1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ধর্ষণের দায়ে নরওয়ের ক্রাউন প্রিন্সেসের ছেলের ৪ বছরের কারাদণ্ড মারা গেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি জ্যাজ সংগীতশিল্পী আবদুল্লাহ ইব্রাহিম আমি জ্বালাময়ী কিছু সত্যি কথা বলব : প্রভা এবার সালাহর মিসরে আটকা ডি ব্রুইনার বেলজিয়াম রাজনৈতিক চাপের মুখে বিশ্বকাপে নেমে ড্র করল ইরান রাজধানীর ৪টি বাস টার্মিনাল দ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সৌদির কথা স্মরণ করে আলজেরিয়া নিয়ে সতর্ক স্কালোনি, মরক্কোর সঙ্গে তুলনা বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রে সেনাঘাঁটিতে আছড়ে পড়ল বি-৫২ বোমারু বিমান, ৮ জন নিহত রাজধানীর চারটি বাস টার্মিনাল দ্রুত স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মারা গেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি জ্যাজ সংগীতশিল্পী আবদুল্লাহ ইব্রাহিম

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
  • ১৪ Time View

দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাজ সংগীতের অন্যতম রূপকার ও কিংবদন্তি পিয়ানোবাদক আবদুল্লাহ ইব্রাহিম ৯১ বছর বয়সে মারা গেছেন। তার পরিবার জানিয়েছে, জার্মানিতে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা বলেছেন, আবদুল্লাহ ইব্রাহিম তার সংগীত প্রতিভা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার দিয়ে দেশকে সম্মানিত করেছেন।

১৯৩৪ সালে কেপটাউনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার প্রকৃত নাম ছিল অ্যাডলফ জোহানেস ব্র্যান্ড। মাত্র সাত বছর বয়স থেকে পিয়ানো বাজানো শুরু করা এই শিল্পীর কর্মজীবন ছিল প্রায় আট দশকের দীর্ঘ।
কিশোর বয়সে তিনি বিভিন্ন ব্যান্ডের সাথে যুক্ত হন। পরবর্তীতে তিনি ‘দ্য জ্যাজ এপিসলস’ নামে একটি দল গঠন করেন, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকার আরেক জ্যাজ কিংবদন্তি হিউ মাসাকেলাও ছিলেন। মঞ্চে শুরুতে তিনি ‘ডলার ব্র্যান্ড’ নামে পরিচিত হলেও ১৯৬০-এর দশকের শেষের দিকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিজের নাম পরিবর্তন করে আবদুল্লাহ ইব্রাহিম রাখেন।

১৯৪৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় যখন কঠোর বর্ণবৈষম্যবাদ (আইনসম্মত বর্ণবাদ ব্যবস্থা) শুরু হয়, তখন জ্যাজ সংগীতকে অপরাধ বা ভিন্ন সংস্কৃতির অংশ হিসেবে দেখা হতো।
রাজনৈতিক চাপের মুখে তাদের ব্যান্ডটি ভেঙে যায় এবং ইব্রাহিম সুইজারল্যান্ডে চলে যান। সেখানে আমেরিকান জ্যাজ কিংবদন্তি ডিউক এলিংটনের নজরে পড়েন তিনি। এলিংটন তাকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান। পরবর্তীতে জ্যাজ ছন্দের সাথে দক্ষিণ আফ্রিকার ঐতিহ্যবাহী সুরের মিশ্রণ ঘটিয়ে ইব্রাহিম এক অনন্য নিজস্ব ধারা তৈরি করেন। ১৯৭৪ সালে মুক্তি পাওয়া তার বিখ্যাত ট্র্যাক ‘ম্যানেনবার্গ’ দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক হয়ে ওঠে।

দক্ষিণ আফ্রিকার বাইরে বসবাস করলেও আবদুল্লাহ ইব্রাহিম কখনোই তার শিকড় ভোলেননি। সুযোগ পেলেই তিনি দেশে ফিরে গান গাইতেন। মাত্র তিন মাস আগেও তিনি কেপটাউন আন্তর্জাতিক জ্যাজ উৎসবে তার জীবনের শেষ সরাসরি পারফরম্যান্স করেন। তার সঙ্গী ডঃ মেরিনা উমারি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে বলেন, ‘আবদুল্লাহ দক্ষিণ আফ্রিকা ও তার দেশের মানুষকে হৃদয়ে ধারণ করেই শান্তিতে বিদায় নিয়েছেন। বিশ্বের যেখানেই তিনি থাকুন না কেন, দেশের প্রতি তার ভালোবাসা ছিল অতুলনীয়।’

সূত্র : বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ