1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বগুড়ায় মাইক্রোবাসে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, নিহত ৩ ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক, বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না : সড়কমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী চা বিক্রেতা নানি-নাতনির কাছে ‘ঈদ উপহার’ পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নিতে তেল আবিবে ক্লাস্টার বোমা নিক্ষেপ ইরানের ডিডিএলজে-র ৩০ বছরের রেকর্ড ভাঙল রণবীরের ‘ধুরন্ধর ২’ চেলসিকে ‘ইতিহাস গড়া’ ৮-২ গোলের লজ্জা উপহার দিল পিএসজি অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পোর্টিং সিপি ‘ফিনালিসিমা’ বাতিলের পর কাদের বিপক্ষে খেলবে আর্জেন্টিনা ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোলে সিটির স্বপ্ন ভেঙে কোয়ার্টারে রিয়াল

রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল অনুষ্ঠিত

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২ অক্টোবর, ২০১৭
  • ৭৭ Time View

বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযথ মর্যাদায় এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত হচ্ছে। মুসলিম বিশ্বে কারবালার শোকাবহ ঘটনাকে ত্যাগ ও শোকের প্রতীক হিসেবে আশুরা পালন করা হয়।

পুরান ঢাকার হোসেনি দালানের ইমাম বাড়া থেকে রবিবার সকাল ১০টায় আশুরার প্রধান তাজিয়া মিছিলটি বের হয়। এ ছাড়া ফরাশগঞ্জ, ফার্মগেট, মোহাম্মদপুর ও মিরপুর থেকেও তাজিয়া মিছিল নিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষীণ করেন শিয়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা।

পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, এবার এ শোকের মিছিলে ছুরি, জিঞ্জির, তলোয়ার আর আগুন খেলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

হিজরি ৬১তম বর্ষের (৬৮০ খ্রিস্টাব্দ) ১০ মহররম মুসলমানদের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর দৌহিত্র ইমাম হোসেন (রা.) ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে শহীদ হন।
রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল অনুষ্ঠিত

মুসলিম বিশ্বে এই দিনটি ত্যাগ ও শোকের প্রতীক। বাংলাদেশে ধর্মপ্রাণ মুসলমান বিশেষ করে শিয়া মুসলমানরা ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করেন।

আশুরার দিন প্রধান তাজিয়া মিছিলে অংশ নিতে পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকার শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ সকাল থেকেই হোসেনি দালানের সামনে জড়ো হতে থাকেন। সাড়ে ১০টার দিকে ইমামবাড়ার সামনে থেকে ‘হায় হোসেন-হায় হোসেন’ মাতম তুলে শুরু হয় বিশাল তাজিয়া মিছিল।

হাজারো মানুষের শোক মিছিলটি লালবাগ, আজিমপুর এতিমখানা, আজিমপুর চৌরাস্তা, নিউ মার্কেট হয়ে ধানমণ্ডি ২ নম্বর সড়কের পশ্চিম প্রান্তে ‘কারবালা’ প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হবে।

বিগত দিনে তাজিয়া মিছিলে ছুরি, ধারালো অস্ত্রসহ যুবকদের দেখা যেত। ইমাম হোসেনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের স্মরণে তারা নিজের শরীরে আঘাত করে নিজেকে রক্তাক্ত করতেন।

তবে ঢাকা মহানগর পুলিশের নির্দেশে গতবারের মত এবারও তাজিয়া মিছিলে ধারালো অস্ত্র বহন ছিল নিষিদ্ধ। ২০১৫ সালের আশুরায় তাজিয়া মিছিলে প্রস্তুতির সময় হোসেনি দালানে হামলার ঘটনা থেকেই নিরাপত্তার এ কড়াকড়ি চলছে।
রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল অনুষ্ঠিত

তাজিয়া মিছিলে অনেকের হাতেই দেখা যায় জরি লাগানো লাল আর সবুজ নিশান, মাথায় শোকের কালো কাপড়। কারবালার স্মরণে কালো চাঁদোয়ার নিচে কয়েকজন বহন করেন ইমাম হোসেনের প্রতীকী কফিন।

মিছিলের সামনে ছিল ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেনের দুটি প্রতীকী ঘোড়া, দ্বিতীয় ঘোড়ার জিন রক্তের লালে রাঙানো।

ঢাকা মহানগর পুলিশের একজন মুখপাত্র জানান, তাজিয়া মিছিলকে কেন্দ্র করে এবার কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। মিছিলের সামনে পেছনে এবং জনসমাগমের ভেতরেও পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করছেন।

হিজরি ৬১ সনের ১০ মহররম মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) কারবালার ফোরাত নদীর তীরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শাহাদত বরণ করেন। এই শোক ও স্মৃতিকে স্মরণ করে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে পবিত্র আশুরা পালিত হচ্ছে। দিনব্যাপী এই কর্মসূচির মধ্যে আছে তাজিয়া মিছিল, বিশেষ মোনাজাত, কোরআনখানি, দোয়া ও মাহফিল। অনেকে দিবসটি উপলক্ষে নফল রোজাও রাখছেন। দরিদ্র মানুষের মধ্যে খাদ্য বিতরণও করে থাকে অনেক পরিবার।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ