1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের আমির পদে পরিবর্তন, দায়িত্বে হাফিজ উল্লাহ গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশে আসার পথে অসুস্থ হয়ে ২ জনের মৃত্যু ব্যাটারদের রাজত্বের দিন সুবিধাজনক অবস্থানে সিলেট-ময়মনসিংহ রাজশাহীতে বিএনপির জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন শপথ নিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমির ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল খেলাফত মজলিস কবে বাংলাদেশে আসছেন হামজা ও ফারহান ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে ভাগ্য পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ দিন: বাণিজ্যমন্ত্রী এসিআইকে ডিজিটাল ও বিকল্প অর্থায়ন সুবিধা দেবে ব্র্যাক ব্যাংক খুলনায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আবারও হামলা-ভাঙচুর

৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে ভাগ্য পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ দিন: বাণিজ্যমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২১ Time View

৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে ভাগ্য পরিবর্তনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন বলে মন্তব্য করেছেন শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, ‘১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থানের পর দেশ আবারও এক গভীর অন্ধকার সময়ে ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। মূলত স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষার তীব্র আকাঙ্ক্ষা থেকেই সেদিন সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল।’জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এক আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন এতে সভাপতিত্ব করেন।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালে দেশের অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরমভাবে বিপর্যস্ত ছিল। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর হতাশা তৈরি হয়েছিল। এমন এক সংকটময় পরিস্থিতিতে ক্যান্টনমেন্টের সিপাহি ও দেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এক বিন্দুতে মিলে ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনা জন্ম দেয়।’৭ নভেম্বরের পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘ঐতিহাসিক এই দিনের পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে দেশের মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ় জাতীয়তাবোধ সৃষ্টি করেছিলেন। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান তৈরি করে। সে সময় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচনে শক্তিশালী দেশ জাপানকে পরাজিত করে বাংলাদেশের বিজয় অর্জিত হয়েছিল, যা ছিল এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এ ছাড়া মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগেও তিনি অত্যন্ত সফল ও নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন।’খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সততা, কর্মনিষ্ঠা ও স্বজনপ্রীতিমুক্ত জীবনযাপন আজও এ দেশের মানুষের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত ও অনুসরণীয়। তাঁর প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের কাছ থেকেও দেশবাসী সবসময় একই ধরনের সততা, স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা প্রত্যাশা করে।’দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারকে যেকোনো মূল্যে দুর্বল অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করতে হবে, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে এবং সকল উন্নয়ন কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি পর্যায়ে জনসেবার মান বাড়িয়ে সরকারকে প্রকৃত অর্থে একটি জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে।’আলোচনা সভা শেষে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁদের স্বপ্নের একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, জাতীয় সংসদ সদস্য এম এ মালিক, এমরান আহমদ ও তাহসিনা রুশদীর লুনা।এ ছাড়া আরও বক্তব্য দেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান, পুলিশের সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সারওয়ার মুর্শেদ শামীম, সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. জাবের সাদেক এবং সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেইন ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ