1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দেশি বিনিয়োগেই ভরসা খুঁজছে বিডা দেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল যেখানে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বিশ্বকাপ খেলা দেখতে যাওয়ার পথে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের ওপর গুলি, আহত ৪ সুইজারল্যান্ড সফর বাতিল করলেন জেডি ভ্যান্স যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি লঙ্ঘন করলে পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের ইসরায়েলকে সতর্ক করে ভ্যান্স বললেন ‘আমরা ছাড়া তোমাদের আর কেউ নেই’ ডিপফেক বিতর্কে গুগল-মেটার বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে প্রীতি আনোয়ারায় দেশের প্রথম ফ্রি ট্রেড জোনের অনুমোদন নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান

বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি : জয়শঙ্কর

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫
  • ৮৪ Time View
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর বলেছেন, ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ নামে একটি তথাকথিত মানচিত্রের প্রচারকে ঘিরে সৃষ্ট বিতর্কের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে ঘটে চলা ঘটনাপ্রবাহ আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। এই মানচিত্রে ভারতের কয়েকটি রাজ্যের অংশ বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্ত দেখানো হয়েছে, যা ভারতের জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

লোকসভায় ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এক সংসদ সদস্য এই বিষয়টি উত্থাপন করলে জয়শঙ্কর বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।

বিতর্কিত মানচিত্রটি সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি প্রদর্শনীতে দেখানো হয়েছিল, যা ‘সালতানাত-ই-বাংলা’ নামের একটি সংগঠন আয়োজন করেছে বলে দাবি করা হয়।

অভিযোগ আছে, এই সংগঠনের সঙ্গে তুরস্কভিত্তিক একটি এনজিও ‘তুর্কিশ ইয়ুথ ফেডারেশন’-এর যোগসূত্র রয়েছে। 

উক্ত সংসদ সদস্যের ভাষায়, ‘এ ধরনের কার্যকলাপ গুরুতর প্রশ্ন তোলে এবং বিষয়টি শক্তভাবে প্রতিহত করা উচিত।’

জবাবে জয়শঙ্কর বলেন, ‘ভারতের উদ্বেগ বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের সরকার সরকারি ফ্যাক্ট-চেকিং প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলা ফ্যাক্ট’-এর উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, প্রদর্শনীটি ছিল ইতিহাসভিত্তিক এবং ২০২৫ সালের ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজন করা হয়েছিল।

উক্ত মানচিত্রটি ছিল মধ্যযুগীয় বাংলার ইতিহাসভিত্তিক একটি মানচিত্র।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘আয়োজকরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন— তাদের কোনো বিদেশি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই। বাংলাদেশের সরকার এটাও নিশ্চিত করেছে যে, ‘সালতানাত-ই-বাংলা’ নামে কোনো স্বীকৃত সংগঠন দেশে নেই।

তবুও জয়শঙ্কর বলেন, ভারতের জাতীয় স্বার্থের বিষয়গুলোতে আমরা গভীরভাবে মনোযোগী।

বিশেষ করে বাংলাদেশকে ঘিরে এমন কোনো ইস্যু যা আমাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে, সেগুলো আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছি।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ