1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা বুড়িগঙ্গা পরিচ্ছন্ন করে আগের রূপে ফেরানোর আশ্বাস : মীর শাহে আলম ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনা দুই-এক মাসে দূর করা সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেবে বিএনপি: রিজভী বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের দাম রাতের আঁধারে কারাগার থেকে হাসপাতালে ইমরান খান রোমের হোটেল বিতর্কে যা বললেন জেমস মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়েছে চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড ও পাকিস্তান নতুন রাষ্ট্রপতিকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫৫ ভোট পেয়ে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত

close বন্ধ ৫০ পোশাক কারখানা, বেকার হাজার হাজার শ্রমিক!

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৫
  • ১৫৯ Time View

আরএম ফ্যাশনে প্রায় ৪শ’ শ্রমিক কর্মরত ছিল যারা আজ বেকার। জানা যায়, ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে জুলাই পর্যন্ত ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ৫০ টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বেকার হতে হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিককে।dfgxfg

তেমন কোনো গার্মেন্টেই নতুন নিয়োগ হচ্ছে না। বেশিরভাগ কারখানার সামনেই ঝুলছে “কর্মখালি নাই”। মূলত শেয়ার্ড বিল্ডিংয়ে যেহেতু কারখানা না রাখার নিয়ম শুরু হয়েছে তাই বন্ধ হয়ে গেছে এসব কারখানা। কিছু কারখানার আবার আর্থিক দৈন্যের কারণে মালিকপক্ষকে গার্মেন্ট বন্ধ করে দিতে হয়েছে।

টেক্সটাইল গার্মেন্ট ওয়ার্কার্স ফেডারেশন সূত্রে জানা যায়, একইভাবে বন্ধ হয়ে গেছে লিরিক, বনী সহ দেশের প্রায় ৫০ টি গার্মেন্ট কারখানা।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন টেক্সটাইল গার্মেন্ট ওয়ার্কার্স ফেডারেশন এর সাধারণ সম্পাদক তপন সাহা।

তপন সাহা বলেন, অনেক কারখানাকে অ্যাকর্ড থেকে ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর তা দেখে অনেক মালিক ভয়েই কারখানা বন্ধ করে দিচ্ছেন। কারখানা যেমনই হোক, সমস্যা যেমনই থাকুক না কেন কাজতো ছিলো! কিন্তু গত সাত মাসে এ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারখানার সংখ্যা প্রায় ৫০টি কারখানার প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক বেকার এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের পানে তাকিয়ে আছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডিতে সহস্রাধিক শ্রমিক নিহত হওয়ার পর থেকে আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ক্রেতাদের সংগঠন হিসেবে গড়ে ওঠে অ্যাকর্ড, অ্যালায়েন্স। শেয়ার্ড বিল্ডিংয়ের কারখানাকে অর্ডার না দেয়াসহ নানা সিদ্ধান্ত নেন ক্রেতারা। তারপর থেকে বিভিন্ন সময়ে অগ্নিনিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশে বেশ কিছু কারখানা বন্ধ হয়ে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ