1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ ছাত্রদল নেতা বাবলুর মৃত্যু হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ১৬ ডাক্তারের মধ্যে উপস্থিত ৮ আমাদের ভবিষ্যৎ সংসদ অধিবেশন দেখে জাতি অনেকটা আশ্বস্ত হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ১ লাখ স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ দেবে সরকার, ৮০ হাজারই নারী: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রমজানে বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে: ইশরাক হোসেন খালেদা জিয়াসহ ৬ জন পাচ্ছেন শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কার রাজধানীতে রাতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪ সবচেয়ে বড় রণতরীকে ভূমধ্যসাগর থেকে লোহিত সাগরে নিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বিপদগ্রস্ত ইরানি নাবিকদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসিত শ্রীলঙ্কা নদীভাঙন প্রকল্প দেখতে কোম্পানীগঞ্জে যাচ্ছেন দুই মন্ত্রী

সিলেটের বিশ্বনাথে গুলিতে নিহত ২

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১২
  • ১২০ Time View

পুলিশ-জনতা সংঘর্ষের পর ইলিয়াস আলীর জন্মস্থান সিলেটের বিশ্বনাথ বাজারের কয়েক বর্গ কিলোমিটার এলাকায় এখন কেবল যত্রতত্র ছড়ানো ইট-পাটকেল, রাস্তায় আগুনের চিহ্ন। জনমানবশূন্য হয়ে পড়া পুরো এলাকাতেই থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

সোয়া দু’ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মনোয়ার হোসেন (৩৩) নামে এক বিএনপি সমর্থকসহ দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত মনোয়ার বিশ্বনাথের রাজনগর গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে। অপরজনের নাম ওসমান আলী।

তবে গুলি চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিক্ষুব্ধ জনতাকে গুলি করার কোন নির্দেশ ছিলো না জেলা পুলিশের। পুলিশ কেবল জনতাকে সামলাতে টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি ছুঁড়েছে মাত্র।

পুলিশের এ বক্তব্যের পর দেশি অস্ত্র হাতে পুলিশের সঙ্গে অ্যাকশনে নামা ছাত্রলীগ ও যুবলীগ ক্যাডারদের গুলিতেই তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আমজাদ আলী নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ক্যাডাররা বিশ্বনাথ বাজার ব্রিজের কাছে পুলিশ পরিবেষ্টিত হয়ে পিটিয়ে ও চাকু দিয়ে খুঁচিয়ে একজনকে হত্যা করে।

এদিকে জনতার হামলায় গুরুতর আহত হয়ে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন বিশ্বনাথ থানার ওসি (তদন্ত) চান মিয়া, কনস্টেবল জালাল, সাধন বর্মন ও আব্বাস, যুবদল কর্মী আব্দুল হানিফ, বিএনপি সমর্থক শাহেন ও জাকির এবং যুবলীগ কর্মী আজির হোসেন। এদের মধ্যে চান মিয়া ও জাকিরের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে হাসপাতাল সূত্র। এছাড়া সাধন বর্মনকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে।

সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মকবুল হোসেন ভূঁইয়া ও সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার অমূল্য ভূষণ বড়ুয়া হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান।

সিলেটের পুলিশ সুপার শাখাওয়াত হোসেনও ২ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়া সংঘর্ষ চলাকালে মোট চারটি মোটরসাইকেল পোড়ানোর খবর পাওয়া যায়। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ভাঙচুর চালানো হয় তার বাসভবন ‘বনশ্রী’তে। আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয় বাসার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা তার জিপটিও।

এদিকে বিক্ষুব্ধ জনতাকে সামলাতে এক পর্যায়ে ১৫ গাড়ি র‌্যাব যোগ দেয় পুলিশের সঙ্গে। শেষের দিকে বিজিবি ব্যাটালিয়ান যোগ হওয়ার পর বিক্ষোভকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়। সংঘর্ষের সময় ২০০ রাউন্ড টিয়ার সেল ও ফাঁকা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাত ১১টার দিকে পুলিশ সুপার সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, হতাহতের ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ