1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বিএনপি, জোট সরকার গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইসলামী আন্দোলনই ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের সংগ্রামে একমাত্র দল : চরমোনাই পীর ভোট কিন্তু নেতার কাছে নেই, ভোট জনগণের কাছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ জুনের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করতে ইউক্রেন ও রাশিয়াকে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র : জেলেনস্কি ভোটকেন্দ্র ধূমপানমুক্ত এলাকা নিশ্চিত করার নির্দেশ ইসির গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান প্রধান তথ্য কর্মকর্তার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টানা চতুর্থ জয়ে চোখ শ্রীলংকার ইশারা ভাষার মাধ্যমে বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা সম্ভব: সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা কখনো মানুষের কাছ থেকে দূরে থাকিনি : মির্জা আব্বাস আল নাসরের টানা দ্বিতীয় ম্যাচে অনুপস্থিত রোনাল্ডো

এটা আমাদের জন্য চ্যাম্পিয়নস লিগ : মরিনহো

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৬ মে, ২০২২
  • ৩৪ Time View

ইউরোপিয়ান ফুটবলের তৃতীয় স্তরের প্রতিযোগিতা ইউরোপা কনফারেন্স লিগ। মর্যাদার দিক থেকে বেশ নিচের দিকে হলেও এ টুর্নামেন্টের ফাইনালে রোমাকে তুলে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি হোসে মরিনহো। এ ফাইনালই যে অনেক অর্থবহ পর্তুগিজ কোচের কাছে, ‘আমি খুব আবেগপ্রবণ। এটা আমাদের জন্য চ্যাম্পিয়নস লিগ।’

১১ মিনিটে ট্যামি আব্রাহাম করেন রোমার একমাত্র গোল। তারপর থেকে চাপা উত্তেজনা মরিনহোর মনে। স্কোর অপরিবর্তি থাকলে শেষ বাঁশি বাজার কয়েক সেকেন্ড আগে নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। ৫৯ বছর বয়সী কোচের চোখে অশ্রু। তাকে ঘিরে ধরেন কোচিং স্টাফের অন্যরা। দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ গোলের অগ্রগামিতায় ফাইনালে ওঠে ইতালিয়ান ক্লাব।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও টটেনহ্যাম হটস্পারের সঙ্গে সময়টা ভালো গিয়েছিল না মরিনহোর। বাজে ফল এবং ড্রেসিংরুম বিতর্কে যেন ক্যারিয়ারই শেষ হতে বসেছিল। সবশেষ স্পাররা বরখাস্ত করলে যোগ দেন ইতালিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে বড় নাম রোমাতে। যারা নিজেদের নামের সুবিচার করতে পারেনি তিন দশক হয়ে গেল। অবশেষে ১৯৯১ সালের পর প্রথম ইউরোপিয়ান কাপ ফাইনালে তারা। এজন্যই বাচ্চাদের মতো কাঁদতে লাগলেন মরিনহো।

পোর্তো, ইন্টার মিলান ও ম্যানইউর পর রোমাকে ফাইনালে তুলে প্রথম কোচ হিসেবে চারটি ক্লাবকে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতার বড় মঞ্চে নেওয়ার কীর্তি গড়লেন মরিনহো। এই জয় কতটা আকাঙ্ক্ষিত তা বোঝালেন তিনি, ‘ট্রফি ছাড়া একটি জায়ান্ট ক্লাব এটি। আজ আমরা ট্রফি জিতিনি, কেবল ফাইনালে উঠেছি, কিন্তু এটা তাদের কাছে অনেক অর্থবহ। আমার আবেগটা তাদের জন্য।’

সবশেষ ফাইনালে রোমা ১৯৯১ সালে উয়েফা কাপ ট্রফির শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে পারেনি ইন্টার মিলানের কাছে হেরে। এবার কি ইউরোপিয়ান শিরোপা খরা কাটিয়ে মরিনহোর প্রথম মৌসুমকে সাফল্যমণ্ডিত করতে পারবে রোমা? তাদের সামনে প্রতিপক্ষ ২০০২ সালে দ্বিতীয়বার উয়েফা কাপ জয়ের পর প্রথম ইউরোপিয়ান ফাইনালে ওঠা ফেনুর্ড। আগামী ২৫ মে আলবানিয়ার তিরানায় হবে ফাইনাল।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ