1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন

আল নাসরের টানা দ্বিতীয় ম্যাচে অনুপস্থিত রোনাল্ডো

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৫৮ Time View

সৌদি পেশাদার লিগের সঙ্গে চলমান বিরোধের জেরে আল নাসরের হয়ে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে খেলেননি ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো।

৪১ বছর বয়সী এই তারকা শুক্রবার আল ইত্তিহাদের বিপক্ষে ম্যাচের স্কোয়াডেও ছিলেন না। এর আগে সোমবার আল রিয়াদের বিপক্ষে আল নাসরের জয়ের ম্যাচেও তাকে দেখা যায়নি।

ইএসপিএন’র একটি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (পিআইএফ) আল নাসর ক্লাবের ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনের নিশ্চয়তা না দেওয়ায় রোনাল্ডো শুক্রবারের ম্যাচ বয়কট করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে একই সূত্র বলেছে, আল নাসর কর্তৃপক্ষ ম্যাচটিতে রোনাল্ডোর অংশগ্রহণ আশা করেছিল।

ট্রান্সফার উইন্ডোতে পিআইএফের সহায়তা নিয়ে অসন্তুষ্ট থাকার কারণেই রোনাল্ডো সোমবারের ম্যাচটি মিস করেন বলে সূত্রটি জানায়।

জানুয়ারির ট্রান্সফার উইন্ডোতে আল নাসরের প্রতিদ্বন্দ্বী আল হিলাল, যাদেরও ৭৫ শতাংশ মালিকানা পিআইএফ’র। আল ইত্তিহাদ থেকে রোনাল্ডোর সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ করিম বেনজেমাকে দলে ভেড়ায় আল হিলাল। এতে রোনাল্ডোর অসন্তোষ আরও বেড়েছে বলে জানা যায়।

রোনাল্ডো না খেললেও আল নাসর শুক্রবারের ম্যাচে ২-০ গোলে জয় পায় এবং লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে। এই মুহূর্তে তারা শীর্ষে থাকা আল হিলালের থেকে মাত্র এক পয়েন্ট পিছিয়ে। ম্যাচ চলাকালে আল-আওয়াল পার্কে সপ্তম মিনিটে সমর্থকেরা রোনাল্ডোর নাম ও তার জার্সির সাত নম্বর লেখা হলুদ প্ল্যাকার্ড তুলে ধরে পর্তুগিজ তারকার প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।

এদিকে বৃহস্পতিবার সৌদি পেশাদার লিগ এক বিবৃতিতে রোনাল্ডোক সতর্ক করে জানায়, কোনো খেলোয়াড়ই নিজের দলের বাইরে অন্য কোনো সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারেন না।

বিবৃতিতে বলা হয়, “সৌদি পেশাদার লিগ একটি সহজ নীতির ওপর পরিচালিত হয়। প্রতিটি ক্লাব একই নিয়মের আওতায় স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয়। ক্লাবগুলোর নিজস্ব বোর্ড, নির্বাহী এবং ফুটবল নেতৃত্ব রয়েছে। নিয়োগ, ব্যয় ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত ক্লাবগুলোরই, একটি আর্থিক কাঠামোর মধ্যে থেকে, যা স্থায়িত্ব ও প্রতিযোগিতামূলক ভারসাম্য নিশ্চিত করে। এই কাঠামো লিগের সব ক্লাবের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আল নাসরে যোগ দেওয়ার পর থেকেই ক্রিস্টিয়ানো পুরোপুরি সম্পৃক্ত এবং ক্লাবের অগ্রগতি ও উচ্চাকাঙ্খায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। একজন শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিযোগীর মতোই তিনি জিততে চান। তিনি যত বড় তারকাই হোন না কেন, নিজের ক্লাবের বাইরে সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করতে পারেন না।”

বিবৃতির শেষ অংশে বলা হয়, “লিগের প্রতিযোগিতামূলক চিত্রই সব বলে দেয়। শীর্ষ চার দলের মধ্যে মাত্র কয়েক পয়েন্টের ব্যবধান রয়েছে, ফলে শিরোপার লড়াই এখনো জমজমাট। এই ভারসাম্য প্রমাণ করে যে ব্যবস্থাটি ঠিকভাবেই কাজ করছে।

জানা গেছে, ট্রান্সফারের অর্থ পিআইএফ সরাসরি দেয় না। বরং একটি প্লেয়ার অ্যাকুইজিশন ফান্ড থেকে এই অর্থ আসে। এই তহবিলটি সৌদি পেশাদার লিগ কেন্দ্রীয়ভাবে তত্ত্বাবধান করে এবং ক্লাবের আকার অনুযায়ী প্রতি বছর অর্থ বরাদ্দ দেয়। দেশের ‘বিগ ফোর’-আল নাসর, আল হিলাল, আল ইত্তিহাদ ও আল আহলি, গত বছর গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফার উইন্ডো শুরুর আগে প্রায় সমপরিমাণ অর্থ পেয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ