1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০২:১০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ধর্ষণের দায়ে নরওয়ের ক্রাউন প্রিন্সেসের ছেলের ৪ বছরের কারাদণ্ড মারা গেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি জ্যাজ সংগীতশিল্পী আবদুল্লাহ ইব্রাহিম আমি জ্বালাময়ী কিছু সত্যি কথা বলব : প্রভা এবার সালাহর মিসরে আটকা ডি ব্রুইনার বেলজিয়াম রাজনৈতিক চাপের মুখে বিশ্বকাপে নেমে ড্র করল ইরান রাজধানীর ৪টি বাস টার্মিনাল দ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সৌদির কথা স্মরণ করে আলজেরিয়া নিয়ে সতর্ক স্কালোনি, মরক্কোর সঙ্গে তুলনা বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রে সেনাঘাঁটিতে আছড়ে পড়ল বি-৫২ বোমারু বিমান, ৮ জন নিহত রাজধানীর চারটি বাস টার্মিনাল দ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঐক্যের ডাক দেয় বিশ্ব ইজতেমা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১৪
  • ২৪০ Time View

মহান আল্লাহর একমাত্র মনোনীত ধর্ম ইসলাম। ইসলাম ছাড়া কোনো ধর্ম আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। মুসলিম উম্মাহকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ঐক্যবদ্ধ থাকতে বলেছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হচ্ছে, ‘তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর; পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না’ (সূরা আলে ইমরান, আয়াত : ১০৩)। এই আয়াত দ্বারা বোঝা যায়, মুসলমানরা একে অপর হতে বিচ্ছিন্ন হওয়া উচিত নয়। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত। অপ্রিয় হলেও সত্য, বর্তমান বিশ্বের মুসলমানরা বিভিন্ন দল-উপদলে বিভক্ত হয়ে আছে। দাওয়াতে তাবলিগের মেহনত দ্বারা পৃথিবীর মুসলমানদের আবার ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়াস চলছে। তাবলিগ জামাতের সর্ববৃহৎ সম্মেলন বিশ্ব ইজতেমা এর জ্বলন্ত প্রমাণ। বিশ্ব ইজতেমায় পৃথিবীর বেশির ভাগ দেশ থেকে মুসলমানরা আসেন। তারা মুসলিম উম্মাহর এই বৃহত্তম সম্মেলনে অংশ নেন। সব মাজহাবের এবং সব মত ও পথের মুসলমানরা এখানে আসেন। একই শামিয়ানার নিচে সবাই একসঙ্গে অবস্থান করেন। এখানে আমির-ফকির, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, যুবক-বৃদ্ধ, ধনী-দরিদ্র, সাদা-কালো কোনো ভেদাভেদ নেই। সব মুসলমানকে হুজুর (সা.)-এর উম্মত এবং কালেমাওয়ালা ভাই মনে করা হয়। কাউকে অবহেলা করা হয় না। বিশ্ব ইজতেমার একটা বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে কোনো মুসলমানকে ছোট করে দেখা হয় না। আল্লাহর কাছে প্রত্যেক মুসলমানের মূল্য আছে- এখানে এটা ভালোভাবে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়। মুসলমানদের কোনো ভাগে বিভক্ত করা হয় না। কারও সমালোচনা করা হয় না। সবাইকে সমান চোখে দেখা হয়। এক মুসলমান যেন আরেক মুসলমানকে সম্মান করে সে জন্য জোর তাগিদ দেওয়া হয়। কোনো মাজহাবের মুসলমানকে খাটো করা হয় না। বরং সবাইকে ইমান ও আমলের মেহনতের প্রতি আহ্বান করা হয়। এর ফলে দেখা যায়, তাবলিগের কাজে বেরিয়ে যাওয়া একই জামাতে বিভিন্ন দেশের সাথীরা থাকেন। তারা একই প্লেটে খাবার খাচ্ছেন। কারও মধ্যে কোনো হিংসা থাকে না। ঘৃণা থাকে না। সাদা-কালোর মাঝে কোনো পার্থক্য থাকে না। সবার মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ থাকে। জামাতের মধ্যে হানাফি মাজহাবের অনুসারী যেমন থাকেন, তেমনি শাফেয়ি মাজহাবের অনুসারীও থাকেন। কেউ হাম্বলি মাজহাবের, আবার কেউ মালেকি মাজহাবের অনুসারী থাকেন। অনেকে এমনও থাকেন যারা কোনো মাজহাবের অনুসারী নন। সবাই মিলেমিশে দাওয়াতের কাজ করেন। তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ থাকে না। সবাই একে অপরকে আপন ভাইয়ের মতো মনে করে। বর্তমান পৃথিবীতে এটি এক আশ্চর্য বিষয়।

লেখক : খতিব, বাইতুর রহমত জামে মসজিদ, গাজীপুরা, টঙ্গী। ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ