাই ভাই, জিয়ার মুক্তি চাই’ স্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত করে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে এনেছিলেন। আজকেই এই ঐতিহাসিক দিনে সেই বিপ্লবী সিপাহী-জনতাকে জানাই সশ্রদ্ধ সালাম। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর-এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল ৭ নভেম্বরে রক্ষা পেয়েছিল দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব।

তিনি বলেন, নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের একজন প্রতিনিধি হিসেবে আমি মনে করি, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর শুধু আমাদের জাতীয় ইতিহাস ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার কথাই মনে করিয়ে দেয় না। ৭ নভেম্বর পরবর্তীকালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে স্বাধীনভাবে পররাষ্ট্র নীতি পরিচালনার মাধ্যমে বিশ্বের বুকে স্থান করে নেয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আমলেই বাংলাদেশ তার পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক স্বীকৃতি পায়। ভারত-রাশিয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও মুসলিম বিশ্বের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরো জোরদার হয়। বহু মুসলিম দেশ ঢাকায় তাদের দূতাবাস স্থাপন করে।

মিনিস্টার (প্রেস) সাইদুর রহমান বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা, শান্তি, স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে জিয়াউর রহমান দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তার এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় সার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

তিনি আরও বলেন, বাবা ও মায়ের দেখানো আদর্শকে ধারণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ভিত্তিতে তার সরকারের কূটনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ভারতসহ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান, আস্থা, সমতা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করাই আমাদের লক্ষ্য। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বিশ্বাস করি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো গভীর ও অর্থবহ হবে। এই প্রচেষ্টায় আমাদের সকল কূটনীতিককে যার যার অবস্থান থেকে আন্তরিকভাবে কাজ করে যেতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ