মৌসুম বদলালেও বদলান না আর্লিং হালান্ড। প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন গোল করবেনই তিনি।
ব্যতিক্রম হয়নি চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটির প্রথম ম্যাচেও।
প্রতিপক্ষ পোর্তোকে হারানোর নায়ক হালান্ডই। গতকাল তার জোড়া গোলেই ২-০ ব্যবধানের জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ শুরু করেছে সিটি।
এস্তাদিও দো দ্রাগাও পোর্তোর ঘরের মাঠ হলেও শুরু থেকে রাজত্ব করেছে ম্যানসিটি।
যদিও গোল পেতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে অতিথিদের। পুরো কৃতিত্ব পোর্তোর গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তার। পুরো ম্যাচে ৮টি সেভ দিয়েছেন তিনি। যার মধ্যে প্রথমার্ধে ৫টি।
কস্তার বীরত্বে সিটির সঙ্গে গোলশূন্যে ড্রয়ে মাঠ ছাড়ে পোর্তো। তবে বিরতির পর খুব বেশিক্ষণ নিজেদের জাল অক্ষত রাখতে পারেনি পর্তুগিজের ক্লাব। ৪৭ মিনিটেই জালের দেখা পায় সিটি। এই মৌসুমে সিটিতে যোগ দেওয়া এনজো ফার্নান্দেজের ক্রস থেকে হেডে গোলটি করেন হালান্ড।
গোল হজম করে ফেরার চেষ্টা করা পোর্তো দুই একবার আক্রমণ করলেও আনন্দ করার মতো উপলক্ষ পায়নি তারা।
কেননা ম্যাচে ৫টি শট নিলেও গোলমুখে ছিল না কোনোটিই। উল্টো পুরো ম্যাচে ২০ শটের ১০টিই গোলমুখে নেওয়া সিটি যোগ করা সময়ে আরেকটি গোলের দেখা পায়।
যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে বক্সের ফাঁকা জায়গায় সতীর্থ রায়ান আইত নুরির কাছ থেকে পাস পান হালান্ড। বল রিসিভ না করেই ঠাণ্ডা মাথায় ডান পায়ে জালের পথ দেখিয়ে দেন নওরেজিয়ান স্ট্রাইকার। তাতে দ্রুততম ৬০ গোলের হাতছানি দিচ্ছে তাকে।
রেকর্ডটি গড়তে হালান্ডের আর একটি গোলের প্রয়োজন। এর আগে চ্যাম্পিয়নস লিগের দ্রুততম ২০, ৩০, ৪০ ও ৫০ গোলের রেকর্ড আগেই গড়েছেন তিনি। সবমিলিয়ে সিটির হয়ে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৭টি। যা তৃতীয় সর্বোচ্চ।
হালান্ডের জোড়া গোলে ম্যানসিটির হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের অভিষেকটা জয় দিয়ে শুরু করেছেন কোচ এনজো মারেস্কা। কিংবদন্তি কোচ পেপ গার্দিওলা সর্বশেষ মৌসুমে সিটির ডাগআউট থেকে বিদায় নিলে তার স্থলাভিষিক্ত হন মারেস্কা।