1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উন্নয়নকাজে কমিশন বাণিজ্য সহ্য করা হবে না: আইনমন্ত্রী মেহজাবীন-পরীমনির নামে ভাইরাল ভুয়া ভিডিও, ক্ষুব্ধ অভিনেত্রী সহিংসতার মাধ্যমে ‘বাংলাদেশ মডেলে’ সরকার উৎখাত করতে চাইছে কংগ্রেস: ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাতুজ জুম্মা গ্রেপ্তার মেসি-পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার দুই ম্যাচের প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত খাদ্যের পরিমাণ নয়, গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী মক্কায় ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: জানানো হয়নি বাংলাদেশকে, তথ্য চেয়ে সৌদিকে চিঠি আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা ক্লাবের দাপট, ৮৩ রানে হারল গুলশান সর্বোচ্চ আনন্দ-উৎসবে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে ৫ সরকারি কর্মচারী গ্রেফতার, উদ্ধার ৪৮ পাতার ব্যাংক চেক

সালমান রুশদি বেঁচে যাবেন, ভাবেননি হামলাকারী

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট, ২০২২
  • ৪৯ Time View

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে গত সপ্তাহে হামলার শিকার হয়েছেন ব্রিটিশ লেখক সালমান রুশদি। নিউ জার্সিতে বেড়ে ওঠা হাদি মাতার নামে এক তরুণ তাকে ছুরি দিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে। যদিও এরই মধ্যে হাদি মাতার গ্রেফতার হয়েছেন। এ বিষয়ে কারাগার থেকে নিউইয়র্ক পোস্টকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন হামলাকারী।

হাদি মাতার বলেন, হামলার পর যখন জানতে পারলাম তিনি (সালমান রুশদি) বেঁচে আছেন তখন হতবাক হয়েছি। তাছাড়া খামেনিকে (ইরানের সর্বোচ্চ নেতা) শ্রদ্ধা করার কথাও জানান তিনি।

হামলাকারী বলেন, আয়াতুল্লাহ খামেনিকে আমি শ্রদ্ধা করি। আমি মনে করি সে একজন মহান ব্যক্তি। রুশদির বিতর্কিত বইটির মাত্র দুইটি পৃষ্ঠা পড়ার কথাও জানান হাদি।

হাদি বলেছেন, খামেনির দেওয়া কোনো ফতোয়া হামলা করতে তাকে প্ররোচিত করেনি। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই।

সালমান রুশদি বেঁচে যাবেন, ভাবেননি হামলাকারী

তিনি রুশদি সম্পর্কে বলেন, তাকে আমি খুব বেশি পছন্দ করি না। তিনি ইসলামের ওপর হামলা করেছেন। তিনি মুসলিমদের বিশ্বাসে আঘাত করেছেন।

১৯৮৮ সালে প্রকাশিত রুশদির চতুর্থ বই স্যাটানিক ভার্সেস হলো সবচেয়ে বিতর্কিত কাজ যা তাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নজিরবিহীন বিপদে ফেলে দেয়।

বইটি প্রকাশের পর হত্যার হুমকি আসে, যা তাকে আত্মগোপনে যেতে বাধ্য করে। ব্রিটিশ সরকার তখন তাকে নিরাপত্তার আওতায় নিয়ে আসে।

১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনি রুশদির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে ফতোয়া জারি করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ