1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জুলাই-যোদ্ধাদের রক্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান উপদেষ্টা সাখাওয়াতের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই: ইসি সানাউল্লাহ এনবিআর বিভাজন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে অন্তর্বর্তী সরকার: অর্থ উপদেষ্টা নিলামে ২২৩.৫০ মিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক সেন্টমার্টিন রক্ষায় টেকসই পরিকল্পনাসহ মাস্টারপ্ল্যান চূড়ান্তে গুরুত্বারোপ তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার গভীর সমুদ্রে গবেষণা ও সমস্যা চিহ্নিতকরণের ওপর প্রধান উপদেষ্টার গুরুত্বারোপ ডিজিটাল আর্থিক সেবায় কঠোর প্রতিবেদন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক পোস্টাল ভোট দেবেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি ভোটার আদালতে মাদুরোর দাবি: ‘আমি নির্দোষ, আমিই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট’ নির্বাচন-সংক্রান্ত তথ্য ও অভিযোগ গ্রহণে ইসির ১০ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান

কারওয়ান বাজারে মোবাইল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৬ Time View

কয়েক দফা দাবি নিয়ে কারওয়ান বাজার মোড়ে আবারও জড়ো হয়েছেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। এ সময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৭টি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। ছোড়া হয় টিয়ার গ্যাস। এতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুর ১টা ৩৫ মিনিট থেকে থেমে থেমে এ সংঘর্ষ শুরু হয়।

আন্তর্জাতিক সংবাদ প্রতিবেদন
একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সেনা ও র‍্যাব সদস্যরাও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

এর আগে, কারওয়ান বাজার মোড় অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের লাঠিপেটা করে সড়ক থেকে সরিয়ে য়েধ পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জলকামান, রায়টকার ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়।

জানা গেছে, ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) ব্যবস্থা চালুর প্রতিবাদ, বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মুক্তিসহ কয়েক দফা দাবিতে রোববার পরিবারসহ অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেয় মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)। একইসঙ্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশের সব মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণাও দেয় সংগঠনটি।

ঘোষণা অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কারওয়ান বাজারে সার্ক ফোয়ারা মোড় অবরোধ করে ‘অবস্থান কর্মসূচি’ শুরু করেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। তারা সড়কে বসে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এতে বসুন্ধরা থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ প্রথম দফায় লাঠিপেটা করে ব্যবসায়ীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। এতে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন।

এরপর দুপুর ১২টার দিকে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ আবার সড়কে এসে বসে পড়েন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে। পরে ফের লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ। পরে ব্যবসায়ীদের আশপাশের শপিংমলের ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, দেশের মোবাইল ফোন বাজারে অবৈধ ও আনঅফিশিয়াল হ্যান্ডসেট ব্যবহারে কার্যকর লাগাম টানতে সরকারের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ১ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে দ্য ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোনের আইএমইআই নম্বর যুক্ত হচ্ছে জাতীয় ডাটাবেজে। বিষয়টি নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন ব্যবসায়ীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ