1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বিএনপি, জোট সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইসলামী আন্দোলনই ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের সংগ্রামে একমাত্র দল : চরমোনাই পীর ভোট কিন্তু নেতার কাছে নেই, ভোট জনগণের কাছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ জুনের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করতে ইউক্রেন ও রাশিয়াকে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র : জেলেনস্কি ভোটকেন্দ্র ধূমপানমুক্ত এলাকা নিশ্চিত করার নির্দেশ ইসির গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান প্রধান তথ্য কর্মকর্তার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টানা চতুর্থ জয়ে চোখ শ্রীলংকার ইশারা ভাষার মাধ্যমে বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা সম্ভব: সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা কখনো মানুষের কাছ থেকে দূরে থাকিনি : মির্জা আব্বাস আল নাসরের টানা দ্বিতীয় ম্যাচে অনুপস্থিত রোনাল্ডো

অন্যায়ভাবে শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা বরদাশত করা হবে না : সিইসি

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩৫ Time View

নির্বাচনে কেউ অন্যায়ভাবে শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করলে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
আজ বুধবার সকালে রাজশাহী সার্কিট হাউসে জেলার সব সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানের জন্য সবার সহযোগিতা চান সিইসি।
প্রতিদ্বন্দ্বী সব প্রার্থীই নির্বাচন কমিশনের কাছে সমান উল্লেখ করে সিইসি বলেন, সব প্রার্থীকে নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধি মেনে প্রচার চালাতে হবে। কেউ আইন ও বিধি ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণা অসাংবিধানিক ও আইনের পরিপন্থী। সংবিধানে সভা সমাবেশ করার যে অধিকারের কথা বলে হয়েছে তা শর্তসাপেক্ষে। এবারের নির্বাচন একটু ভিন্ন ধরনের, কারণ ২০১৪ সাল বাদে নির্বাচনের আগে সংঘাত ও সহিংসতার ঝুঁকি তৈরি হয়নি। কারণ, নির্বাচনগুলো ছিল সর্বজনীন।
সিইসি বলেন, যারা সভা সমাবেশ করছে নির্বাচনের পক্ষে তাদেরও নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। নির্বাচনের পক্ষে ও বিপক্ষে তারা মুখোমুখি হলে সংঘাতের ঝুঁকি থাকে। আমরা চাই এ ধরনের যেকোনো ঘটনা যাতে না ঘটুক। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করলে কোনো সমস্যা নাই।
এক প্রশ্নের জবাবে হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা থেকেই নির্বাচন করতে হবে কমিশনকে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সচেতন হতে হবে, ভোট কেন্দ্রে কোন কারচুপি হচ্ছে কি না?
যেকোনো উপায়ে নির্বাচনে জেতার মানসিকতা থেকে প্রার্থীদের বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি নিয়ে নির্বাচন কমিশন মাথা ঘামাচ্ছে না দাবি করে সিইসি বলেন, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী একটি অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার সক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের আছে। ভোট করতে প্রয়োজন ১২ লাখ জনবল, কিন্তু কমিশনের আছে মাত্র ১ হাজার ৫০০ লোকবল। ফলে বিভিন্ন দফতর থেকে জনবল নিতে হয় কমিশনকে।
সিইসি মন্তব্য করেন, এককভাবে কমিশনের পক্ষে নির্বাচন সফল করা সম্ভব হবে না, সবার সম্মিলিত প্রয়াসেই নির্বাচন সফল হবে।
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে এককভাবে কমিশনকে দায়বদ্ধ করা যাবে না, এর দায় সরকারের ওপরেও পড়বে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, এটি একটি রাজনৈতিক বিতর্কিত প্রশ্ন, এই বিতর্ক সমাধান করতে হবে রাজনৈতিক দলগুলোকেই।
হাবিবুল আউয়াল বলেন, তবে আওয়ামী লীগ, স্বতন্ত্রসহ ২৭টি দল এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। নির্বাচন বয়কট করতে কোনো বাধা নেই।
সভায় নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা, নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. জাহাংগীর আলম, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আনিসুর রহমান, রিটার্নিং অফিসার ও রাজশাহীর জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদসহ কমিশনের কর্মকর্তা এবং রাজশাহীর ৬টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীরা ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ