1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী এবারের ঈদযাত্রায় ইতিহাসের জঘন্যতম অব্যবস্থাপনা: জামায়াত আমির মধ্যপ্রাচ্যে থাকা প্রবাসীদের নিরাপত্তায় কাজ করছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত প্রস্তুত ৬ দেশ ফিলিস্তিন চেয়েছিল নিষেধাজ্ঞা, ইসরায়েলকে জরিমানা করেই ছেড়ে দিল ফিফা ইসরায়েলের মন্ত্রণালয়ে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের ঈদের দিন দেশজুড়ে কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস ‘ইরানি হামলায়’ মার্কিন যুদ্ধবিমানের জরুরি অবতরণ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের খবর সঠিক নয় : প্রেস উইং

ঐক্যের ডাক সু চির

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৫
  • ১৮৮ Time View

সাম্প্রদায়িক হানাহানিতে বিপর্যস্ত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গিয়ে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান 14জানালেন বিরোধীদলীয় নেত্রী অং সান সু চি। সু চির এই নির্বাচনী সফর রাখাইন রাজ্যের সাম্প্রদায়িক নিপীড়নের শিকার সংখ্যালঘু মুসলিমদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে। খবর এএফপি ও রয়টার্সের।
সু চি গতকাল শনিবার সেখানকার থ্যানদোয়ে শহরে সমাবেশে বক্তব্য দেন। এখানেই ২০১৩ সালে দাঙ্গায় অন্তত ছয়জন মুসলিম প্রাণ হারান। তবে সেই দাঙ্গা নিয়ে গতকালের সমাবেশে কোনো কথা বলেননি সু চি। তিনি বলেন, জাতিগত ও ধর্মীয় বঞ্চনার হাত থেকে দেশের মানুষকে রক্ষা করা জরুরি। এ দেশের সব মানুষকে এক হতে হবে। একে অপরের প্রতি ঘৃণা ও ভীতি কোনো সুফল বয়ে আনে না।
২০১২ ও ২০১৩ সালে বিভিন্ন সময় রাখাইন রাজ্যে কট্টর বৌদ্ধরা স্থানীয় মুসলিম সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালায়। এখনো পর্যন্ত সেখানে নানা বৈষম্যের শিকার মুসলিমরা। রাজ্যের রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে নিপীড়ন চললেও এ বিষয়ে হতাশাজনক নীরবতার জন্য আন্তর্জাতিক মহলের সমালোচনার মুখে পড়েন সু চি। কট্টরপন্থী বৌদ্ধরা সু চিকে সংখ্যালঘুদের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে মনে করে। নির্বাচনের আগে সংখ্যাগুরু বৌদ্ধদের না চটানোর নীতিই সু চির নীরবতার কারণ বলে মনে করা হয়।
সমাবেশে সু চি স্থানীয় মুসলিম ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজনের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন। সু চির দল ক্ষমতায় এলে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্য নিরসনে কী করবে এমন প্রশ্ন করেন এক মুসলিম ব্যক্তি। জবাবে সু চি বলেন, তাঁর দল আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে। এক বৌদ্ধ ব্যক্তি প্রশ্ন করেন, এমন গুজব রটেছে যে সু চির দল ক্ষমতায় এলে মুসলিমরা দেশের ক্ষমতা পাবে। এর জবাবে সু চি বলেন, এ ধরনের প্রশ্ন জাতিগত ও ধর্মীয় সহিংসতাকে উসকে দেবে।
গতকাল থ্যানদোয়ে শহর এবং আশপাশের গ্রামগুলো থেকে হাজার হাজার মুসলিম সমাবেশে যায়। সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) এবারের নির্বাচনে যে ১ হাজার ১০০ জনকে মনোনয়ন দিয়েছে, এর মধ্যে একজন মুসলিমও নেই। তবু সমাবেশে আসা মুসলিমদের অনেকেই সু চির প্রতি তাদের সমর্থনের কথা জানায়। এদের একজন ওয়েন নাইং (৪১) বলছিলেন, ‘আমাদের আশা ছোটই। আমাদের সমান অধিকার নেই। আমি আশা করি মা সু চি নির্বাচনে জিতলে আমরা আমাদের অধিকার ফিরে পাব।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ