1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বায়তুল মোকাররমে পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৪০, মামলা ৪৬ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে রিজভীর শ্রদ্ধা নিবেদন স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার করলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি : নাহিদ ইসলাম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল বা সংগঠন ছাড়া যে কেউ সভা-সমাবেশ করতে পারবে: আইনমন্ত্রী পুনরায় বর্ডার হাট চালু করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী গাড়ির কাগজপত্র হালনাগাদের সময় বাড়ল ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ১৭ বছর গ্যাস আমদানির নামে লুটপাট করা হয়েছে : প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব

গাজায় মানবিক বিরতির পক্ষে ৫৪ শতাংশ ইসরায়েলি

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৬৯ Time View

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় মানবিক বিরতি অব্যাহত রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন ৫৪ শতাংশ ইসরায়েলি। অতি সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে উঠে এসেছে এই তথ্য।
সাত দিনের যুদ্ধবিরতি শেষে শুক্রবার গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান ও স্থলবাহিনী দ্বিতীয় দফা অভিযান শুরু করার পর তাৎক্ষণিক এক জনমত জরিপ চালায় ইসরায়েলের থিঙ্কট্যাংক সংস্থা লাজার ইনস্টিটিউট।
জরিপ থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের ফিরিয়ে আনতে গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি অব্যাহত দেখতে চান ৫৪ শতাংশ ইসরায়েলি। অন্যদিকে উপত্যকায় ইসরায়েলি অভিযান জারি রাখার মাধ্যমে জিম্মিদের মুক্তির পক্ষে রয়েছেন ইসরায়েলের ২৫ শতাংশ নাগরিক।
বাকি ২১ শতাংশ ইসরায়েলি এ প্রসঙ্গে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। শুক্রবার বিকেলে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি দৈনিক মারিভ।
গত দেড় মাসের বেশি সময় ধরে যুদ্ধ চলার পর জিম্মি-বন্দি বিনিময় এবং গাজায় মানবিক ত্রাণ প্রবেশের সুযোগ দিতে ২৫ নভেম্বর সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি করে ইসরায়েল এবং গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস। সেই বিরতি শেষ হয় শুক্রবার ভোরে উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান ও স্থলবাহিনীর অভিযান শুরুর মধ্যে দিয়ে। ২য় দফা অভিযানের শুরু থেকে এ পর্যন্ত গাজায় নিহত হয়েছেন ১৭৮ জন ফিলিস্তিনি।
শুক্রবার ভোরের দিকে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর হিলোটের বাসিন্দারা সাইরেনের শব্দে জেগে ওঠেন। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, গাজা থেকে রকেট ছোড়া হয়েছিল এবং ক্ষেপণাস্ত্র সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সেই রকেট আঘাত হানার আগেই তা ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।
এ ঘটনার পর এক তাৎক্ষণিক বিবৃতিতে গাজায় ফের অভিযান শুরুর ঘোষণা দেয় আইডিএফ। গাজার হামাস নেতৃত্বাধীন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উপত্যকার অন্তত ১০০টি স্থানে গোলা বর্ষণ করেছে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী।
গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের যোদ্ধারা ইসরায়েলের ভূখণ্ডে অতর্কিত হামলা চালানোর পর ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। পরে ১৬ অক্টোবর থেকে অভিযানে যোগ দেয় স্থল বাহিনীও।
ইসরায়েলি বাহিনীর টানা দেড় মাসের অভিযানে কার্যত ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে গাজা উপত্যকা, নিহত হয়েছেন ১৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। নিহত এই ফিলিস্তিনিদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা ১০ হাজারেরও বেশি।
অন্যদিকে হামাস যোদ্ধাদের হামলায় ইসরায়েলে নিহত হয়েছিলেন ১ হাজার ২০০ জন ইসরায়েলি ও অন্যান্য দেশের নাগরিক।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ