1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ন

বেসরকারি শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্টে বছরে ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতি : শিক্ষামন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
  • ৮ Time View

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্টের বার্ষিক মোট আয় প্রায় ৬৮৪ কোটি টাকা। অন্যদিকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা প্রদান বাবদ বার্ষিক প্রয়োজন প্রায় ৮৪০ কোটি টাকা।
ফলে প্রতিবছর প্রায় ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতি সৃষ্টি হচ্ছে। বর্তমানে ২০২৩ সালের আগস্ট ৮ জুন থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রায় ৪৪ হাজার কল্যাণ সুবিধা প্রাপ্তির আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টে প্রতিবছর প্রায় ১৫৬ কোটি টাকার আর্থিক ঘাটতি তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, ঘাটতির কারণে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা ও অন্যান্য প্রাপ্য অর্থ পরিশোধে বিলম্ব হচ্ছে।

রবিবার (১৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় এবং প্রথম বাজেট অধিবেশনের ষষ্ঠ কার্যদিবসে তারকা চিহ্নিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. গোলাম রছুল জানতে চান বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারীরা অবসর গ্রহণের পর তাহাদের অবসরকালীন ভাতা, কল্যাণ ট্রাস্ট্রের অর্থ ও অন্যান্য প্রাপ্য সুবিধা পেতে বিলম্বিত হওয়ার কারণ কী? বর্তমানে কতজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে; অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ভাতা দ্রুত প্রদান নিশ্চিত করিতে সরকার কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে?

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ১৯৯০’ এবং ‘প্রবিধানমালা, ১৯৯৯’ অনুযায়ী ট্রাস্টটি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসিক বেতনের ৪ শতাংশ চাঁদা ও বিনিয়োগ থেকে প্রাপ্ত মুনাফার মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

তিনি জানান, বর্তমানে কল্যাণ ট্রাস্টের বার্ষিক মোট আয় প্রায় ৬৮৪ কোটি টাকা।
অন্যদিকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ সুবিধা প্রদানে বছরে প্রয়োজন হয় প্রায় ৮৪০ কোটি টাকা। ফলে প্রতি বছর প্রায় ১৫৬ কোটি টাকার ঘাটতি সৃষ্টি হচ্ছে। এ ছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতনের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির কারণে ট্রাস্টের দায়ও ক্রমাগত বাড়ছে।

মন্ত্রী আরো জানান, বর্তমানে ২০২৩ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রায় ৪৪ হাজার কল্যাণ সুবিধা পাওয়ার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

তিনি বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রাপ্য সুবিধা দ্রুত প্রদানের লক্ষ্যে সরকার ও কল্যাণ ট্রাস্ট বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইতোমধ্যে ৯ হাজার ২৮৪ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীকে ৫৫৩ কোটি ৬৩ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৪ টাকা কল্যাণ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত জমা পড়া সব আবেদন নিষ্পত্তি করে আইবাস প্লাস প্লাসের মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানো হয়েছে। ২০২৩ সালের জুন ও জুলাই পর্যন্ত জমাকৃত আবেদনগুলোর নিষ্পত্তি সম্পন্ন করে অর্থ পরিশোধের প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে অনিষ্পন্ন প্রায় ৪৪ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির জন্য এককালীন প্রায় ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকার অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন। এ অর্থের সংস্থান এবং আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ