1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজনৈতিক প্রভাব নয়, প্রকৃত কৃষকই কৃষি সুবিধা পাবে : পাট প্রতিমন্ত্রী দলীয় পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন জোনায়েদ সাকি নওগাঁয় বৃদ্ধকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে নির্যাতিত গণমাধ্যমকর্মীদের তালিকা করা হচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য : অর্থমন্ত্রী খাল খনন বিপ্লব সমাপ্ত হলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ অব্যাহত থাকত : পানিসম্পদমন্ত্রী কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী সব চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি বাতিল ২ হাজারের বেশি বন্দিকে মুক্তি দিল কিউবা কবরস্থান থেকে উদ্ধার হলো ৪১৪ গ্যাস সিলিন্ডার, আটক ১০

পাটের বহুবিধ ব্যবহারে হচ্ছে পৃথক ইনস্টিটিউট

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৭
  • ১০৭ Time View

পাট ও পাটজাতীয় পণ্যের উন্নয়ন এবং উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবনসহ পাটের বহুমুখী ব্যবহারের লক্ষ্যে আনুষঙ্গিক বিষয়ে গবেষণার জন্য পৃথক ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে। এ লক্ষ্যে সংসদে উত্থাপিত একটি বিলও চূড়ান্ত করেছে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট বিলের প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়। যা ২ মে থেকে শুরু হওয়া সংসদের ১৪তম অধিবেশনে বিল আকারে পাসের প্রস্তাব করা হয়েছে।

কমিটির সভাপতি মো. মকবুল হোসেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, মো. আব্দুর রাজ্জাক, মো. মামুনুর রশীদ কিরণ, এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন ও উম্মে কুলসুম স্মৃতি উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক সূত্র জানায়, ১৯৭৪ সালের ‘বাংলাদেশ জুট রিসার্চ ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট’ বাতিল করে নতুন আইন করতে ‘বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট বিল-২০১৭’ গত ৮ মার্চ সংসদে উত্থাপন করেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।

পরে বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য তা সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

পরিবেশ সুরক্ষায় বিশ্বজুড়ে পাটজাত পণ্য ব্যবহারের গুরুত্ব বাড়ার মধ্যে এ আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ১৯৭৪ সালের আইনটি পরিমার্জন করে বাংলায় নতুন আইন করতে গত জুলাইয়ে বিলটি মন্ত্রিসভার অনুমোদন পায়।

প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, ইনস্টিটিউট পাট ও সমশ্রেণির আঁশ ফসলের কৃষি, কারিগরি ও অর্থনৈতিক গবেষণা নিয়ন্ত্রণ, উন্নয়ন ও পরিচালনা এবং আঁশজাত ফসল উৎপাদন এবং গবেষণার ফলাফল সম্প্রসারণ করবে।

সরকারের অনুমোদন নিয়ে ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের যে কোনো স্থানে আঞ্চলিক কেন্দ্র ও উপকেন্দ্র স্থাপন করতে পারবে। ইনস্টিটিউট পাট ও সমশ্রেণির আঁশ ফসল, পাটজাত পণ্য ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে গবেষণার জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাইলট প্রকল্পও করতে পারবে।

প্রস্তাবিত আইনে ইনস্টিটিউট পরিচালনার জন্য ১৭ সদস্যের বোর্ড গঠনের কথা বলা হয়েছে। ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বোর্ডের চেয়ারম্যান হবেন। মহাপরিচালককে নিয়োগ দেবে সরকার।

বিলে আরও বলা হয়েছে, পাট সম্পর্কিত উদ্ভুত কোনো সমস্যা নিরসন বা পাটের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে কোনো প্রযুক্তি বা কৌশল উদ্ভাবনের জন্য ইনস্টিটিউট সরকারের অনুমোদন নিয়ে গবেষক বা প্রযুক্তিবিদ নিয়োগ করতে পারবে।

বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ