1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকানো ও প্রাণহানি কমাতে দিনরাত কাজ চলছে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আগামী ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না: রাষ্ট্রপতি ‘কোনো ধরনের উগ্রতা ও উচ্ছৃঙ্খলতাকে আমরা প্রশ্রয় দেব না’ ইউপি নির্বাচনে থাকবে না দলীয় প্রতীক: শামা ওবায়েদ বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বন্ধুত্ব পারস্পরিক বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী শপথ নিলেন আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনি নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪ ৫৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে লালদিয়া টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কাল

যে কারণে কোভিশিল্ডের ৩য় ডোজ নিলেন সেরাম চেয়ারম্যান

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১
  • ৪৭ Time View

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান সাইরাস পুনাওয়ালা বলেছেন, দুই ডোজ টিকা নেওয়ার আদর্শ ব্যবধান দুই মাস। পরের ডোজ (তৃতীয় ডোজ) ৬ মাসের মধ্যে গ্রহণ করা উচিত।

মেডিকেল জার্নাল লেনসেটের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেরামের তৈরি কোভিশিল্ড টিকা গ্রহণ করায় করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় তা কয়েক মাসের মধ্যে কমে যায়। প্রতিবেদনটির বিষয়ে শুক্রবার (১৩ আগস্ট) জানতে চাইলে সেরাম চেয়ারম্যান জানান, এটি সত্য যে অ্যান্টিবডি কমে যায়। তবে ‘মেমোরি সেল’ থেকে যায়।

তিনি বলেন, ছয় মাস পর অ্যান্টিবডি কমে যায়। এ কারণে আমি তৃতীয় ডোজ নিয়েছি। আমরা সেরামের সাত থেকে আট হাজার কর্মীকেও তৃতীয় ডোজ দিয়েছি। যারা দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন তাদের কাছে আমার অনুরোধ, ছয় মাস পর বুস্টার ডোজ (তৃতীয় ডোজ) নেবেন।

সাইরাস পুনাওয়ালা সম্মানজনক লোকমান্য তিলক অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন।

সেরাম চেয়ারম্যান বলেন, দুই ডোজ টিকার আদর্শ ব্যবধান দুই মাস। যদিও টিকা ঘাটতির কারণে মোদি সরকার সেটি তিন মাস করেছে।

করোনা মোকাবিলায় লকডাউন কার্যকর পদক্ষেপ নয় বলেও মন্তব্য করেন সাইরাস পুনাওয়ালা। বলেন, লকডাউন যদি না থাকে তবে শুরুতে কিছুদিন রোগটি থাকবে। কিন্তু পরে সবার মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়ে যাবে। আমি হার্ড ইমিউনিটির কথা এজন্যই বলছি, কারণ এখন মৃত্যুর হার কম। যখন মৃত্যু হার বেশি থাকবে তখন লকডাউন দেওয়া হবে ভালো সিদ্ধান্ত।

অবহেলা ও চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে দেরি করায় মৃত্যু বেশি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ