নতুন বছর থেকে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাটের সব কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করার ঘোষণা দিয়েছিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বিদ্যমান আইন সংশোধন ও ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের সফটওয়্যারে নতুন সংযোজন এনে ওই ঘোষণা বাস্তবায়নের কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ে অনলাইন প্রক্রিয়া শুরু করলেও পুরনো পদ্ধতিতে ভ্যাট পরিশোধের সুযোগ আরও তিন মাস বাড়ানো হয়েছে।
এনবিআর কর্মকর্তারা বলছেন, সফটওয়্যার সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন হলেও আইন সংশোধন না হওয়ায় পুরনো বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (বিআইএন) বাতিল করা যাচ্ছে না। অনলাইন পদ্ধতিতে একাধিক হারে ভ্যাট আদায়ের পর তা সমন্বয় নিয়েও কিছু সমস্যা থেকে গেছে। ফলে পুরনো ৭ লাখ ৭৫ হাজার নিবন্ধন বাতিল করে সম্পূর্ণভাবে অনলাইন পদ্ধতিতে যাচ্ছে না এনবিআর। তবে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তিন মাসের মধ্যে অনলাইন পদ্ধতি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা যাবে বলে মনে করছেন তারা।
আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পুরনো পদ্ধতিতে ভ্যাট পরিশোধে আরও তিন মাস সময় দেয়া হয়েছে। এপ্রিলে সম্পূর্ণভাবে অটোমেশনে যাবে ভ্যাটের কার্যক্রম।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বিদ্যমান আইনের স্লাবভিত্তিক ভ্যাট হার বহাল রেখেই ভ্যাট অনলাইন প্রযুক্তি সাজানো হয়েছে। এজন্য শুরু হওয়া অনলাইনে নিবন্ধন প্রক্রিয়া এখনও চলছে। পুরনো বিআইএনে ৭ লাখ ৭৫ হাজার প্রতিষ্ঠানের তালিকা থাকলেও নতুন পদ্ধতিতে এখন পর্যন্ত ৬২ হাজার ১০০টি প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন নিয়েছে।