1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ব্যাংক হিসাব খোলা ও ঋণ নিতে লাগবে বিআইএন আইএমএফের শর্তে নতুন ঋণ নয়, বিকল্প অর্থায়ন খুঁজছে সরকার একাধিক শহরে ১৪৪ ধারা, কোন পথে যাচ্ছে পাকিস্তানের রাজনীতি? বার্লিনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন জোবাইদা রহমান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর ফ্লাইট পুনর্নির্ধারিনের সময়সূচি সোবহানার সেঞ্চুরি, রেকর্ড জুটির পরও অস্ট্রেলিয়ার কাছে পাত্তা পেল না বাংলাদেশ এলডিসি উত্তরণের পর বিশ্ববাজারে টিকতে পারবে বাংলাদেশ? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীকী উপাচার্য শীতল, বললেন হাতে থাকা সময়টুকুই বড় সম্পদ নারীর স্বাস্থ্যসেবায় ২৫০ মিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ করবে বাংলাদেশ ও ইআইবি আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

দেশে ফেসবুক-ইউটিউবকে নিবন্ধনে আনতে আইন হবে : তথ্যমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৭৯ Time View

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে বাধ্যতামূলকভাবে নিবন্ধনের আওতায় আনতে নতুন আইন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।
তিনি বলেন, আগামী সংসদে এ আইন হবে; এ বিষয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে তার কথা হয়েছে।
সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তওে আজ মঙ্গলবার ‘গুজব প্রতিরোধ সেল এবং ফ্যাক্টস চেকিং কমিটির’ সঙ্গে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
গুজব প্রতিরোধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর সঙ্গে সরকার আলোচনা করছে কি না, জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সেটাও একটা বড় প্রতিবন্ধকতা। ভারত আইন করেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সব সার্ভিস প্রোভাইডারের সেখানে নিবন্ধিত হতে হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন আইন করেছে, সেখানে নিবন্ধিত হতে হবে। যুক্তরাজ্য আইন করেছে, সেখানে নিবন্ধিত হতে হবে। অন্যান্য দেশে আইন করেছে। আমাদের দেশে এখনো আইনটি হয়নি।
তিনি বলেন, আমরা তাদের (সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম) সঙ্গে আলোচনা করছি, বারবার তাগাদা দিচ্ছি। এখানে অফিস করার জন্য বলছি, বাংলাদেশে আইনের নিবন্ধিত হওয়ার জন্য বলছি। তবে তাদের এখানে নিবন্ধিত হতেই হবে সেই বাধ্যবাধকতা আরোপ করা আইনটি এখনো করা হয়নি। সেটি করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি আইনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। এখন তো আইন করার সময় নেই। আগামী পার্লামেন্টে ইনশাআল্লাহ এ বিষয়ে আইন হবে।
বিদেশে থেকে অনেকে গুজব ছড়াচ্ছে। এ বিষয়ে আপনারা কি ব্যবস্থা নিচ্ছেন- এ বিষয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, বিদেশ থেকে অনেকে গুজব ছড়ায়। সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়েও অনেক গুজব ছড়ানো হয়েছে। উনি আমেরিকায় নেই। উনি আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে এসেছেন, এসে আবার আমেরিকা চলে যান। বিদেশ থেকে গুজব ছড়ানো হয়, সেটির ব্যাপারে আমরা ওয়াকিবহাল, আগের তুলনায় কমেছে। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, এ গুজব ছড়ানোর জন্য বিএনপি এবং জামায়াত তাদের নিয়মিত পয়সা দেয়। পয়সা না দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বা কম দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। সেই অডিও ভাইরাল হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, দেশের বিরুদ্ধে গুজব রটানোর জন্য যদি একটি রাজনৈতিক দল গুজব রটনাকারীদের পয়সা দেয় এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু হতে পারে না।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা তাদের চিহ্নিত করেছি যারা গুজব রটায়। এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অনেক জায়গায় তাদের ব্যাপারে নোটিফাই করা হয়েছে। কেউ যদি মনে করে বিদেশে বসে গুজব রটাবে আর ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকবে এখন আর সেটি কিন্তু নয়।
দেশে যারা গুজব রটিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের মধ্য থেকে যখন কেউ গুজব রটায় তখন তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলা যদি আইসিটি অ্যাক্টে হয়, তবে সেটি পত্রিকায় ছড়ায় কেন মামলা হলো? গুজবটাতো অনলাইনেই ছড়ানো হয় বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সেটি তো ডিজিটাল মাধ্যম। ডিজিটাল মাধ্যমে গুজব ছড়ালে তো ডিজিটাল আইনেই মামলা হবে। কিন্তু সে মামলা করলে তখন আবার অনেকে বলে, কেউ কেউ চেঁচামেচি করেন কেন মামলা হলো, এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। গ্রেফতার করলে তো সেটি নিয়ে আরও বেশি কথাবার্তা হয়, সে কি করেছে সেটি তখন ঢাকা পড়ে যায়।
এছাড়া দেশে বিচার প্রক্রিয়ার মধ্যে দীর্ঘসূত্রিতা আছে বলে মন্তব্য করেন হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ জানাবো কেউ যদি সত্যিকার অর্থে অপরাধ করে থাকে, সেটি যদি আমিও হই, সেটা যদি একজন সাংবাদিকও হয়, তার তো বিচার হতে হবে। না হলে তো এ অপরাধ কোনো দিন বন্ধ করা যাবে না, কমানো যাবে না। আইন সংশোধন করা হয়েছে, সহজীকরণ করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ