1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আমরা পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি আর দেখতে চাই না : জামায়াত আমির বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রতিষ্ঠিত দল : সালাহউদ্দিন আহমদ ৫ সেটের লড়াইয়ে সিনারকে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে জোকোভিচ ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে ১৬ দেশ নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধিই আধিপত্যবাদ মোকাবিলার একমাত্র সমাধান : নাহিদ ইসলাম ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির ফোনালাপ সোমালিয়াতে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে তুরস্ক একটি দল টাকা দিয়ে ভোট কিনছে : সেলিমা রহমান ধানের শীষে ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়ার মাটি বিএনপির ঘাঁটি : তারেক রহমান

এই প্রথম ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানোর অনুমতি দিলেন ট্রাম্প

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৭৫ Time View

গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণের প্রায় ৯ মাস পর প্রথমবোরের মতো ইউক্রেনে অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্ডারসেক্রেটারি এলব্রিজ কোলবি ইতোমধ্যে ইউক্রেনে অস্ত্রের চালান পাঠানো সংক্রান্ত অনুমোদনপত্রে স্বাক্ষরও করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউস এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শিগগিরই ইউক্রেনে দু’টি অস্ত্রের চালান পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রত্যেক চালানে থাকবে ৫০ কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র ও গোলাবারুদ থাকবে।

ট্রাম্প প্রশাসন অবশ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের মতো সহায়তা হিসেবে এই অস্ত্র দিচ্ছে না। কিয়েভের ইউরোপীয় মিত্ররা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এই অস্ত্র কিনে ইউক্রেনে পাঠাচ্ছে। চালান পাঠানোর খরচও প্রদান করবে তারা।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রায়োরিটাইজড ইউক্রেন রিকোয়্যার লিস্ট (পার্ল) নামের একটি নতুন সমঝোতার আওতায় ইউক্রেনে মোট ১ হাজার কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। তার প্রথম চালান যাচ্ছে ইউক্রেনে।

প্রসঙ্গত, ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ওয়াশিংটন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধাবসানকে অগ্রাধিকার দেবে এবং ইউক্রেনকে আর সামরিক সহায়তার অনুমোদন দেওয়া হবে না। গত ৯ মাস সেই কথা রাখার চেষ্টা তিনি। ইউক্রেনে মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধের পাশাপাশি যুদ্ধাবসানের জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে একাধিকবার বৈঠকও করেছেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের গত ৯ মাসের তৎপরতায় যুদ্ধাবসান ইস্যুতে দৃশ্যমান বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি।

তার পরও অবশ্য গত ৯ মাসে ইউক্রেনে মার্কিন অস্ত্রের চালান গিয়েছে, তবে সেগুলোর অনুমোদন দিয়ে গিয়েছিল বাইডেন প্রশাসন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন এখনও ইউক্রেনে মার্কিন সামরিক সহায়তা স্থগিত রেখেছে।

কিয়েভে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত দু’টি চালানে কী কী অস্ত্র আছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি, তবে বাইডেন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চালানে অন্যান্য অস্ত্রের সঙ্গে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম রয়েছে। রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে এই সিস্টেম পাঠানো হচ্ছে কিয়েভে।

রয়টার্সকে ওই কর্মকর্তা বলেছেন, “পার্ল এর আওতায় কিয়েভের জন্য প্রচুর অস্ত্রের ফরমায়েশ দিয়েছে ইউক্রেনের ইউরোপীয় মিত্ররা। আমরা তাদের এ ফরমায়েশের তালিকা যাচাই করছি। তালিকায় থাকা অস্ত্রগুলোর মধ্যে যেগুলো মার্কিন নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ— কেবল সেগুলোই পাঠানো হবে কিয়েভে।

সূত্র : রয়টার্স

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ