1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য-শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির শেখ হাসিনার মেয়ে পুতুলের ছেড়ে দেওয়া পদে যাকে সমর্থন করবে বাংলাদেশ সাভারে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, আটক ৮ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ৫ দেশে অর্থপাচারের অভিযোগ, অনুসন্ধান করবে দুদক গফরগাঁওয়ে বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-ময়মনসিংহ পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ সবার জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে গুরুত্বারোপ ডা. জুবাইদা রহমানের ব্যবসায়ীকে আ. লীগের ‘অর্থদাতা’ আখ্যা দিয়ে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ৪১ বছরে ফের মা হচ্ছেন ‘রইস’ নায়িকা মুচলেকার কথা ‘অপপ্রচার’, দ্রুত ইজতেমার তারিখ ঘোষণাসহ ৭ দাবি সাদপন্থীদের মুচলেকার কথা ‘অপপ্রচার’, দ্রুত ইজতেমার তারিখ ঘোষণাসহ ৭ দাবি সাদপন্থীদের

সবার জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে গুরুত্বারোপ ডা. জুবাইদা রহমানের

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৩ Time View

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, এটি একটি মৌলিক মানবাধিকার।

আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নভোথিয়েটারের প্লেনারি হলে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এর ‘হেলথ ইনোভেশন ফর অল : এক্সপান্ডিং অ্যাকসেস টু অ্যাফোর্ডেবল অ্যান্ড ইনক্লুসিভ কেয়ার’ শীর্ষক প্লেনারি আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ডা. জুবাইদা রহমান। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এ মেলার আয়োজন করে।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, অনেক মানুষ তাদের শারীরিক অবস্থা জটিল হয়ে যাওয়ার পর বিশেষায়িত হাসপাতালে যান। বাড়ির কাছাকাছি প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা না থাকায় রোগীদের এই সেবা নিতে দূর-দূরান্তে যেতে হয়।

জুবাইদা রহমান আরও বলেন, আধুনিক উচ্চতর চিকিৎসাসেবা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। তবে এটি কেবল বাংলাদেশের একার সমস্যা নয়। অনেক উন্নত দেশও এই ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। আমরা প্রায়ই বলি, প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। এটি সত্য, তবে রোগ এবং এর ঝুঁকিগুলো মারাত্মক রূপ নেওয়ার আগেই তা নির্ণয় করা জরুরি।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, দেশের প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতেও স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে হবে, যাতে দেশের সবাই স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারে এবং প্রতিটি নাগরিকের জন্য তা সহজলভ্য হয়।

জুবাইদা রহমান বলেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ দূরত্ব পাড়ি দিতে হবে না। হাম আক্রান্ত শিশুদের বাবা-মায়েদের বাড়ির কাছেই স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ থাকতে হবে। প্রতিটি স্ক্রিনিং কর্মসূচির সঙ্গে নিশ্চিত রোগ নির্ণয়, পরামর্শ, চিকিৎসা, ওষুধ, পর্যবেক্ষণ এবং রেফারেলের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

ডা. জুবাইদা বলেন, স্বাস্থ্যসেবার এই দৃষ্টিভঙ্গি একটি সুস্পষ্ট নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি যে, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা আয়, অবস্থান বা সামাজিক মর্যাদার ওপর নির্ভরশীল কোনো বিশেষ সুবিধা হওয়া উচিত নয়। বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলের প্রতিটি নাগরিকের জন্য এটি সহজলভ্য হওয়া উচিত।

জুবাইদা রহমান বলেন, এই দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে রয়েছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করা, বাড়ির কাছাকাছি স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া, প্রতিরোধমূলক কর্মসূচি সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্যকর্মী বাড়ানো এবং ধীরে ধীরে স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বিনিয়োগ (জিডিপি) ৫ শতাংশে উন্নীত করা।

ডা. জুবাইদা রহমান আরও বলেন, বিশেষ করে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা এই রূপান্তরের মানবিক ভিত্তি তৈরির একটি সুযোগ সৃষ্টি করেছে, যেখানে নারীরা ভূমিকা রাখতে পারেন। এসব স্বাস্থ্যকর্মী কমিউনিটির মধ্যে স্ক্রিনিং, মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্যশিক্ষা, দীর্ঘমেয়াদি রোগ ব্যবস্থাপনা এবং রেফারেলের ক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারেন।

জুবাইদা রহমান বলেন, কমিউনিটি ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা থেকে রোগীদের জেলা ও বিশেষায়িত হাসপাতালে নির্বিঘ্নে স্থানান্তরের জন্য রেফারেল ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, স্বেচ্ছায় রক্তদান, নিরাপদ রক্ত সংগ্রহ, সংক্রামক রোগের স্ক্রিনিং, রক্তের উপাদান পৃথকীকরণ, সংরক্ষণ, পরিবহণ এবং রক্তদাতা থেকে রোগী পর্যন্ত সম্পূর্ণ অনুসরণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের একটি জাতীয়ভাবে সমন্বিত ব্যবস্থা প্রয়োজন।

জুবাইদা রহমান আরও বলেন, এসব উদ্যোগে উদ্ভাবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে উদ্ভাবন মানেই সবসময় ব্যয়বহুল কোনো যন্ত্র আবিষ্কার করা বা নতুন কোনো অ্যাপ চালু করা নয়।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক এ কে আজাদ খান।

প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (ডিজিডিএ) মহাপরিচালক (ডিজি) আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের (বাপি) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এম মোসাদ্দেক হোসেন, টিএমএসএসের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ডা. মতিউর রহমান, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (ডিজিডিএ) পরিচালক ডা. মো. আকতার হোসেন, ইউনাইটেড হেলথকেয়ার সার্ভিসেস লিমিটেডের মেডিকেল সার্ভিসেস পরিচালক ডা. আজহারুল ইসলাম খান এবং এসকেজেন লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. সাদাফ সাজ সিদ্দিকী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ