1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজনৈতিক প্রভাব নয়, প্রকৃত কৃষকই কৃষি সুবিধা পাবে : পাট প্রতিমন্ত্রী দলীয় পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন জোনায়েদ সাকি নওগাঁয় বৃদ্ধকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে নির্যাতিত গণমাধ্যমকর্মীদের তালিকা করা হচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য : অর্থমন্ত্রী খাল খনন বিপ্লব সমাপ্ত হলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ অব্যাহত থাকত : পানিসম্পদমন্ত্রী কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী সব চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি বাতিল ২ হাজারের বেশি বন্দিকে মুক্তি দিল কিউবা কবরস্থান থেকে উদ্ধার হলো ৪১৪ গ্যাস সিলিন্ডার, আটক ১০

পৌরসভার উন্নয়নে এডিবি’র ১৬শ কোটি টাকার ঋণ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৯ আগস্ট, ২০১৭
  • ৮০ Time View

দেশের পৌরসভার অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মান বাড়ানো ও সুশাসন জোরদারে ১৬শ কোটি টাকার ঋণ দিচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)। ম্যানিলাভিত্তিক এ সংস্থাটির বোর্ড অব ডিরেক্টরস বাংলাদেশে ঋণ প্যাকেজ অনুমোদন করেছে। বুধবার এডিবির বাংলাদেশ অফিস থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

এডিবির এই সহায়তার ফলে চলমান প্রকল্পের আওতায় ৬০০ কিলোমিটার সড়ক ও ৩০০ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ বা উন্নতি করা এবং পানি সরবরাহের জন্য ১৮০ কি.মি পাইপলাইন স্থাপন বা আপগ্রেড করা হবে। এছাড়া পৌরসভাগুলোতে করের হার বাড়ানো এবং বিলিং সিস্টেমের কম্পিউটারাইজেশনে সম্পূর্ণতা আনবে। এতে করে দারিদ্র্য বিমোচন, লিঙ্গ বৈষম্য ঘাটতির উন্নয়ন, কমিউনিটি অংশগ্রহণ এবং পৌর আর্থিক ব্যবস্থাপনার উন্নতির জন্য সহায়ক হবে। প্রকল্পের জন্য বাস্তবায়ন সময়কাল ধরা হয়েছে চলতি বছর থেকে ২০২১ সালের আগস্ট পর্যন্ত।

এ বিষয়ে এডিবি নগর উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ আলেকজান্দ্রা ভোগাল বলেন, এখনও অবকাঠামোগত দিকে থেকে বাংলাদেশের শহুরে পরিবেশ তেমন উন্নতি হয়নি। বরং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পরিবেশ আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে। এই অবস্থায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য আরও বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, তৃতীয় নগরায়ণ শাসন ও অবকাঠামো (সেক্টর) প্রকল্পের আওতায় এই অতিরিক্ত সহায়তা দিচ্ছে এডিবি। এ প্রকল্পের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে।

এডিবি বলছে, ২০১৪ থেকে ২০১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৬ দশমিক ৬ হারে প্রবৃদ্ধি করেছে। কিন্তু দ্রুত নগরায়নের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে টেকসই ও ইনক্লুসিভ গ্রোথের বিষয়ে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন সরকার। উদাহরণস্বরূপ বলা হয়, ২০১৫ সালের হিসাবে অনুসারে শহুরে জনসংখ্যার মাত্র ৩২ শতাংশ জনগণের মাঝে পাইপলাইন পানি সরবরাহ করার ব্যবস্থা ছিল আর মাত্র ৫৮ শতাংশ উন্নত স্যানিটেশনের সুবিধা পেত। এছাড়া অন্যান্য চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে শহরগুলোতে ড্রেনেজ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাও খুবই নাজুক। এর পেছনে সুশাসনের শাসন, সম্প্রদায়ের অংশীদারিত্বের অভাব এবং ক্ষমতার সীমাবদ্ধতাগুলো তীব্রভাবে দায়ী।

এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো জলবায়ু পরিবর্তন। যেহেতু দেশ ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রায় মুখোমুখি। এছাড়া ঘন এবং তীব্র বৃষ্টিপাত, ঝড় ও বন্যা এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ক্রমান্নয়ে বিপদ সীমায় উঠে আসছে। এজন্য এ চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করার জন্য পরিবেশ ও সেবা বজায় রাখতে পৌরসভাগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানের উন্নতির প্রয়োজন।

এর আগে ২০০৩-২০০৭ সাল পর্যন্ত দেশের ২৭টি পৌরসভায় পারফরমেন্সের ভিত্তিতে ৬ কোটি ৫০ হাজার ডলার সমপরিমাণ সহায়তা দিয়েছে। এরপরও ২০০৮ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত দেশে ৫১টি পৌরসভায় ৮ কোটি ৭০ হাজার ডলরের সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে ২০১৪ সালে শহর অঞ্চলে অবকাঠামো ও শাসন ব্যবস্থার উন্নয়নে সাড়ে ১২ কোটি ডলারের সহায়তা দিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ