1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
চুয়েটে ব্যাংক ঘেরাও, আধা ঘণ্টায় ১০৮৭ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন ছাড় সেরা ৫০০ শহরে নেই বাংলাদেশ অগ্রণী ব্যাংকের কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ, ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারী গ্রেপ্তার আইএমএফের চাপানো নয়, নিজেদের সংস্কার বাস্তবায়ন চায় সরকার: উপদেষ্টা তিতুমীর খুনের নগরী ‘খুলনা’ : নিরাপত্তা চেয়েও রক্ষা নেই ১০২-এ থামলেন কিংবদন্তী, অস্কারজয়ী ইভার প্রয়াণ ফ্যান্টাসি কিংডম কমপ্লেক্স পেল “বছরের সেরা অ্যামিউজমেন্ট পার্ক” বিভাগে বাংলাদেশ ট্যুরিজম অ্যাওয়ার্ড ‘আন্তর্জাতিক জাস্টিস সামিটে’ যোগ দিতে তুরস্কে আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন ঢাকা-৫ আসনের জামায়াত এমপি কামাল হোসেন রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন

চুয়েটে ব্যাংক ঘেরাও, আধা ঘণ্টায় ১০৮৭ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন ছাড়

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৬ Time View

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নতুন নিয়োগ পাওয়া উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের নির্দেশে স্থগিত করা হয়েছিল ১ হাজার ৮৭ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা। তবে বেতন-ভাতা ছাড়ের দাবিতে বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। আন্দোলন শুরুর প্রায় আধা ঘণ্টার মধ্যেই বেতন-ভাতা ছাড় করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

এর আগে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপককে চিঠি দিয়ে সেপ্টেম্বর মাসের বেতন-ভাতা স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম।

চুয়েট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, ‘কোনো সময় আমাদের বেতন বন্ধ হয়নি। অথচ নতুন উপাচার্য বেতন বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের ন্যায্য পাওনা আদায় করে নিয়েছি।’

চুয়েটের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৬৭ জন শিক্ষক, ২০৮ জন কর্মকর্তা ও ৫১২ জন কর্মচারী রয়েছেন। টানা ১৫ দিন ধরে চলা উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনে সংহতি জানানোর কারণে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই বেতন-ভাতা বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ আন্দোলনকারীদের। এতে দুর্গাপূজার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আর্থিক সংকটে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল বলেও জানান তারা।

এদিকে উপাচার্যের পূর্বানুমোদন ছাড়া ব্যাংকে বেতনের বিল পাঠানোকে ‘অননুমোদিত ও বেআইনি’ উল্লেখ করে মঙ্গলবার দেওয়া চিঠিতে অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম বলেন, ‘চুয়েট আইন ২০০৩-এর ধারা ১৩(৭) অনুযায়ী উপাচার্যের সুস্পষ্ট অনুমোদন ছাড়া যেকোনো আর্থিক লেনদেন আইনত অবৈধ।’ ব্যাংক বেতন-ভাতার অর্থ ছাড় করলে তাদেরও বেআইনি আর্থিক লেনদেনে সহায়তার জন্য যৌথভাবে দায়ী করা হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে অবাধ্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান উপাচার্য।

তবে উপাচার্যের এ বক্তব্যের বিষয়ে চুয়েট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম বলেন, প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বেতন-বোনাস পরিশোধে উপাচার্যের স্বাক্ষরের প্রয়োজন হয় না। হিসাব নিয়ন্ত্রক ও উপহিসাব নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষরেই ব্যাংক থেকে বেতন-বোনাস ছাড় করা হয়। সে অনুযায়ী সেপ্টেম্বর মাসের বেতন-ভাতার বিলেও তারা স্বাক্ষর করে ব্যাংকে জমা দিয়েছেন। কিন্তু উপাচার্যের চিঠির কারণে তা স্থগিত রাখা হয়।

তিনি বলেন, ‘বুধবার ব্যাংকের সামনে অবস্থানের পর বেতন-ভাতা ছাড় করা হয়েছে। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও কখনো বেতন-বোনাস বন্ধ হয়নি। এবারের ঘটনা খুবই ন্যাক্কারজনক।’

সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ভৌমিক বলেন, ‘প্রতি মাসের মতো গত মাসেও হিসাব নিয়ন্ত্রক ও উপহিসাব নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষর করা শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতার শিট আমরা গ্রহণ করেছি। কিন্তু উপাচার্য চিঠি দিয়ে বেতন-ভাতা স্থগিত রাখতে বলেছেন। তবে বুধবার সকালে আমরা বেতন দিয়ে দিয়েছি।’

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সাধারণত প্রতি মাসের ৩০ বা ৩১ তারিখের মধ্যে চুয়েটে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করা হয়। তবে সেপ্টেম্বর মাসের বেতন নির্ধারিত সময়ে না পাওয়ায় বিপাকে পড়েন তারা।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের বক্তব্য জানতে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

প্রসঙ্গত, গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই নতুন উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একাংশ। বুধবার পর্যন্ত টানা ১৬ দিন ধরে চলা এ আন্দোলনের কারণে চুয়েটে ক্লাস-পরীক্ষাসহ সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ