1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মিমিকে প্রকাশ্যে মঞ্চে হেনস্তা, গ্রেপ্তার সেই যুবক নির্বাচনের পরিবেশ বিগত সরকারের আমলের চেয়ে ভালো : প্রেসসচিব আগামীকালই হবে ৫০তম বিসিএস পরীক্ষা আয়কর রিটার্ন জমার সময় আরো বাড়াল এনবিআর দেশ কোনদিকে যাবে জনগণ ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করবে: তারেক রহমান যে দেশে চাকরির অনিশ্চয়তা, সেখানে টিকটক করে ডলার কামানো স্বাভাবিক : অর্ষা বিশ্ববাজারে বাড়লো সোনা-তেলের দাম, শেয়ারবাজারে ধস সংঘাতে সঙ্গে জড়িত না এমন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিএনপিতে স্বাগত চাঁদে আঘাত হানতে পারে গ্রহাণু, পৃথিবীতে ভয়াবহ উল্কাবৃষ্টির আশঙ্কা জামায়াতের ইতিবাচক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

ঐক্যের ডাক দেয় বিশ্ব ইজতেমা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১৪
  • ১৯২ Time View

মহান আল্লাহর একমাত্র মনোনীত ধর্ম ইসলাম। ইসলাম ছাড়া কোনো ধর্ম আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। মুসলিম উম্মাহকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ঐক্যবদ্ধ থাকতে বলেছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হচ্ছে, ‘তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর; পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না’ (সূরা আলে ইমরান, আয়াত : ১০৩)। এই আয়াত দ্বারা বোঝা যায়, মুসলমানরা একে অপর হতে বিচ্ছিন্ন হওয়া উচিত নয়। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত। অপ্রিয় হলেও সত্য, বর্তমান বিশ্বের মুসলমানরা বিভিন্ন দল-উপদলে বিভক্ত হয়ে আছে। দাওয়াতে তাবলিগের মেহনত দ্বারা পৃথিবীর মুসলমানদের আবার ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়াস চলছে। তাবলিগ জামাতের সর্ববৃহৎ সম্মেলন বিশ্ব ইজতেমা এর জ্বলন্ত প্রমাণ। বিশ্ব ইজতেমায় পৃথিবীর বেশির ভাগ দেশ থেকে মুসলমানরা আসেন। তারা মুসলিম উম্মাহর এই বৃহত্তম সম্মেলনে অংশ নেন। সব মাজহাবের এবং সব মত ও পথের মুসলমানরা এখানে আসেন। একই শামিয়ানার নিচে সবাই একসঙ্গে অবস্থান করেন। এখানে আমির-ফকির, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, যুবক-বৃদ্ধ, ধনী-দরিদ্র, সাদা-কালো কোনো ভেদাভেদ নেই। সব মুসলমানকে হুজুর (সা.)-এর উম্মত এবং কালেমাওয়ালা ভাই মনে করা হয়। কাউকে অবহেলা করা হয় না। বিশ্ব ইজতেমার একটা বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে কোনো মুসলমানকে ছোট করে দেখা হয় না। আল্লাহর কাছে প্রত্যেক মুসলমানের মূল্য আছে- এখানে এটা ভালোভাবে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়। মুসলমানদের কোনো ভাগে বিভক্ত করা হয় না। কারও সমালোচনা করা হয় না। সবাইকে সমান চোখে দেখা হয়। এক মুসলমান যেন আরেক মুসলমানকে সম্মান করে সে জন্য জোর তাগিদ দেওয়া হয়। কোনো মাজহাবের মুসলমানকে খাটো করা হয় না। বরং সবাইকে ইমান ও আমলের মেহনতের প্রতি আহ্বান করা হয়। এর ফলে দেখা যায়, তাবলিগের কাজে বেরিয়ে যাওয়া একই জামাতে বিভিন্ন দেশের সাথীরা থাকেন। তারা একই প্লেটে খাবার খাচ্ছেন। কারও মধ্যে কোনো হিংসা থাকে না। ঘৃণা থাকে না। সাদা-কালোর মাঝে কোনো পার্থক্য থাকে না। সবার মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ থাকে। জামাতের মধ্যে হানাফি মাজহাবের অনুসারী যেমন থাকেন, তেমনি শাফেয়ি মাজহাবের অনুসারীও থাকেন। কেউ হাম্বলি মাজহাবের, আবার কেউ মালেকি মাজহাবের অনুসারী থাকেন। অনেকে এমনও থাকেন যারা কোনো মাজহাবের অনুসারী নন। সবাই মিলেমিশে দাওয়াতের কাজ করেন। তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ থাকে না। সবাই একে অপরকে আপন ভাইয়ের মতো মনে করে। বর্তমান পৃথিবীতে এটি এক আশ্চর্য বিষয়।

লেখক : খতিব, বাইতুর রহমত জামে মসজিদ, গাজীপুরা, টঙ্গী। ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ