1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন

স্পেশাল বিসিএসের মাধ্যমে কোটা পূরণের আহ্বান

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০১৬
  • ১২০ Time View

1725৩৪ ও ৩৫তম বিসিএস-এ কারিগরী ও পেশাগত ক্যাডারে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ৩০% কোটা শিথিল না করে শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে কোটা পূরণের দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, কোটা শিথিল নয় বরং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ৩০% কোটা বাস্তবায়নের জন্য নতুন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বা স্পেশাল বিসিএসের মাধ্যমে কোটা পূরণ করুন।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে হুমায়ুন কবির বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এসে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ৩০% কোটা কাগজে-কলমে রাখলেও এই কোটা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের চাকরির বয়সসীমা শেষ হয়েছে। এখানো অসংখ্য শিক্ষিত মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা বেকার রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুনরায় ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর ৩০% কোটা পুনরায় পূরণ করা হচ্ছে। কিন্তু একশ্রেণির আমলা দীর্ঘদিন যাবত এই কোটার বিরোধিতা করে আসছেন।

তিনি বলেন, আমলাতান্ত্রিক কূটচালের দরুণ পিএসসিসহ কোথাও ৩০% কোটা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। কোনো কারণে কোটা পূরণ করা না গেলে আলাদা সার্কুলার জারি করে শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে ৩০% কোটা বাস্তবায়ন করার বিধান থাকলেও তা কোথাও মানা হচ্ছে না। পিএসসি ও স্পেশাল বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে কোটা বাস্তবায়নে অনীহা দেখাচ্ছে। এটা একটা সুগভীর চক্রান্ত।

কারণ, ৩০% কোটা বাস্তবায়ন হোক এটা প্রশাসনে ঘাপটি মেরে বসে থাকা একশ্রেণির আমলা চায় না। ষড়যন্ত্রকারীরা অতীতের ন্যায় বর্তমানেও ৩০% কোটা বাতিলের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তাদের চক্রান্তের অংশ হিসেবে সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে ৩৪ ও ৩৫তম বিসিএস-এ কারিগরী ও পেশাগত ক্যাডারে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ৩০% কোটা শিথিল করার প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ৩০% কোটা বাতিলের পথে একধাপ এগিয়ে যাওয়া।

বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৩০% কোটার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। কিন্তু জাতির জনককে হত্যার পর এই কোটা কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবায়ন করা হতো না। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর কন্যা ৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে এই কোটা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য প্রবর্তন করেন। যা ২০০০-২০০১ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হয়।

এরপর বারবার এই কোটা নিয়ে ষড়যন্ত্র হয়েছে। এই ষড়যন্ত্র এখানো অব্যাহত রয়েছে। মন্ত্রিসভার বেঠকে ৩৪-৩৫ বিসিএস-এ কারিগরী ও পেশাগত ক্যাডারে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ৩০% কোটা শিথিল করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। তা না হলে সারাদেশের মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা রাজপথে নেমে কোটা রক্ষা করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ