1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ বিএনপি ক্ষমতায় এলে দুর্নীতিতে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হবে না, তা হতে পারে না ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিকেলে তর্ক, রাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে ৫ ঘণ্টা মারামারি বিশ্বে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে উষ্ণ মাস আগস্ট: ইইউ হংকংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বহুমুখী রপ্তানিতে জোর বাংলাদেশের এসবিএসি ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান মাকছুদুর রহমান খুলনায় ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, দুর্বৃত্তরা আসে ২ মোটরসাইকেলে করে মানসিক চাপ ও হতাশায় শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার হার বেড়েছে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, কমছে না গরম মধ্যবর্তী নির্বাচন: রিপাবলিকানরা জিতলে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ককে ৫ হাজার ডলার দেবেন ট্রাম্প

নারী এশিয়া কাপ / প্রতিশোধ নাকি পুনরাবৃত্তি, রাতে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮ Time View

একদিকে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্তিশালী দল ভারত, অন্যদিকে ব্যাটিং নিয়ে চাপে থাকা বাংলাদেশ। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল।

বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হবে ম্যাচ। গতবারও ভারতের বিপক্ষে হেরেই সেমি থেকে বাদ পড়েছিল বাংলাদেশ। এবার তাই প্রতিশোধের সুযোগ থাকছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দলের সামনে।

গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচের দুটিতে জিতেও ব্যাটিং নিয়ে স্বস্তিতে নেই বাংলাদেশ। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ১২৯ রান করে ৮ উইকেটের ব্যবধানে জয় পেলেও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ১০০ রান তুলতেও ভুগতে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দলকে।

এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিততে জিততে ম্যাচ হেরে গ্রুপ রানার্সআপ হয় বাংলাদেশ।

সেমিফাইনালে তাই কঠিন পরীক্ষাই অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের জন্য। প্রতিপক্ষ ভারত, যারা এবারের আসরে দারুণ ছন্দে আছে। দুই দলের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসও ভারতের পক্ষেই কথা বলছে। এখন পর্যন্ত ২৪ ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছে মাত্র তিনটিতে। সর্বশেষ এশিয়া কাপেও সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ১০ উইকেটে হেরে বিদায় নিয়েছিল বাংলাদেশ।

তবে অতীতের পরিসংখ্যান কিংবা ভারতের শক্তির কথা মাথায় রেখে বাড়তি চাপ নিতে রাজি নন বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচের পর অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি বলেছিলেন, ‘ভারত খুবই শক্তিশালী দল। আমরা তাদের বিপক্ষে নিজেদের সেরা খেলাটা খেলার চেষ্টা করব। ফল তো একটা আসবেই। কিন্তু নিজেদের পুরোটা উজাড় করে দিতে হবে।’

শারমিন আক্তারও দেখছেন ইতিবাচক দৃষ্টিতে। ভারতের মতো দলের বিপক্ষে খেলাকে চাপ নয়, বরং নিজেদের প্রমাণের সুযোগ হিসেবেই দেখছেন তিনি। তার ভাষায়, ‘আপনি নেতিবাচক ভাবতে থাকলে এটা চাপ হতে পারে। কিন্তু ভারতের মতো অত্যন্ত শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলতে পারাটা আমাদের জন্য আনন্দের। আপনি যদি চ্যাম্পিয়ন হতে চান, তবে এমন শক্তিশালী দলের বিপক্ষে আপনাকে খেলতেই হবে। তাদের বিপক্ষে খেলাটাকে আমরা চাপ নয়, বরং উপভোগ করি।’

বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির জায়গা হতে পারে বোলিং। এবারের এশিয়া কাপে স্পিনাররা নিয়মিতই প্রতিপক্ষের ব্যাটিংয়ে ধস নামিয়েছেন। ইন্দোনেশিয়াকে মাত্র ৫৮ রানে অলআউট করা, শ্রীলঙ্কাকে ১১৫ রান তাড়ায় ৬ উইকেট হারাতে বাধ্য করা কিংবা আরব আমিরাতকে ৬৯ রানে আটকে রাখা. প্রতিটি ম্যাচেই বোলারদের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।

পেস আক্রমণেও বাংলাদেশের বড় ভরসা মারুফা আক্তার। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই নতুন বল হাতে প্রথম স্পেলেই উইকেট পেয়েছেন তিনি। এবারের টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটও তার।

ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষে তাই বোলারদের পারফরম্যান্সই বাংলাদেশের ভাগ্য গড়ে দিতে পারে।

অতীতও কিছুটা আশার কথা বলছে। ভারতকে টি-টোয়েন্টিতে যে তিনবার হারিয়েছে বাংলাদেশ, তার দুটিতেই ভারতকে ১০২ ও ১০৯ রানের মধ্যে আটকে রেখেছিল বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ।

তবে বোলাররা কাজ করলেও ব্যাটারদের বড় দায়িত্ব নিতে হবে। আমিরাতের বিপক্ষে মাত্র ৫৫ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর শারমিন আক্তারের দৃঢ়তায় কোনোমতে শতরানের গণ্ডি পেরোয় বাংলাদেশ। সেই ইনিংস নিয়ে শারমিন বলেন, ‘মাঝে মাঝে এমনটা ঘটতেই পারে। আমার মনে হয়েছিল, এমন পরিস্থিতিতে এক প্রান্তে টিকে থেকে টেল-এন্ডারদের সঙ্গে জুটি গড়া প্রয়োজন। শুরুতেই ৫-৬ উইকেট হারালে এগোনো কঠিন। তবে নাহিদা দারুণ ব্যাটিং করেছে, সে আমাকে আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিল।’

নারী টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছিল ২০১৮ সালে। ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা। এরপর আর ফাইনালে উঠতে পারেনি। ২০২২ সালে ঘরের মাঠে থাইল্যান্ডের কাছে হেরে গ্রুপ পর্বেই বিদায়, আর ২০২৪ সালে ভারতের কাছে সেমিফাইনালে হার।

এবারও শেষ চারের বাধা ভারত। পার্থক্য গড়তে হলে ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা কাটিয়ে বোলারদের নেতৃত্বে বিশেষ কিছু করতে হবে বাংলাদেশকে। চাপের সমীকরণ পেছনে ফেলে সেই কাজটা আজ কতটা করতে পারে টাইগ্রেসরা, সেটিই দেখার।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ