1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এক বছরে বিশ্বজুড়ে হেপাটাইটিস বি কমেছে ৩২ শতাংশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করি না, ধারণ করি : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে মানুষের আইনের কবর রচনা করে কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠা করতে হবে: সংসদে জামায়াতের এমপি সবক্ষেত্রে করের সুবিধা দিতে পারবে না সরকার: অর্থমন্ত্রী টেনশন কইরেন না আমরা আছিতো স্যার : ইনুকে দুই পুলিশ সদস্য পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর গাড়িতে বাসের ধাক্কা, বাস চালক গ্রেপ্তার ‘বাংলাদেশ স্বেচ্ছায় অ-পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে’ সরকার টাকা ছাপিয়ে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা দেবে না: প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে ভারতের হাজার হাজার সৈন্য রক্ত দিয়ে গেছে: ফজলুর রহমান লেবাননে ‘ইকোসাইড’ চালাচ্ছে ইসরায়েল, ক্ষয়ক্ষতি ৩ লক্ষ কোটি টাকা

যে কারণে কোভিশিল্ডের ৩য় ডোজ নিলেন সেরাম চেয়ারম্যান

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৭ Time View

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান সাইরাস পুনাওয়ালা বলেছেন, দুই ডোজ টিকা নেওয়ার আদর্শ ব্যবধান দুই মাস। পরের ডোজ (তৃতীয় ডোজ) ৬ মাসের মধ্যে গ্রহণ করা উচিত।

মেডিকেল জার্নাল লেনসেটের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেরামের তৈরি কোভিশিল্ড টিকা গ্রহণ করায় করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় তা কয়েক মাসের মধ্যে কমে যায়। প্রতিবেদনটির বিষয়ে শুক্রবার (১৩ আগস্ট) জানতে চাইলে সেরাম চেয়ারম্যান জানান, এটি সত্য যে অ্যান্টিবডি কমে যায়। তবে ‘মেমোরি সেল’ থেকে যায়।

তিনি বলেন, ছয় মাস পর অ্যান্টিবডি কমে যায়। এ কারণে আমি তৃতীয় ডোজ নিয়েছি। আমরা সেরামের সাত থেকে আট হাজার কর্মীকেও তৃতীয় ডোজ দিয়েছি। যারা দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন তাদের কাছে আমার অনুরোধ, ছয় মাস পর বুস্টার ডোজ (তৃতীয় ডোজ) নেবেন।

সাইরাস পুনাওয়ালা সম্মানজনক লোকমান্য তিলক অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন।

সেরাম চেয়ারম্যান বলেন, দুই ডোজ টিকার আদর্শ ব্যবধান দুই মাস। যদিও টিকা ঘাটতির কারণে মোদি সরকার সেটি তিন মাস করেছে।

করোনা মোকাবিলায় লকডাউন কার্যকর পদক্ষেপ নয় বলেও মন্তব্য করেন সাইরাস পুনাওয়ালা। বলেন, লকডাউন যদি না থাকে তবে শুরুতে কিছুদিন রোগটি থাকবে। কিন্তু পরে সবার মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়ে যাবে। আমি হার্ড ইমিউনিটির কথা এজন্যই বলছি, কারণ এখন মৃত্যুর হার কম। যখন মৃত্যু হার বেশি থাকবে তখন লকডাউন দেওয়া হবে ভালো সিদ্ধান্ত।

অবহেলা ও চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে দেরি করায় মৃত্যু বেশি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ