1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন

আবুল বারকাতের দুই ফ্ল্যাট ক্রোক, গাড়ি-ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪ Time View

জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুল বারকাতের দুটি ফ্ল্যাটসহ ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকার স্থাবর সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ২৯ লাখ টাকা মূল্যের গাড়ি জব্দ ও তাঁর ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শাহজাহান কবির এসব নির্দেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন।

ক্রোক হওয়া সম্পদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা আড়াই লাখ টাকা ও মোহাম্মদপুর ও ধানমন্ডিতে থাকা পৃথক দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এ ছাড়া তার ২৯ লাখ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি জব্দ ও তার ব্যাংক হিসেবে থাকা সমুদয় অর্থ অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ এ আবেদনটি করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, ড. আবুল বারকাতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কোম্পানিকে অবৈধভাবে ঋণ প্রদানপূর্বক জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানকালে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ড. আবুল বারকাতের নিজ নামে ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং তিন কোটি ৫০ লাখ ৩১ হাজার টাকা ও ১০ হাজার ২৫০ মার্কিন ডলারের অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। বিভিন্ন সূত্র হতে প্রাপ্ত তথ্য মতে জানা যায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্থাবর, অস্থাবর সম্পদগুলো বিক্রি, স্থানান্তর করার চেষ্টা করছেন।

অভিযোগ নিষ্পত্তির পূর্বে অর্জিত অবৈধ সম্পত্তিসমূহ হস্তান্তর, স্থানান্তর, রূপান্তর/বিক্রি হয়ে গেলে রাষ্ট্রের সমূহ ক্ষতির কারণ রয়েছে। এ জন্য অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নামে সম্পত্তিগুলো মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ১৪ ধারা ও দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৮ এর বিধান অনুযায়ী অবিলম্বে ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, অর্থনীতিবিদ আবুল বারকাত গত বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে কারাবন্দী রয়েছেন। জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান থাকাকালীন এননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলায় আবুল বারকাতসহ ২৩ জনকে আসামি করা হয়।

এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ১০ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর হাইকোর্ট তাঁকে জামিন দেন। রাষ্ট্রপক্ষ এই জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করলে গত ২১ মে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ শর্তসাপেক্ষে তাঁর জামিন বহাল রাখেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ