1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
এবার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ২ দিনের রিমান্ডে দিলীপ আগরওয়ালা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত ইতিবাচক: স্পিকার ২ শতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ আসেনি কর্মসৃজন প্রকল্পের তহবিল, ‘কামলার হাটে’ মিলছে না কাজও সার্কাস ও যাত্রায় অশ্লীলতার অভিযোগে সোনামুখী মেলা বন্ধ ক্ষমা চাইলেন ‘বাংলাদেশ থাকবে না’ বলা সেই ভারতীয় সাংবাদিক ঢাকায় শুরু হলো আন্তর্জাতিক কৃষি প্রযুক্তি মেলা মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নে চীনের সঙ্গে সমঝোতা সই ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ে চাঙা শেয়ারবাজার ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন বাড়িয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা করার সিদ্ধান্ত

বেসরকারি শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্টে বছরে ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতি : শিক্ষামন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
  • ৮২ Time View

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্টের বার্ষিক মোট আয় প্রায় ৬৮৪ কোটি টাকা। অন্যদিকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা প্রদান বাবদ বার্ষিক প্রয়োজন প্রায় ৮৪০ কোটি টাকা।
ফলে প্রতিবছর প্রায় ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতি সৃষ্টি হচ্ছে। বর্তমানে ২০২৩ সালের আগস্ট ৮ জুন থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রায় ৪৪ হাজার কল্যাণ সুবিধা প্রাপ্তির আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টে প্রতিবছর প্রায় ১৫৬ কোটি টাকার আর্থিক ঘাটতি তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, ঘাটতির কারণে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা ও অন্যান্য প্রাপ্য অর্থ পরিশোধে বিলম্ব হচ্ছে।

রবিবার (১৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় এবং প্রথম বাজেট অধিবেশনের ষষ্ঠ কার্যদিবসে তারকা চিহ্নিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. গোলাম রছুল জানতে চান বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীরা অবসর গ্রহণের পর তাহাদের অবসরকালীন ভাতা, কল্যাণ ট্রাস্ট্রের অর্থ ও অন্যান্য প্রাপ্য সুবিধা পেতে বিলম্বিত হওয়ার কারণ কী? বর্তমানে কতজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে; অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ভাতা দ্রুত প্রদান নিশ্চিত করিতে সরকার কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে?

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ১৯৯০’ এবং ‘প্রবিধানমালা, ১৯৯৯’ অনুযায়ী ট্রাস্টটি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসিক বেতনের ৪ শতাংশ চাঁদা ও বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত মুনাফার মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

তিনি জানান, বর্তমানে কল্যাণ ট্রাস্টের বার্ষিক মোট আয় প্রায় ৬৮৪ কোটি টাকা।
অন্যদিকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা প্রদানে বছরে প্রয়োজন হয় প্রায় ৮৪০ কোটি টাকা। ফলে প্রতি বছর প্রায় ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতি সৃষ্টি হচ্ছে। এ ছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতনের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির কারণে ট্রাস্টের দায়ও ক্রমাগত বাড়ছে।

মন্ত্রী আরো জানান, বর্তমানে ২০২৩ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রায় ৪৪ হাজার কল্যাণ সুবিধা পাওয়ার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

তিনি বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রাপ্য সুবিধা দ্রুত প্রদানের লক্ষ্যে সরকার ও কল্যাণ ট্রাস্ট বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইতোমধ্যে ৯ হাজার ২৮৪ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীকে ৫৫৩ কোটি ৬৩ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৪ টাকা কল্যাণ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত জমা পড়া সব আবেদন নিষ্পত্তি করে আইবাস প্লাস প্লাসের মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানো হয়েছে। ২০২৩ সালের জুন ও জুলাই পর্যন্ত জমাকৃত আবেদনগুলোর নিষ্পত্তি সম্পন্ন করে অর্থ পরিশোধের প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে অনিষ্পন্ন প্রায় ৪৪ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির জন্য এককালীন প্রায় ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকার অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন। এ অর্থের সংস্থান এবং আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ