1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সাইবার আইনকে সময়োপযোগী করতে প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার করা হবে : তথ্যমন্ত্রী মাদক ব্যবসা ছেড়ে দেন, গর্তে পড়লে উদ্ধারের লোক থাকবে না: পানিসম্পদমন্ত্রী বৈশ্বিক পরিস্থিতি সমন্বয় করে সরকার এলপিজির দাম তাৎক্ষণিক কমিয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ‘জাল যার, জলা তার’ নীতিতে চলবে হাওর ও নদী ব্যবস্থাপনা: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়: মির্জা ফখরুল দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সোলার সেচপাম্প দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী দেশজুড়ে সরকারি উদ্যোগে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘সলেমানের সোলার সেচপাম্প’: মির্জা ফখরুল পদ্মা রেল সেতুর মাটি কাটা প্রকল্পের নকশা ও চুক্তিরই অংশ: রেলমন্ত্রী ‘নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন’, শিক্ষকদের কড়া বার্তা দিলেন মন্ত্রী

নিয়মিত হাত ধুয়ে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া প্রতিরোধ সম্ভব

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৭
  • ৭৬ Time View

খাওয়ার আগে ও ল্যাট্রিন ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস পালনের মাধ্যমে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া প্রতিরোধ এবং অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব।
আজ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন চত্বরে স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে ‘বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০১৭’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেক এ কথা বলেছেন।
স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাহবুব হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ইউনিসেফ-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি এডওয়ার্ড বিগবেডার উপ্িস্থত ছিলেন।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী সুধীর কুমার ঘোষসহ উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও দফতরের প্রতিনিধিবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সচিব আবদুল মালেক বলেন, বিশ্বে প্রতিবছর ৩৫ লাখের বেশি শিশু শুধুমাত্র ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে পাঁচ বছরের আগেই মৃত্যুবরণ করে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আজ এটা প্রমাণিত যে, খাওয়ার আগে ও মলত্যাগের পর মাত্র ২০ সেকেন্ড কেউ যদি নিয়মিত সাবান দিয়ে দু’হাত ভালভাবে ধোয় তবে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াজনিত মৃত্যুর হার অনেক কমে যাবে। আর সবচেয়ে কম সাশ্রয়ী পন্থা- সাবান দিয়ে দু’হাত ধোয়ার অভ্যাস অনুশীলন করার মতো স্বাস্থ্যবিধি অনুকরণ করে লাখ লাখ শিশুর জীবন রক্ষা করা সম্ভব বলে উল্লেখ করেন তিনি।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আব্দুল মালেক বলেন, সরকার স্যানিটেশন ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরিচর্যার (হাইজিন) ক্ষেত্রে বাস্তবমুখী কার্যকরী বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের ফলে বর্তমানে প্রতিটি গ্রামে গড়ে ৫০টির বেশী টিউবওয়েল স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। যেখানে আগে মানুষ পুকুরের পানি পান করতো এবং শিশুরা ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াজনিত নানা রোগে মারা যেত, সেখানে এখন পানি বাহিত তেমন রোগ দেখা য়ায় না।
তিনি বলেন, সরকার প্রতিটি স্কুল, বাজার ও জনসমাগমস্থানে টয়লেট করে দিচ্ছে। এছাড়া রাস্তার পাশেও এ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
ইউনিসিফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি এডওয়ার্ড বিগবেডার বলেন, সরকারের কার্যকরী পদক্ষেপের ফলে স্যানিটেশন ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরিচর্যার (হাইজিন) ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। তৃতীয় বিশ্বের যেকোন দেশের তুলনায় এক্ষেত্রে উন্নতি ছিল অনেকটা চোখে পড়ার মতো।
তিনি বলেন, স্যানিটেশন ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরিচর্যার (হাইজিন) ক্ষেত্রে তৃতীয় বিশের অনেক দেশ এখন বাংলাদেশকে মডেল হিসেবে অনুকরণ করছে।
তিনি বলেন, ইউনিসেফ এ ক্ষেত্রে অতীতেও বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করেছে, বর্তমানেও করছে, ভবিষ্যতেও করবে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানীয় সরকার বিভাগের নেতৃত্বে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বেসরকারি সংস্থা, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যমসহ সকলের সহযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত বাংলাদেশের ‘বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০১৭’ উদযাপনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
এই কর্মসূচি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এবং বিভাগ, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জাতিসংঘের আহ্বানে ২০০৮ সাল হতে প্রতি বছর ১৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী ‘বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস’ পালিত হয়ে আসছে। এ বছরের বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ‘আমাদের হাত, আমাদের ভবিষ্যত’। হাত ধোয়া এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা শুধুমাত্র আমাদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষাই করে না বরং ভবিষ্যত এবং সামাজিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, জাতিসংঘ ঘোষিত ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট’ লক্ষ্যমাত্রা ৬.২ অনুযায়ী স্যানিটেশন ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরিচর্যা (হাইজিন) বিষয়ে লক্ষ্য হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে সকলের জন্য সমতা ও পর্যাপ্ততার ভিত্তিতে স্যানিটেশন ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরিচর্যার সুযোগ সৃষ্টি করাসহ খোলা জায়গায় মলত্যাগ বন্ধ করা এবং নারী ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে বিদ্যমান জনগোষ্ঠির স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য পরিচর্যার উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা। বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন এ লক্ষ্যে গৃহীত কর্মকান্ডেরই একটি অংশ।
এর আগে সকাল ৯টায় একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি শিক্ষা ভবন থেকে শুরু হয়ে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন চত্ত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে এখানে আলোচনা পর্ব শেষে সকাল সাড়ে ১০টায় বিভিন্ন সরকারি- বেসরকারি দফতর, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, এনজিও এবং বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীগণ অংশগ্রহণে হাত ধোয়া কার্যক্রমের মাধ্যমে ‘বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০১৭’ উদ্বোধন করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ