1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এক বছরে বিশ্বজুড়ে হেপাটাইটিস বি কমেছে ৩২ শতাংশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করি না, ধারণ করি : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে মানুষের আইনের কবর রচনা করে কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠা করতে হবে: সংসদে জামায়াতের এমপি সবক্ষেত্রে করের সুবিধা দিতে পারবে না সরকার: অর্থমন্ত্রী টেনশন কইরেন না আমরা আছিতো স্যার : ইনুকে দুই পুলিশ সদস্য পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর গাড়িতে বাসের ধাক্কা, বাস চালক গ্রেপ্তার ‘বাংলাদেশ স্বেচ্ছায় অ-পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে’ সরকার টাকা ছাপিয়ে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা দেবে না: প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে ভারতের হাজার হাজার সৈন্য রক্ত দিয়ে গেছে: ফজলুর রহমান লেবাননে ‘ইকোসাইড’ চালাচ্ছে ইসরায়েল, ক্ষয়ক্ষতি ৩ লক্ষ কোটি টাকা

আল্লাহ নিজেই রাসূল (সা.) সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১২
  • ২৪৯ Time View

দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হিসেবে যাকে অভিহিত করা হয় তিনি হলেন আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। আল্লাহ স্বয়ং নিজে রাসূলুল্লাহ (সা.) সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনের সূরা আল কালামের ৪ নম্বর আয়াতে তিনি বলেছেন, ‘(হে নবী মুহাম্মদ) নিশ্চয়ই তুমি নীতি-নৈতিকতা ও উত্তম চরিত্রের সর্বোচ্চ শিখরে অধিষ্ঠিত।’ আল্লাহ তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিনিধি হিসেবে রাসূল (সা.)কে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের প্রতিভূ হিসেবে তিনি মানব জাতির সামনে তাকে উপস্থাপন করেছেন। মুসলমানদের কাছে আল্লাহর বাণীই হলো শেষ কথা। স্বয়ং আল্লাহ যাকে নীতি-নৈতিকতা ও উত্তম চরিত্রের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন সে ব্যাপারে আর কারও সাক্ষ্যেরই প্রয়োজন নেই।

রাসূল (সা.) মানব জাতিকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে উত্তরণের পথ দেখিয়েছেন। মানুষের ব্যক্তি জীবন, সামাজিক জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন কীভাবে সুন্দরতম পর্যায়ে নেওয়া যায়, সে আলোকিত পথ বাতলে দিয়েছেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। আল্লাহ মানব জাতিকে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের আলোকিত পথ দেখাতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মাধ্যমে কোরআন নাজিল করেন। মানব জাতির জন্য গাইড লাইন হিসেবে স্বীকৃত কোরআনের জীবন্ত প্রতিকৃতি ছিলেন রাসূল (সা.)। তাকে অনুসরণ করলেই কোরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী চলা যায়। তাকে অনুসরণ করলেই মহান স্রষ্টা আল্লাহর হুকুমকে পালন করা হয়। রাসূল (সা.) পৃথিবীতে আবিভর্ূত হয়েছিলেন মানব জাতিকে আত্দনিগ্রহ ও আত্দবিড়ম্বনা থেকে রক্ষা করার জন্য। কুসংস্কার ও হীনম্মন্যতার লজ্জা থেকে রেহাই দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে তিনি আবিভর্ূত হয়েছিলেন। মানব জাতিকে অজ্ঞানতার অন্ধকার থেকে আলোর পথে যেতে উৎসাহিত করেছেন তিনি। মানবতাকে স্বকীয় মর্যাদায় উদ্ভাসিত করেছেন আল্লাহর এই নবী। রাসূল (সা.) তার যাপিত জীবনের সর্বক্ষেত্রে শিষ্টাচার ও বিনয়ের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখেছেন। দয়া ও মহানুভবতার উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত মহানবী (সা.)-এর অনুসারীদের সর্বক্ষেত্রে সুবুদ্ধি ও সুবিবেচনার পরিচয় দিতে হবে। রাসূল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রমাণে তাঁর প্রদর্শিত জীবন বিধানকে আঁকড়ে ধরতে হবে মনে-প্রাণে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ