1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
হত্যা মামলায় সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আফজাল নাছের ২ দিনের রিমান্ডে সাংবাদিকদের জীবনমান উন্নয়নে দশম ওয়েজ বোর্ড হওয়া দরকার : হুইপ রুহুল কুদ্দুস দুলু রাজধানীতে ব্লক রেইড: গ্রেফতার ৫৮ উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে নবীন শিক্ষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি অপরিহার্য: ইউজিসি চেয়ারম্যান ভোলায় গাঁজাসহ দুইজন আটক মহামারি চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশে চূড়ান্ত আলোচনা শুরু নেত্রকোণায় ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে ৪ জনকে পুনর্বাসন সামগ্রী ও অর্থ সহায়তা প্রদান ওপেনএআইকে ঘিরে অল্টম্যানের বিরুদ্ধে ইলন মাস্কের আইনি লড়াইয়ে বড় মোড় গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তকারীদের প্রশ্রয় না দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত খুলতে চায় ঢাকা-ওয়াশিংটন

মহামারি চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশে চূড়ান্ত আলোচনা শুরু

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬ Time View

তীব্র মত বিরোধের মাঝেই ভবিষ্যৎ মহামারি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপস্থিত অংশ চূড়ান্ত করতে, সোমবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় অতিরিক্ত এক সপ্তাহের আলোচনা শুরু হচ্ছে।

গত বছর গৃহীত মহামারি চুক্তি বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে, তা নিয়ে ধনী ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে তীব্র বিরোধ দেখা দিয়েছে।

জেনেভা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

চুক্তির প্যাথোজেন অ্যাক্সেস অ্যান্ড বেনিফিট-শেয়ারিং (পিএবিএস) ব্যবস্থাটি মহামারি সৃষ্টিকারী জীবাণুর প্রাপ্তি ভাগাভাগি ও তা থেকে প্রাপ্ত সুবিধা— যেমন টিকা, পরীক্ষা ও চিকিৎসা— বণ্টন নিয়ে কাজ করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সিলভি ব্রিয়ান্ড এএফপিকে বলেন, ‘উন্নয়নশীল দেশগুলো তাদের অনাস্থা প্রকাশ করছে, এই ভয়ে যে সংকটের ক্ষেত্রে টিকার ন্যায্য প্রাপ্তির কোনো নিশ্চয়তা ছাড়াই তাদের ভাইরাসগুলো ভাগ করে নিতে হবে।’

তিনি বলেন, অন্যদিকে কিছু দেশ প্রশ্ন তুলছে, ‘বিনিয়োগের প্রত্যাবর্তনের নিশ্চয়তা ছাড়া’ ওষুধ শিল্পের প্রতিষ্ঠানগুলো বৈশ্বিক মহামারি চুক্তিতে অংশ নিতে আগ্রহী বা সক্ষম হবে কি না।

তিনি আরও বলেন, আরেকটি চ্যালেঞ্জ হলো ‘জেনেটিক তথ্য ভাগাভাগিকে অন্তর্ভুক্ত করা, যা এখন ভৌত ভাইরাসের মতোই টিকা, চিকিৎসা ও পরীক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ।’

-‘খুব কঠিন’-
২০২৫ সালের মে মাসে, কোভিড-১৯ মহামারির ধাক্কা থেকে শিক্ষা নিয়ে তিন বছরের বেশি আলোচনার পর ডব্লিউএইচও সদস্য দেশগুলো একটি ঐতিহাসিক মহামারি চুক্তি গ্রহণ করে।

এই চুক্তির লক্ষ্য হচ্ছে— সমন্বয় জোরদার, নজরদারি বৃদ্ধি ও টিকার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করে ভবিষ্যৎ মহামারিতে বিশৃঙ্খল প্রতিক্রিয়া এড়ানো।

তবে চুক্তির মূল অংশ পিএবিএস তখন আলাদা রাখা হয়, যাতে মূল চুক্তিটি দ্রুত সম্পন্ন করা যায়।

দেশগুলোকে পিএবিএস নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে শুক্রবার পর্যন্ত এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। যার লক্ষ্য, ১৮ মে শুরু হতে যাওয়া ডব্লিউএইচও সদস্যদের ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলিতে এটি অনুমোদন করা।

জেনেভায় ব্রাজিল মিশনের কূটনীতিক জাঁ কারিদাকিস বলেন, মতপার্থক্য ‘একেবারেই কম নয়’, তবুও সমঝোতা সম্ভব।

তিনি বলেন, অগ্রগতি ধীর। সমঝোতা খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন হবে। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন কিছুটা নমনীয়তা দেখানোর চেষ্টা করছে।

পিএবিএস উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আফ্রিকায়, যেখানে অনেক দেশ কোভিড-১৯ টিকার প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েছিল।

তবে তাদের অবস্থানের মধ্যেও পার্থক্য আছে। দক্ষিণ আফ্রিকার মতো কিছু উদীয়মান অর্থনীতি প্রযুক্তি হস্তান্তর চায়। আর দরিদ্র দেশগুলো মূলত স্বাস্থ্যসেবা পণ্যের প্রাপ্যতার ওপর জোর দিচ্ছে।

পাকিস্তান মিশনের আদিল মুমতাজ খোখার বলেন, আলোচনা ‘খুব চ্যালেঞ্জিং’ হলেও ‘আমরা আশাবাদী।’

তিনি বলেন, ‘লাইসেন্সিং, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামগ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধি— এ সবই বড় বিতর্কের বিষয়।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ