1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন

‘অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ’: খুলনা রেঞ্জের ২৮ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২১ Time View

প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা চাকরি-সংশ্লিষ্ট এলাকায় ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলে জানিয়েছেন খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

খুলনা বিভাগের ছয়টি জেলায় অনৈতিক সুবিধার গ্রহণের অভিযোগে ২৮ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর মধ্যে বাবুর্চি থেকে এসআই পদমর্যাদার সদস্য রয়েছেন।

বৃহস্পতি ও শুক্রবার প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যদের সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ লাইন্সসহ আরআরএফএ পাঠানো হয় বলে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল করিম জানিয়েছেন।

প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যদের মধ্যে খুলনা জেলায় নয়জন, বাগেরহাটে নয়জন, যশোরে দুইজন, ঝিনাইদহে তিনজন, কুষ্টিয়ায় চারজন এবং চুয়াডাঙ্গার একজন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা চাকরি-সংশ্লিষ্ট এলাকায় ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে বেতনের বাইরে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ আছে। অভিযোগ তদন্তসাপেক্ষে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন- খুলনার দিঘলিয়া থানার এসআই লিটন, কনস্টেবল রব, পাইকগাছা থানার এএসআই রবিউল এবং এসআই কামরুজ্জামান, কয়রা থানার এএসআই জাহিদ, রূপসা থানার এসআই শহিদুল, তেরখাদা থানার পুলিশের বাবুর্চি সোহেল, ডুমুরিয়া থানার কনস্টেবল মহাসিন এবং ডিবি কনস্টেবল রাসেল ও ইমরুল।

বাগেরহাট সদর থানার আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোল্লাহাট থানার পুলক বিশ্বাস, চিতলমারী থানার মো. জাহিদুর রহমান, ফকিরহাট থানার এএসআই অমিত কুমার মণ্ডল, রামপাল থানার স্বরূপ হালদার, মোড়েলগঞ্জ থানার এএসআই মো. কিশোর কুমার, শরণখোলা থানার এএসআই তুষার কান্তি পাল, ডিএসবি মোহাম্মদ আহাদ আলী এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার আনিসুর রহমান।

যশোর জেলার কোতোয়ালি মডেল থানার এএসআই বাবর আলী, চৌগাছা থানার এএসআই শান্ত, ঝিনাইদহ জেলার সদর থানার এসআই রোকনুজ্জামান, কনস্টেবল রবিউল ইসলাম, কালিগঞ্জ থানার এএসআই সোহাগ হোসেন, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার এসআই লিংকন সরকার, ভেড়ামারা থানার কনস্টেবল রাকিব হোসেন, কনস্টেবল জাকির হোসেন, ট্রাফিক শাখার কনস্টেবল সৈয়দ মোল্লা এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার ট্রাফিক কনস্টেবল আকরাম।

এ ছাড়া পুলিশ সদস্যের বাইরে খুলনার দাকোপ থানার ঝাড়ুদার রাসেল এবং বাগেরহাটের মোংলা থানার মোহাম্মদ আলম হোসেন রয়েছে।

খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি রেজাউল করিম বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কাজ চলছে। এর ধারাবাহিকতায় খুলনা বিভাগে ২৮ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তারা বেতনের বাইরে অনৈতিক সুবিধা নিতেন। চাকরি-সংশ্লিষ্ট এলাকায় তারা ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।”

ডিআইজি বলেন, পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা ফেরাতে আইজিপির নির্দেশে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে। এটি তার একটি অংশ। যাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্ত শেষে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

গাধা উন্নয়ন প্রকল্প এবং একটি ভালো কলেজের গল্প

এইচএসসির ফল:বিপর্যয় নাকি এটিই শিক্ষার প্রকৃত মান?

তৌফিক ইমরোজ খালিদী: যিনি মানুষ ও প্রতিষ্ঠান গড়েছেন

ফলের আতঙ্ক: শিক্ষায় আনন্দ থাকবে তো?

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ