1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সিরাজগঞ্জে ১০৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১১৩৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার জেলা প্রশাসনের সম্মতি না মেলায় বৃহস্পতিবারও সেন্টমার্টিন যাচ্ছে না পর্যটকবাহী জাহাজ নবজাতকের মৃত্যু: সিলেটে মাউন্ট এডোরার ‘মেন্টারনিটি কেয়ার ইউনিট’ বন্ধের নির্দেশ মেয়েদের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড, প্রায় ১০ কোটি ডলারের অর্থনৈতিক প্রভাব ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৫৭ ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর ঝুঁকি, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ২৯ বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা আরও গভীর করতে চীনের অঙ্গীকার: চীনা মন্ত্রী রিজার্ভ থেকে ১২০ মিলিয়ন ডলার বিক্রি করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় বিএনপি: রিজভী আদনানের প্রথম সিনেমার নায়িকা মেহজাবীন, নায়ক নিশো ভারতের বিপক্ষে ‘স্পেশাল ম‍্যাচ’ রাঙিয়ে রাখতে উন্মুখ পাকিস্তান

উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ৪৪ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক কাজে যোগ দিতে বাধ্য হচ্ছে : বিশ্বব্যাংক

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২৫ Time View

| বুধবার , ৪ নভেম্বর, ২০২৬ at ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের ঘাটতিকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব ব্যাংক। সংস্থাটি বলেছে, অনুকূল জনমিতিক কাঠামো থাকা সত্ত্বেও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সুবিধাকে পুরোপুরি কর্মসংস্থান ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে কাজে লাগাতে পারছে না বাংলাদেশ। এর পেছনে রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির সীমাবদ্ধতা, শ্রমবাজারে নারীর কম অংশগ্রহণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে দীর্ঘদিনের ঘাটতি। বিশ্ব ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর প্রায় ৮৪ শতাংশ বা ৫ কোটি ৮০ লাখ মানুষ অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করেন। খবর বিডিনিউজের।

উচ্চশিক্ষা অর্জনের পরও অনেকের জন্য আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান নিশ্চিত হচ্ছে না। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের ৪৪ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক কাজে যুক্ত হচ্ছেন। বিশ্ব ব্যাংকের ২০২৬ সালের ‘ডেমোগ্রাফিক চেঞ্জ ইন সাউথ এশিয়া: ফ্রম টেলউইন্ডস টু হেডউইন্ডস ফর ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের এই চিত্র উঠে এসেছে। দক্ষিণ এশিয়ার জনমিতিক পরিবর্তন এবং এর অর্থনৈতিক প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে এ প্রতিবেদনে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। পরে বাংলাদেশ বিষয়ে একটি প্যানেল আলোচনা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত ব্যক্তিদের সাধারণত নিয়োগপত্র থাকে না। ফলে চাকরির নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষা সীমিত থাকে। নিয়োগকর্তা চাইলে যে কোনো সময় তাদের কাজ থেকে বাদ দিতে পারেন। এ খাতে নির্ধারিত মজুরিকাঠামোও নেই।

আনুষ্ঠানিক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতিও ধীর। অন্যদিকে, সামপ্রতিক সময়ে ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোতে গড়ে কর্মীর সংখ্যা কমেছে। ফলে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা বেশি থাকলেও তাদের যথাযথভাবে উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা যাচ্ছে না।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে মাঝারি ও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতেও মোট কর্মসংস্থানের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক। ফলে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বড় অংশ কাঙ্ক্ষিত ও সুরক্ষিত কর্মসংস্থান পাচ্ছেন না।

বিশ্ব ব্যাংকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অর্থনীতিতে পর্যাপ্ত আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান তৈরি না হওয়ায় অনেকেই বাধ্য হয়ে ছোট উদ্যোগে যুক্ত হচ্ছেন। বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালে অনানুষ্ঠানিক খাতের ৪৫ থেকে ৭০ শতাংশ উদ্যোক্তা জানিয়েছেন, বিকল্প বা নিয়মিত চাকরি না পেয়ে তারা এ ধরনের উদ্যোগ শুরু করেছেন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২২ সালের অনানুষ্ঠানিক খাত জরিপ বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ