1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলা কিউআরে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেন চালু ৯ মাসে ইসলামী ব্যাংকের লোকসান বেড়ে ৩২৮৫ কোটি টাকা এআইভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা প্রণয়ন করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পর্যটন উন্মুক্ত, জাহাজ অনুমোদনে আটকে সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচল শুরু হতে পারে ৫ নভেম্বর ‘অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ’: খুলনা রেঞ্জের ২৮ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার এইচএসসি পাস করল জেলা ছাত্রদল সভাপতির ছেলে, ‘বিতর্কে’ কমিটি বিলুপ্ত এমপি-মন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব তো বিএনপি-আওয়ামী লীগই দিয়ে রেখেছে: চরমোনাই পীর বাবরকে ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে অনুশীলনের পরামর্শ ইউসুফের ঢাকায় এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট, আসবেন হাজারের বেশি প্রবাসী

কচাকাটা কলেজে নিয়োগ বাণিজ্য, অধ্যক্ষ ও সভাপতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১৭ Time View

কুড়িগ্রাম (উত্তর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা কলেজে ল্যাব সহকারী ও কর্মচারীসহ চারটি পদে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে কলেজের অধ্যক্ষ এবং পরিচালনা কমিটির সভাপতির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে নিয়োগ বঞ্চিত প্রার্থীসহ এলাকাবাসীরা।

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে কচাকাটা হাই স্কুল থেকে মিছিল বের হয়ে কচাকাটা বাজার ঘুরে কলেজ গেটে বিক্ষোভ করা হয়। এ সময় পুলিশি পাহারায় কলেজ গেট তালাবদ্ধ থাকলে গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। পরে গেটের সামনে কলেজ সভাপতি ডা. মো. ইউনুস আলী ও কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম জুয়েলের ছবি ও কুশপুত্তলিকায় আগুন দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। পরে কলেজের গেট খুলে দেওয়া হলে মাঠে মানববন্ধন করা হয়।

মানববন্ধনে নিয়োগবঞ্চিতরা অভিযোগ করে বলেন, মেধা তালিকায় থাকা প্রার্থীদের বাদ দিয়ে পরীক্ষার চারদিন পর ফল করে মোটা পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে কলেজ কমিটির সভাপতি ডা. ইউনুস আলী ও অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম কম মেধাবীদের নিয়োগ প্রদান করেছেন। নিয়োগকে অবৈধ উল্লেখ করে নিয়োগ বাতিল করে নতুন করে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমুলক নিয়োগের দাবি জানান তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৪ অক্টোবর সকাল ১০টায় কচাকাটা কলেজের কম্পিউটার কাম অফিস সহকারী, ল্যাব সহকারী, নৈশ প্রহরী ও আয়া পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এসব পদে ৪৫ চাকরিপ্রত্যাশী আবেদন করেন। ওইদিন যথাসময়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে সবাই উপস্থিত হলেও পরীক্ষা নেওয়া হয় দুপুরের পর। এছাড়া লিখিত পরীক্ষা শেষে ফলাফল প্রকাশ না করে সবার ভাইভা নেওয়া হয়। ভাইভা শেষে পরীক্ষার ফল প্রকাশ না করে চারদিন পর ফল প্রকাশ করার কথা বললে তোপের মুখে পড়েন নিয়োগ সংশ্লিষ্টরা। পরে কচাকাটা থানা পুলিশের সহায়তায় কলেজ ত্যাগ করেন অধ্যক্ষসহ অন্যরা।

প্রার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, মেধাক্রম অনুসরণ করে ফল ঘোষণা করে ভাইবা পরীক্ষা নেওয়া হয়। চূড়ান্ত ফল ঘোষণা না রাত আটটার দিকে করে কলেজ ছাড়েন পরীক্ষক ও কলেজ সংশ্লিষ্টরা। পরে ২৭ তারিখ সকালে পরীক্ষার ফলাফল কলেজের নোটিশ বোর্ডে ঝুলিয়ে দেন অধ্যক্ষ। তবে ফলাফল পত্রে ২৪ অক্টোবর তারিখে স্বাক্ষর দেখা যায়। লিখিত পরীক্ষার মেধাক্রমে উপরে থাকা প্রার্থীরা চাকরি পাননি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে কর্মসূচি নেন বঞ্চিত নিয়োগ প্রার্থী ও স্থানীয়রা।

এ সময় বক্তব্যে অনিছূর রহমান তোলা ব্যাপারী বলেন, নিয়োগ বাণিজ্য করার উদ্দেশ্যে ডা. ইউনুস ফ্যাসিবাদী কায়দায় উড়ে এসে সভাপতি হয়েছেন। মাত্র ১০ মাসের মাথায় অবৈধভাবে নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন। কলেজটিকে মেধাশূন্য করার পাঁয়তারা করতেন। অবৈধ নিয়োগ বাতিল করে নতুন করে নিয়োগের দাবি জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ