1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই : তথ্যমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৪৮ Time View

শুধু দলই নয়, রাষ্ট্র পরিচালনায়ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প বাংলাদেশে নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপাকালে এ কথা বলেন তিনি।
আওয়ামী লীগের আসন্ন জাতীয় সম্মেলনে নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের দলে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। প্রতিটি কর্মী-সমর্থক চায় তিনি যতদিন বেঁচে আছেন, ততদিন দলকে নেতৃত্ব দেবেন। কেবল দলই না, রাষ্ট্র পরিচালনায়ও তার বিকল্প আজ বাংলাদেশে নেই।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে দেশ এগিয়ে নিচ্ছেন, অনুন্নত দেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করেছেন। উন্নত দেশের কাতারে নেওয়ার জন্য তার প্রাণান্তকর চেষ্টার প্রশংসা করেছে বিশ্ব সম্প্রদায়।
সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য নিজের নাম থাকা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, সম্মেলন হলে অনেক নাম আসে। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কে কোন পদে থাকবে, তা নির্ধারণ করবেন একমাত্র তিনি।
আওয়ামী লীগের সম্মেলন সব সময় জাতির জন্য মাইলফলক বলে মন্তব্য করে হাছান মাহমুদ বলেন, আওয়ামী লীগের সম্মেলনে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার বার্তা থাকে। রাজনীতি ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের জন্য বার্তা থাকে।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের হস্তক্ষেপ নিয়ে রুশ দূতাবাসের বিবৃতি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিদেশি কূটনীতিকদের ভিয়েনা কনভেনশন মেনে চলা উচিত। রুশ দূতাবাস থেকে যে বিবৃতি দেয়া হয়েছে, সেখানে অনেকগুলো কথা বলা হয়েছে। প্রথমত কিছু কিছু দেশ যখন সরকারকে চাপে রাখতে চেষ্টা করে, তখন তারা মানবাধিকারের ধোয়া তোলে। অর্থাৎ সরকারকে চাপে রাখতে মানবাধিকারকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে। রুশ বিবৃতিতে সে কথাও এসেছে।
তিনি বলেন, সেসব দেশে মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়, তারাই সবচেয়ে বেশি মানবাধিকারের কথা বলে। কিন্তু বাংলাদেশের একান্তই অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের হস্তক্ষেপের বিষয়টিও তুলে ধরেছে রুশ দূতাবাস। আমরা সবসময় এমন বিবৃতি দেখিনি, তবে যারা ভিয়েনা কনভেনশন অমান্য করেন, তাদের বোধোদয় হওয়ার ক্ষেত্রে এটি সহায়ক হবে।
ড. হাছান আরও বলেন, আমরা এখন বৈদেশিক ঋণ প্রত্যাখ্যান করি। বাংলাদেশ এক সময় পরমুখাপেক্ষী ছিল। বাজেট প্রণয়নের জন্য বিদেশিদের ওপর নির্ভরশীল থাকতে হতো। আমাদের অর্থমন্ত্রীকে প্যারিস কনসোর্টিয়ামের বৈঠকে ছুটে যেতে হতো। আমাদের বাজেটের বেশিরভাগ অংশ আসতো অনুদান ও ঋণ থেকে। এখন পরিস্থিতি পাল্টে গেছে। আমাদের বাজেটের ৯০ শতাংশ আমরা নিজেরা জোগান দিই। বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে।
তিনি বলেন, যখন বিদেশি কূটনীতিকরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর চেষ্টা করেন, তখন তা আমাদের স্বাধীনতা ও স্বকীয়তার জন্য হস্তক্ষেপ হয়ে দাঁড়ায়। তবে যারা এই নাক গলান, তাদেরই দোষ দিচ্ছি না, বরং যারা ক্ষণে ক্ষণে বিদেশিদের কাছে ছুটে গিয়ে তাদের পদলেহন করেন, তারাও দায়ী।
মন্ত্রী বলেন, কেবল পদলেহনই নয়, তাদের (কূটনীতিকদের) বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাতে উদ্বুদ্ধ করা হয়। যারা এমনটা করেন, তারা সত্যিকারের দোষী।
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, সব সূচকেই বাংলাদেশ আজ পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে। এ নিয়ে পাকিস্তানের রাজনীতিবিদদের মধ্যে প্রচণ্ড বিতর্কও হয়। স্বাধীনতার ৫১ বছর পর বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্র রচনার স্বার্থকতা আমরা দেখতে পেয়েছি। শেখ হাসিনার রাষ্ট্র পরিচালনার স্বার্থকতা সেখানেই যে আজ পাকিস্তান আমাদের দিকে তাকিয়ে নিশ্বাস ফেলে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ