1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন

ইরান যুদ্ধ: জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে, দুই দিনের গ্যাস মজুদ আছে যুক্তরাজ্যে

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৮ Time View

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে। এর মধ্যে যুক্তরাজ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে বর্তমানে যে পরিমাণ গ্যাস মজুদ আছে, তা দিয়ে দুই দিনেরও কম সময়ের চাহিদা মেটানো সম্ভব।

ন্যাশনাল গ্যাসের তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার যুক্তরাজ্যে গ্যাস মজুদ ছিল প্রায় ৬ হাজার ৯৯৯ গিগাওয়াট ঘণ্টা (জিডাব্লিউএইচ)। এক বছর আগে একই সময়ে এই মজুদ ছিল ৯ হাজার ১০৫ গিগাওয়াট ঘণ্টা। দেশটির গ্যাস সংরক্ষণের সর্বোচ্চ সক্ষমতা প্রায় ১২ দিনের সমান হলেও বর্তমানে মজুদ নেমে এসেছে দুই দিনেরও কমে।

এ কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট আরো তীব্র হলে যুক্তরাজ্যে গ্যাস সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে ন্যাশনাল গ্যাস জানিয়েছে, মজুদ কম থাকলেও দেশটি বিভিন্ন উৎস থেকে নিয়মিত গ্যাস পেয়ে থাকে।

প্রতিষ্ঠানটির এক মুখপাত্র বলেন, বছরের এই সময়ের জন্য যুক্তরাজ্যের গ্যাস মজুদ স্বাভাবিক মাত্রাতেই রয়েছে এবং গত বছরের এই সময়ের সঙ্গে তা প্রায় একই রকম। তিনি বলেন, দেশের গ্যাস সরবরাহের বড় অংশ আসে যুক্তরাজ্যের নিজস্ব সমুদ্রাঞ্চল এবং নরওয়ে থেকে। এর পাশাপাশি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), ইউরোপের সঙ্গে সংযোগ পাইপলাইন এবং সংরক্ষিত গ্যাসও সরবরাহ ব্যবস্থার অংশ।

যুক্তরাজ্যের জ্বালানি নিরাপত্তা ও নেট জিরো বিভাগও জানিয়েছে, দেশটিতে মাত্র দুই দিনের গ্যাস রয়েছে—এমন দাবি পুরোপুরি সঠিক নয়। সরকারের মতে, বিভিন্ন উৎস থেকে গ্যাস সরবরাহ থাকায় জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে তারা আত্মবিশ্বাসী।

এদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গ্যাসবাহী কিছু জাহাজ ইউরোপের পরিবর্তে এশিয়ার দিকে চলে যাচ্ছে। জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণকারী তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবারের পর অন্তত দুটি জাহাজ আটলান্টিক মহাসাগর থেকে পথ পরিবর্তন করে এশিয়ার দিকে গেছে। এর আগের সপ্তাহেও তিনটি জাহাজ একইভাবে দিক পরিবর্তন করে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে তীব্র বিমান হামলা শুরু করার পর থেকেই গ্যাসের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এর মধ্যে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়, যে পথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সমুদ্রপথে গ্যাস পরিবহন হয়।

অন্যদিকে ড্রোন হামলার পর কাতার বিশ্বের সবচেয়ে বড় এলএনজি উৎপাদন কেন্দ্রেও উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখে। এর ফলে এশিয়ায় এলএনজির দামও বেড়ে যায়।

যুদ্ধ শুরুর আগে যুক্তরাজ্যে এক মাস পর সরবরাহযোগ্য গ্যাসের দাম ছিল প্রতি থার্ম ৭৮ দশমিক ৫ পেন্স। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩৭ পেন্সে। এতে দেশটির জ্বালানি বাজারে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ