1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সিরাজগঞ্জে ১০৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১১৩৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার জেলা প্রশাসনের সম্মতি না মেলায় বৃহস্পতিবারও সেন্টমার্টিন যাচ্ছে না পর্যটকবাহী জাহাজ নবজাতকের মৃত্যু: সিলেটে মাউন্ট এডোরার ‘মেন্টারনিটি কেয়ার ইউনিট’ বন্ধের নির্দেশ মেয়েদের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড, প্রায় ১০ কোটি ডলারের অর্থনৈতিক প্রভাব ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৫৭ ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর ঝুঁকি, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ২৯ বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা আরও গভীর করতে চীনের অঙ্গীকার: চীনা মন্ত্রী রিজার্ভ থেকে ১২০ মিলিয়ন ডলার বিক্রি করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় বিএনপি: রিজভী আদনানের প্রথম সিনেমার নায়িকা মেহজাবীন, নায়ক নিশো ভারতের বিপক্ষে ‘স্পেশাল ম‍্যাচ’ রাঙিয়ে রাখতে উন্মুখ পাকিস্তান

ইলন মাস্ককে সরকারি কাজ থেকে বাদ দেওয়ার দাবি বহু মার্কিন ভোটারের

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৬ মে, ২০২৫
  • ১০৬ Time View

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি নতুন জরিপে দেখা গেছে, দেশটির অর্ধেকের বেশি ভোটার চান যে ইলন মাস্ককে জেলে দেওয়া হোক। কারণ, তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের তৈরি একটি বিভাগের (ডিওজিই) হয়ে সরকারি অপচয় কমানোর কাজে অংশগ্রহণ করেছেন। রাসমুসেন রিপোর্টস ও হার্টল্যান্ড ইনস্টিটিউটের করা এই জরিপে ৫৪% ভোটার ইলন মাস্ককে জেলে দেওয়ার পক্ষে। জরিপে আরো দেখা যায়, ডেমোক্র্যাট ভোটারদের ৭১% চান মাস্কের জেল হোক।
রিপাবলিকানদের ৫৪% বলেন, জেল দেওয়া ঠিক হবে না। এ ছাড়া স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যে কেউ পক্ষে, কেউ বিপক্ষে।

কেন এত বিতর্ক?
ইলন মাস্ক ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তৈরি হওয়া (ডিওজিই) নামের এক সরকারি দপ্তরে কাজ করছেন, যার কাজ সরকারি অপচয় কমানো। কিন্তু অনেক ডেমোক্র্যাট মনে করছেন, এটি তাদের রাজনৈতিক বিপদ ডেকে আনবে।
জরিপের একজন গবেষক জানান, ইলন মাস্ক ভালো কিছু করতে চাইলেও, অনেকেই তাকে শাস্তি দিতেই বেশি আগ্রহী, যা দুঃখজনক। সরকারি কাজ থেকে মাস্ককে বাদ দেওয়ার মতও এসেছে। জরিপের ৪৮% ভোটার চান, মাস্ক যেন কোনো সরকারি কাজ না করতে পারেন। ৩৮% এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন।
এদিকে ইলন মাস্কের জনপ্রিয়তা ক্রমশ কমছে দেশটিতে। যা এখন গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ শতাংশে।

জরিপে অংশ নেওয়া অনেকেই বলেন, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে দেশে বিভাজন বেড়েছে। এমনকি দেশটিতে রাজনৈতিক সহিংসতা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন অনেকে। ইলন মাস্ক সরকারি খরচ কমাতে চাইলেও, রাজনৈতিক কারণে অনেকে তাকে পছন্দ করছেন না।
কেউ তাঁর জেল চান, কেউ চাকরি বন্ধ করতে চান। আবার অনেকে তাকে সমর্থনও করছেন। আমেরিকায় এখন মাস্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ