1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ধীরগতির বিচার নিয়ে জুলাই শহীদ মাতার আক্ষেপ, জবাব দিলেন আইনমন্ত্রী বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা, সম্মান ও দৃঢ় অবস্থান নিশ্চিত করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিলকে প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ২০০৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বিদেশ গেছেন দেড় কোটির বেশি কর্মী প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হতে চীন যাচ্ছেন দুই মন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ মেধাবীদের খুঁজতে ‘প্রতিভার সন্ধানে’ কার্যক্রম শুরু করবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী গত অর্থবছরে দেশে ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী পবিত্র আশুরা উপলক্ষে যেসব নির্দেশনা দিলো ডিএমপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেয়া হবে : রিজভী

বিয়েতে বিশেষ অতিথি ১৮ হাজার বিধবা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০১৬
  • ১২০৩ Time View

5010সমাজে এমন কিছু মানুষ আছেন, যারা প্রচলিত নিয়মের বিপরীতে যেতেই বেশি ভালোবাসেন। এমনই এক কাজ করলেন ভারতের গুজরাট প্রদেশের এক ব্যবসায়ী।

গুজরাটে এখনো কোনো শুভ অনুষ্ঠানে কাজকর্ম করার জন্য ডাক পড়ে সধবাদের। বিধবারা সেখানে প্রবেশ করতে পারেন না। এই কুসংস্কারকে পেছনে ফেলে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গুজরাটের ওই ব্যবসায়ী। শহরে এই চিত্রে পরিবর্তন দেখা গেলেও, গ্রামাঞ্চলে তা কল্পনার বাইরে।

ওই ব্যবসায়ীর নাম জিতেন্দ্র পটেল। জিতু ভাই নামেই সবার কাছে পরিচিত। বুধবার তার ছেলের বিয়েতে তিনি এক নতুন যুগের সূচনা করেছেন। উত্তর গুজরাটের পাঁচ জেলা থেকে ১৮ হাজার বিধবাকে আমন্ত্রণ জানান। শুধু তাই নয়; তাদের পরিবহনের খরচও মেটান তিনি। হিম্মতনগর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে দেরোলে জিতেন্দ্রর বাড়িতে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন এই বিধবারা।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে প্রত্যেককে কম্বল এবং একটি করে চারাগাছ উপহার দেয়া হয়। হত দরিদ্র পরিবার থেকে আসা ৫০০ জন বিধবাকে একটি করে গরুও দেয়া হয়।

জিতেন্দ্র পটেল বলেন, আমার একান্ত ইচ্ছা ছিল ছেলের জীবনের এই বিশেষ দিনে তাকে সেই সব নারী আশীর্বাদ করুক; যাদেরকে সমাজ দূরে সরিয়ে রেখেছে। আমাদের সমাজে কোনো শুভ কাজে বিধবাদের উপস্থিতি অপয়া বলে মনে করা হয়। আমি এই কুসংস্কার ভাঙতে চেয়েছিলাম।

গুজরাটের মেহসানা জেলার ৫৫ বছর বয়সী বিধবা হানসা ঠাকুর টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন, গরু পাওয়ায় এখন থেকে ভালোভাবে চলতে পারবো। আমি কখনো কল্পনা করতে পারি নাই; একজন বিধবা হিসেবে আমাকে এতো গুরুত্ব দেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ