1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সীমান্তবর্তী এলাকার গল্প নিয়ে স্বল্পদৈর্ঘ্য ‘ডাঙগোয়াল’ বিশ্ব জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী ডেনমার্ক দ্রুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের পাশে থাকবে ওআইসি সিলেটে সুইমিংপুলে ডুবে শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পাশে থাকার আশ্বাস ওআইসি মহাসচিবের সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে নেমে শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু যে কারণে আমেরিকা থেকে হঠাৎ ভিডিও বার্তা দিলেন মৌসুমী সমাজ পরিবর্তন করবে এমন সিনেমা দরকার: তথ্যমন্ত্রী প্রিমিয়ার লিগের দলবদল, অর্ধডজন ক্রিকেটার চান এক কোটি টাকা পারিশ্রমিক!

মুখোমুখি হওয়ার আগে পিএসজির বিরুদ্ধে ‘মামলা’ প্রত্যাহার এমবাপ্পের

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫
  • ১২২ Time View

রিয়াল মাদ্রিদ তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে তার সাবেক ক্লাব প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর (পিএসজি) বিরুদ্ধে করা ‘মানসিক নির্যাতনের’ অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ক্লাব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে পিএসজির মুখোমুখি হওয়ার আগে এই সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তবে ৫৫ মিলিয়ন ইউরো বকেয়া বেতন ও বোনাস আদায়ের মামলা চালিয়ে যাবেন এই ফরাসি তারকা।

এমবাপ্পের আইনজীবীরা সোমবার নিশ্চিত করেন, ফরাসি আদালতে পিএসজির বিরুদ্ধে দায়ের করা ফৌজদারি অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করেছেন।
গত মে মাসে দাখিল করা এই অভিযোগে বলা হয়, ২০২৩ সালে চুক্তি সংক্রান্ত টানাপোড়েনের সময় এমবাপ্পেকে দল থেকে বাদ দিয়ে আলাদা অনুশীলনে পাঠিয়ে ‘মানসিক নির্যাতন’ করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ প্রত্যাহারের পরও ফরাসি শ্রম আদালতে আলাদাভাবে চলমান একটি মামলায় তিনি এখনো ৫৫ মিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬৪৪ কোটি টাকা) পাওনার জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। এই অর্থ এমবাপ্পের পিএসজির সঙ্গে চুক্তির শেষদিকে বেতন ও বোনাস হিসেবে পাওনা ছিল বলে দাবি তার আইনজীবীদের।

এমবাপ্পে জানান, পিএসজি বোর্ডের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন চললেও ক্লাবের সমর্থক ও সাবেক সতীর্থদের প্রতি তার কোনো বিদ্বেষ নেই।

২০২৩ সালের প্রাক-মৌসুমে পিএসজি তাকে ‘লফট’ নামে পরিচিত একটি বিশেষ আলাদা গ্রুপে পাঠিয়ে দেয়। মূলত যেসব খেলোয়াড় ক্লাবের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় নেই তাদের এইভাবে আলাদা করে এই গ্রুপে রাখা হয়।

এমবাপ্পে দাবি করেন, এই আচরণ তার জন্য ছিল মানসিকভাবে অত্যন্ত কষ্টকর এবং এটি তার অতীত জীবনের কিছু কঠিন অভিজ্ঞতার স্মৃতিকে জাগিয়ে তোলে। সে কারণেই তিনি তখন আইনি পথে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ