1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল দেশীয় অর্থায়নে দ্রুত বাস্তবায়ন হবে ‘তিস্তা মেগা প্রকল্প’: পানিসম্পদমন্ত্রী জনসচেতনতা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : মৎস্য প্রতিমন্ত্রী ফল উৎসবের পেছনে আছে সুদূরপ্রসারী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দর্শন: তথ্যমন্ত্রী পাবলিক পরীক্ষা আইনে ডিজিটাল নকলের সাজা যুক্ত করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী বাবার ‌‘পিট’ কেটে মায়ের সঙ্গে সন্তানরা, আইনি লড়াই শেষে স্বস্তিতে জোলি দেশি বিনিয়োগেই ভরসা খুঁজছে বিডা দেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল যেখানে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

ট্রাম্পকে নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়ে অনুতপ্ত ধনকুবের মাস্ক

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১১ জুন, ২০২৫
  • ৮২ Time View

ইলন মাস্ক সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ কিছু মন্তব্য করেছেন। দুজনের মধ্যে সম্পর্ক যে তলানিতে তারই ইঙ্গিত ছিল এগুলো। তবে সেসব মন্তব্যের জন্য এখন অনুশোচনা করছেন মাস্ক। নিজেই বিতর্ক উসকে দেওয়ার কয়েক দিন পর মাস্ক অবস্থান থেকে সরে এসেছেন।
গতকাল বুধবার এক্স হ্যান্ডলে মাস্ক লিখেছেন, ‘গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্পর্কে আমার কিছু পোস্টের জন্য আমি অনুতপ্ত। সেগুলো একটু বেশিই বাড়াবাড়ি হয়ে গিয়েছিল।’

এই বিরোধের সূত্রপাত ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত ব্যয় বিল নিয়ে মাস্কের মন্তব্য থেকে। এই বিলটি ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের অভ্যন্তরীণ এজেন্ডার কেন্দ্রবিন্দু বলে বিবেচিত হয়েছিল।
মাস্ক এই বিলটিকে ‘ঘৃণ্য জঘন্য কাজ’ আখ্যা দিয়েছিলেন এবং এর সমর্থনকারী রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিশোধের আহবান জানিয়েছিলেন।

গত শনিবার এনবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মাস্ককে সতর্ক করে বলেছিলেন, যদি মাস্ক বর্তমান রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বীদের অর্থায়ন করেন, তবে তাঁকে ‘গুরুতর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে।

মাত্র এক সপ্তাহ আগেই ট্রাম্প ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট ইফিসিয়েন্সি (ডিওজিই)’-এর প্রধান হিসেবে প্রকাশ্যে মাস্কের প্রশংসা করেছিলেন। এই উপদেষ্টা সংস্থাটি ফেডারেল ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে কাজ করছে।
সরকারি ব্যয়ের দিকনির্দেশনা নিয়ে মতবিরোধের কথা উল্লেখ করে মাস্ক এই পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

পদত্যাগ করার কয়েক দিনের মধ্যেই মাস্ক মার্কিন প্রেসিডেন্টের নতুন আইন নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা শুরু করেন। তাঁর পোস্টগুলো তীব্র বিতর্কের জন্ম দেয়। যার চূড়ান্ত পরিণতিতে ট্রাম্প মাস্কের বিরুদ্ধে ‘অকৃতজ্ঞতার’ অভিযোগ তোলেন। মাস্কের কম্পানিগুলোর সঙ্গে ফেডারেল চুক্তি পর্যালোচনা করার হুমকি দেন।
সূত্র : ব্লুমবার্গ

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ