1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ডিজিটাল নজরদারিতে শাহজালাল বিমানবন্দর রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী এখনো ঠিক হয়নি : চিফ হুইপ কাল লন্ডনে ফিরে যাচ্ছেন ইলিয়াস কাঞ্চন মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এনার্জি সেক্টরে প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট নিয়ে সরকার আগ্রহী : জ্বালানি মন্ত্রী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতায় সরকার প্রস্তুত : প্রধানমন্ত্রী এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নিয়োগ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় গাছ বাঁচিয়ে রাখার লক্ষ্য সরকারের : বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৮ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন তারেক রহমান

খেরসনে যুদ্ধাপরাধ করেছে রাশিয়া: জেলেনস্কি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২২
  • ৪৪ Time View

রাশিয়া খেরসনে যুদ্ধাপরাধ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ইউক্রেন পে্রসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি জানান, রশিয়া খেরসন ছেড়ে যাওয়ার পর সেখানে ৪০০ এর বেশি যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ পেয়েছে তদন্তকারীরা। খবর বিবিসির।
জেলেনস্কি বলেন, খেরসনে সেনা সদস্যের মরদেহর সাথে সাথে বেসামরিক নাগরিকদের মরদেহ পাওয়া গেছে।

তবে ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিকদের হত্যা করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাশিয়া।

এক ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, অন্যান্য অঞ্চলের মত খেরসনেও ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে গেছে রাশিয়া। তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার করব।
যুদ্ধ শুরুর পর বুচা, ইজিউম ও মারিওপোলে বেশ কয়েকটি গণকবরের সন্ধান মিলেছে । এর জন্য রাশিয়াকেই দায়ী করে আসছেন জেলেনস্কি। তবে রাশিয়া বরাবরই যুদ্ধাপরাধ করার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
গত মাসে জাতিসংঘের একটি কমিশন জানায়, ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধের ঘটনা ঘটেছে। কমিশন মানবতা বিরোধী এ অপরাধের জন্য রাশিয়াকে দায়ী করেছে।
যুদ্ধের শুরুর দিকে ইউক্রেনের প্রাদেশিক শহর খেরসন দখল করে নেয় রাশিয়া। পরে একটি গণভোটের পর খেরসনসহ তিনটি অঞ্চলকে নিজেদের সাথে যুক্ত করে নেয় রাশিয়া। কিন্তু গত সপ্তাহে হটাৎ খেরসন থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় রাশিয়া। পরে প্রায় ৩০ হাজার সেনা সরিয়ে নেয় খেরসন থেকে। খেরসন থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘটনাকে রাশিয়ার বড় পরাজয় হিসেবে উল্লেখ করেছে কিয়েভ ও তার পশ্চিমা মিত্ররা। তবে কৌশলগত কারণে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে মস্কো।

রাশিয়ান সেনা খেরসন ছেড়ে যাওয়ার পরপরই সেখানে প্রবেশ করে ইউক্রেন সেনাবাহিনী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ