1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা : অর্থমন্ত্রী তিস্তার ঢেউ আর মানুষের অদম্য সাহসই লালমনিরহাটের পরিচয় : ত্রাণমন্ত্রী ছয় মাসে সরকারের অধিকাংশ নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন হয়েছে : রিজভী বাংলাদেশের মাটিতে আর কখনো ফ্যাসিবাদের জায়গা হবে না: শামা ওবায়েদ দেশের মানুষের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী যুবদের কর্মসংস্থান হলে সামাজিক অপরাধ কমবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী খেলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ট্রাম্পের কাছে শুল্ক অব্যাহতি চেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ সুদান ও আবেই মিশন এলাকা পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান সীমান্তের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর যৌথ নিরাপত্তা মহড়া

সালমান রুশদি বেঁচে যাবেন, ভাবেননি হামলাকারী

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট, ২০২২
  • ৪৪ Time View

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে গত সপ্তাহে হামলার শিকার হয়েছেন ব্রিটিশ লেখক সালমান রুশদি। নিউ জার্সিতে বেড়ে ওঠা হাদি মাতার নামে এক তরুণ তাকে ছুরি দিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে। যদিও এরই মধ্যে হাদি মাতার গ্রেফতার হয়েছেন। এ বিষয়ে কারাগার থেকে নিউইয়র্ক পোস্টকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন হামলাকারী।

হাদি মাতার বলেন, হামলার পর যখন জানতে পারলাম তিনি (সালমান রুশদি) বেঁচে আছেন তখন হতবাক হয়েছি। তাছাড়া খামেনিকে (ইরানের সর্বোচ্চ নেতা) শ্রদ্ধা করার কথাও জানান তিনি।

হামলাকারী বলেন, আয়াতুল্লাহ খামেনিকে আমি শ্রদ্ধা করি। আমি মনে করি সে একজন মহান ব্যক্তি। রুশদির বিতর্কিত বইটির মাত্র দুইটি পৃষ্ঠা পড়ার কথাও জানান হাদি।

হাদি বলেছেন, খামেনির দেওয়া কোনো ফতোয়া হামলা করতে তাকে প্ররোচিত করেনি। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই।

সালমান রুশদি বেঁচে যাবেন, ভাবেননি হামলাকারী

তিনি রুশদি সম্পর্কে বলেন, তাকে আমি খুব বেশি পছন্দ করি না। তিনি ইসলামের ওপর হামলা করেছেন। তিনি মুসলিমদের বিশ্বাসে আঘাত করেছেন।

১৯৮৮ সালে প্রকাশিত রুশদির চতুর্থ বই স্যাটানিক ভার্সেস হলো সবচেয়ে বিতর্কিত কাজ যা তাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নজিরবিহীন বিপদে ফেলে দেয়।

বইটি প্রকাশের পর হত্যার হুমকি আসে, যা তাকে আত্মগোপনে যেতে বাধ্য করে। ব্রিটিশ সরকার তখন তাকে নিরাপত্তার আওতায় নিয়ে আসে।

১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনি রুশদির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে ফতোয়া জারি করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ