1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজনৈতিক প্রভাব নয়, প্রকৃত কৃষকই কৃষি সুবিধা পাবে : পাট প্রতিমন্ত্রী দলীয় পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন জোনায়েদ সাকি নওগাঁয় বৃদ্ধকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে নির্যাতিত গণমাধ্যমকর্মীদের তালিকা করা হচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য : অর্থমন্ত্রী খাল খনন বিপ্লব সমাপ্ত হলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ অব্যাহত থাকত : পানিসম্পদমন্ত্রী কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী সব চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি বাতিল ২ হাজারের বেশি বন্দিকে মুক্তি দিল কিউবা কবরস্থান থেকে উদ্ধার হলো ৪১৪ গ্যাস সিলিন্ডার, আটক ১০

অন্যরকম কারাগার

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৪ জুন, ২০১৪
  • ৮৩ Time View

karagar8কল্পনা করুন তো, ৯৪০০০ বর্গফুটের কোন ধরনের বাধাহীন বিলাসবহুল ভবনে ঘুরে বেড়াচ্ছে দাগি সব আসামি। তারা বই পড়ছে, বিড়াল পালছে, খেলাধুলা করছে, প্রতিদিন ঘণ্টাব্যাপী প্রিয়জনের সঙ্গে কথা বলছে। এমনকি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কিছু দিন পর পর দেখা করছে। আসলে ওই বিলাসবহুল ভবনটি কোন হোটেল নয়, নয় কোন বিলাসিতার জায়গা। এটি আসলে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের চেসির কাউন্টি কারেকশনাল ফ্যাসিলিটি নামের কারাগার। ৫৪ বছর বয়সী রিক ভ্যান উইকলার হচ্ছেন ২৩০ জন নারী ও পুরুষ বন্দি সমেত এই কারাগারের প্রধান প্রশাসক। সারা পৃথিবীর মাত্র ৫ শতাংশ জনগণের বাস যুক্তরাষ্ট্রে। আর যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারগুলোতে বন্দি আছে দুনিয়ার মোট বন্দির এক-চতুর্থাংশ! যুক্তরাষ্ট্রের মোট কারাবন্দির সংখ্যা প্রায় ২২ লাখ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই হার অত্যন্ত বেশি। ভ্যান উইকলার তার আওতাধীন এই কারাগারের নতুন ভবন নির্মাণের সময় দেশব্যাপী বিভিন্ন কারাগার ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি উপলব্ধি করেন, বন্দিদের আটকে রাখার জন্য কাঁটাতারের বেড়ার প্রয়োজন নেই। বরং এমন এক পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে বন্দিরা পালাবার কথা চিন্তাই না করে। একই সঙ্গে যেন তারা আত্মশুদ্ধির পথ খুঁজে পায়। এই আরামদায়ক কারাগারের দুই সঙ্গী আমান্ডা আর মারিয়া প্রায়ই স্ক্রাবল নামের একটি খেলা খেলেন। একজন আবার পোলো নামের একটি বিড়ালও পালেন! ভ্যান উইকলার বিশ্বাস করেন, দেশের কারাগারগুলোতে বন্দিদের আত্মশুদ্ধির পরিবেশ সৃষ্টি করা উচিত। এর মাধ্যমেই দেশব্যাপী অপরাধীদের সংখ্যা কমে আসবে। কারাগার রক্ষণাবেক্ষণের পেছনে সরকারি কোষাগারের বিপুল অর্থও বেঁচে যাবে। তিনি বলেন, সর্বাধিক শাস্তিপ্রাপ্ত আসামিকেও এখানে ১৫ দিনের বেশি একাকী বন্দি অবস্থায় রাখা হয় না। সঙ্গীদের সঙ্গে একত্রে রাখা হয়। তাদের জন্য খেলাধুলার সুবিধাও দেয়া হয়। অনেক মানুষ মনেই করেন না এটা একটা জেলখানা। তারা মনে করেন এটা একটা স্কুল। নিরাপত্তা বেড়া না থাকলেও সমপূর্ণ এলাকা গোপন কামরা থেকে নিয়ন্ত্রিত ক্যামেরার মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। ভ্যান উইকলার মনে-প্রাণে বিশ্বাস করেন, দেশের অন্য কারাগারের তুলনায় তার বন্দিরা অনেক বেশি সুযোগ-সুবিধা পায়। তারা আত্মশুদ্ধির পথও খুঁজে পায়। তিনি দাবি করেন, তার এখান থেকে শাস্তি শেষে বের হওয়া আসামিদের পুনরায় অপরাধকর্মে জড়িয়ে পড়ার হার অনেক কম। তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রব্যাপী কারাগারগুলোতে এই কাঠামো অনুসরণ করা উচিত।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ