1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সন্তানের স্বপ্ন পূরণে বাংলাদেশে এসে লাশ নিয়ে ফিরছেন মা নতুন প্রজন্মের মেধা-দেশপ্রেম সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী ভারত থেকে সার্ভার পরিচালনা: এনপিএসবি থেকে বাদ ডিজিইপে এক ম্যাচে ৫১ লাল কার্ড, ফুটবলে অবিশ্বাস্য কাণ্ড! বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ডলার বিক্রি নয় মাসে সিটি ব্যাংকের ইপিএস বেড়ে ৪ দশমিক ৯৬ টাকা বাবার পরিচালনায় মেয়ের প্রথম সিনেমা, আসছে ‘যাপিত জীবন’ বাজার ‘স্বাভাবিক’ রাখতে রিজার্ভ থেকে আরও ১০ কোটি ডলার বিক্রি বাংলাদেশকে অভিবাসন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: স্পিকার ৭৭ জেলা ও মহানগরে জামায়াতের নতুন আমির ঘোষণা, ২০ জেলায় পরিবর্তন

খেলাপি সিটি গ্রুপ পাচ্ছে ৩ হাজার কোটি টাকার নতুন ঋণ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২৯ Time View

গ্রুপের পাঁচ কোম্পানিকে চলতি মূলধন নামে এ ঋণ দেওয়া হবে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

খেলাপি হওয়া সিটি গ্রুপকে নতুন করে ৩ হাজার কোটি টাকার ঋণ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এজন্য ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৭কক (৩) ধারা থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে আগামী বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়েছে।

সিটি ব্যাংকের নেতৃত্বে সিন্ডিকেটেড ঋণের আওতায় সিটি গ্রুপের পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে এ ঋণ সুবিধা দেওয়ার কথা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপটির এ পাঁচ প্রতিষ্ঠান হচ্ছে- সিটি সিড ক্রাশিং ইন্ডাস্ট্রিজ, সিটি সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, সিটি এডিবল অয়েল লিঃ, সিটি ডাল মিলস্ ও শম্পা ফ্লাওয়ার মিলস্।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তের ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসা চালিয়ে যেতে চলতি মূলধন পাওয়ার পথ সুগম হলো।

দুই ডজন ব্যাংকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নিয়ে সিটি গ্রুপ এখন খেলাপির কাতারে নাম লিখিয়েছে বলে খবরে এসেছে। গ্রুপটির খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা। বিপুল এ ঋণ পরিশোধ করতে না পারায় ভোগ্যপণ্য থেকে বিভিন্ন খাতে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া কোম্পানিটি চাপের মধ্যে পড়েছে।

শিল্পগ্রুপটির বিপুল এ ঋণ খেলাপি হয়ে গেলেও গত সেপ্টেম্বরে তা খেলাপি না করার নির্দেশনা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে গ্রুপটিকে উদ্ধারে এগিয়ে এসে নতুন ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু সব ব্যাংক তাতে রাজী না হলে গত সপ্তাহে ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের নিয়ে সভা হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, সভায় খেলাপি করা নিয়ে দুই ধরনের মতামত দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা। তাতে আগের অবস্থান থেকে সরে এসে ধীরে ধীরে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পথ বেছে নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সিটি গ্রুপের সব ঋণকে কয়েকটি ব্যাংকের নেতৃত্বে সিন্ডিকেট ঋণে রূপান্তর করে বিষয়টি সামাল দিতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রথম ধাপে সিটি ব্যাংকের নেতৃত্বে সিন্ডিকেট ঋণের আওতায় পাচঁ প্রতিষ্ঠানকে ৩ হাজার কোটি টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানালো বাংলাদেশ ব্যাংক। এসবই ভোগ্যপণ্য ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত।

আগামী রোজার সময়ে বাজারে পণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সচল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন কর্মকর্তারা।

ব্যাংক কোম্পানী আইন ১৯৯১ এর ২৭কক (৩) ধারায় বলা আছে, ‘‘কোনো খেলাপি ঋণ গ্রহীতার অনুকূলে কোনো ব্যাংক-কোম্পানি বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কোনোরূপ ঋণ সুবিধা প্রদান করিবে না।”

অর্থাৎ কোনো খেলাপি হওয়া প্রতিষ্ঠানকে নতুন করে কোনো ব্যাংক ঋণ নিতে পারবে না। আইনের সেই শর্তে ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, প্রস্তাবিত ঋণ-সুবিধার বিপরীতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো দায় সৃষ্টি হবে না। ভবিষ্যতে সিটি ব্যাংক পিএলসি বা সিন্ডিকেটভুক্ত অন্য কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে কোনোরূপ আর্থিক সহায়তা দাবি করতে পারবে না।

নতুন ঋণ সুবিধা দিতে নতুন করে জামানত নিতে হবে ব্যাংকগুলোকে। এর পাশাপাশি আরো শর্ত দিয়ে বলা হয়, নতুন করে দেওয়া সিন্ডিকেটেড ঋণের টাকায় কেনা পণ্য বিক্রয় করে পাওয়া অর্থ নির্দিষ্ট ব্যাংকে জমা রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেখান থেকে আনুপাতিক হারে ঋণ দেওয়া ব্যাংকগুলো কিস্তি গ্রহণ করবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, ‘‘এ ঋণের আওতায় আমদানি করা কাঁচামাল ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণদাতা ব্যাংকগুলোর সিকিউরিটি এজেন্টের প্রতিনিধি হিসেবে কিনবে এবং জিম্মাদার হিসেবে তা প্রক্রিয়াজাত করবে।’’

এর মানে হচ্ছে, সিন্ডিকেটেড ঋণের মাধ্যমে পণ্য আমদানি ও তা বাজারে বিক্রি করতে জড়িত হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণ দেওয়া ব্যাংকের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবে। সেক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো প্রতিষ্ঠান এ প্রক্রিয়া যুক্ত হতে পারবে।

পুরো অর্থ ও পণ্য ব্যবস্থাপনা নজরদারি করবে ব্যাংক। এ ঋণের অর্থ অন্য কোথাও ব্যবহার বা স্থানান্তর করতে পারবে না কোনো প্রতিষ্ঠান বলে বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা হয়।

পশুপাখির প্রতি নিষ্ঠুরতা: নিজের পায়ে কুড়াল মারার দীর্ঘ ইতিহাস

তীব্র তাপপ্রবাহ: অনাগত প্রজন্মের জন্য নীরব বিপদ

হাইড্রোজেনের ভবিষ্যৎ: সম্ভাবনা বিপুল, কিন্তু অর্থনীতির পরীক্ষায় এখনো প্রস্তুত নয়

ব্রাজিলে লুলা দ্য সিলভার বিজয়ের বৈশ্বিক গুরুত্ব

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ