1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এইচএসসির স্থগিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পুনরায় নিবন্ধনের আহ্বান ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৬৩, মামলা ৪০ ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে চীনের আগ্রহ, সমঝোতার চেষ্টা সামিটের শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি ১৩ আগস্ট রাশিয়াকে ৩০ হাজার সেনা দিচ্ছে উত্তর কোরিয়া, জেলেনস্কির দাবি সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ ২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পদোন্নতিতে রাজনৈতিক বিবেচনার সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা পর্যটন ক্যাম্পে ইউক্রেনের হামলায় চার শিশুসহ নিহত ১১: রাশিয়া কাস্পিয়ান সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে ইউক্রেনের হামলা, নিন্দা জানাল ইরান

সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে ‘সাঈ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৯ আগস্ট, ২০১৭
  • ২৫৪ Time View

সাঈ’ হলো হজের রোকন। হজ ও ওমরায় ‘সাঈ’ করা ওয়াজিব। সাফা ও মারাওয়া পাহাড়দ্বয়ের মধ্যবর্তী স্থানে নির্ধারিত নিয়মে সাঈ করতে হয়। এটি আল্লাহ তাআলার নিদর্শন।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয় সাফা ও মারওয়া (পাহাড় দুটি) আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম।সুতরাং যে কাবাগৃহে হজ এবং ওমরা সম্পন্ন করে; তার জন্য এ (পাহাড়) দুটি প্রদক্ষিণ (সাঈ) করলে কোনো পাপ নেই।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৫৮)

‘সাঈ’ শব্দের অর্থ হলো দৌড়ানো। সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে বিশেষ পদ্ধতিতে সাত বার দৌড়ানোকে সাঈ বলে।‘সাঈ’ বাইতুল্লায় হজ পালন ও ওমরা জন্য ওয়াজিব কাজগুলোর একটি।

‘সাঈ’ পায়ে হেঁটে সম্পন্ন করতে হয়। হেঁটে সাঈ করতে অপারগ হলে বাহনের সাহায্যেও আদায় করা যায়। তবে বিনা ওজরে বাহন ব্যবহার করলে দম বা কুরবানি ওয়াজিব হয়।

সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে দৌড়ানোই হলো সাঈ-এর রোকন। সাফা ও মারওয়া পাহাড় ব্যতীত এদিক-ওদিক অথবা অন্য কোথাও দৌড়ালে ‘সাঈ’ আদায় হবে না।
Saee
সাঈ’র ইতিহাস
ইসলামের ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম আল্লাহর আদেশে তাঁর স্ত্রী হজরত হাজেরা ও শিশুপুত্র হজরত ইসমাইল আলাইহিস সালামকে অল্প কিছু খাদ্যদ্রব্যসহ পবিত্র কাবা ঘর সংলগ্ন সাফা ও মারওয়ার কাছে মরুভূমিতে রেখে আসেন।

তাদের খাবার ও পানি শেষ হয়ে যাওয়ার পর হজরত ইসমাইল আলাইহিস সালামকে রেখে হজরত হাজেরা পানির জন্য কিংবা কোনো কাফেলার সন্ধানে সাফা থেকে মারওয়া এবং মারওয়া থেকে সাফায় ৭বার আসা-যাওয়া (দৌড়াদৌড়ি) করেন।

প্রথমে তিনি আশ-পাশের এলাকা দেখার জন্য সাফা পাহাড়ে উঠেন। সেখান থেকে কোনো দিকে কোনো কিছু না দেখার পর তিনি পার্শ্ববর্তী মারওয়া পাহাড়ে উঠেন।

পাহাড়ের চূড়া থেকে তিনি হজরত ইসমাইল আলাইহিস সালামকে দেখতে পেতেন। কিন্তু যখনই দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে আসতেন, সেখান থেকে তাকে দেখা সম্ভব ছিল না; ফলে তিনি পাহাড়দ্বয়ের মধ্যবর্তী স্থানে তিনি একটু দ্রুতগতিতে ছুটতেন।

এ দৌড়াদৌড়ি আল্লাহ তাআলার পছন্দ হয়ে যায়। যা তিনি মুসলিম উম্মাহর জন্য কুরআনে আয়াতে তাঁর নির্দশন হিসেবে উল্লেখ করেন। ফলে সাফা মারওয়ায় সাঈ বা দৌড়ানো হজ ও ওমরার রোকন হিসেবে সাব্যস্ত হয়।
Saee
মনে রাখতে হবে
সাঈ করার সময় পুরুষ হাজীদের জন্য এই স্থানটুকু দ্রুত (কিছুটা হাল্কা দৌড়ের মতো) পার হতে হবে। যার দুই প্রান্তে সবুজ বাতি দিয়ে চিহ্নিত করে দেয়া আছে। তবে মহিলাদের দৌড়াতে হয় না; কারণ হজরত হাজেরার দৌড়ানোর বদৌলতে এবং তাঁর সম্মানে আল্লাহ তাআলা কেয়ামত পর্যন্ত সব মহিলার জন্য দ্রুত চলাকে মওকুফ ও মুলতবি করে দিয়েছেন।

এভাবে তিনি ৭ বার চলাচলের পর ফিরে এসে তিনি দেখতে পান যে, হজরত ইসমাইল আলাইহিস সালাম-এর পায়ের আঘাতে মাটি ফেটে পানির ধারা বের হচ্ছে।

হজরত হাজেরা পানির প্রবাহ রোধে পাথর দিয়ে বেঁধে দেন। আর মুখে বলেন জম জম অর্থাৎ থামো থামো। আর তখন থেকেই এটি জম জম কুপ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

পরিশেষে…
হজরত হাজেরার সাফা ও মারওয়ায় দৌড়ানোর এই পুণ্যময় স্মৃতির স্মরণ করতে আল্লাহ তাআলা হজ ও ওমরা পালনকারীদের জন্য কেয়ামত পর্যন্ত সাফা মারওয়া সাঈ করা বা দৌড়ানো (দ্রুত যাতায়াত করা) ওয়াজিব করে দিয়েছেন। আর তাই হজ ও ওমরার ফরজ তাওয়াফের পর সাফা-মারওয়া সাঈ করা সকল হাজীর জন্য ওয়াজিব।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সাফা ও মারওয়া সাঈ বা দৌড়ানোর বিধানকে যথাযথ পালন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ