1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আওয়ামী লীগের প্রতি নমনীয় হওয়ার কোন সুযোগ নেই: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রীদের বেতন ১০ লাখ হওয়া উচিত: নুরুল হক নুর ২৪ ঘন্টায় হাম উপসর্গে তিনজনের মৃত্যু আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটরের সঙ্গে প্রিয়দেশ ডটকমের প্রধান সম্পাদক ও সম্পাদকের সৌজন্য সাক্ষাৎ সকালেই সড়ক দুর্ঘটনায় দুই জেলায় প্রাণ হারালেন ১৫ জন, আহত ৩৪ বনানীতে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আটক ৭ নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের দগ্ধ ৩ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারকে নতুন ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী জাবিতে খাল পুনঃখননে বিশেষ টিম পাঠানো হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি চৌধুরী তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে শীর্ষ মাদক কারবারিদের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

উন্নতজাতের ধান উদ্ভাবনের জন্য গবেষকদের প্রতি আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৪০ Time View

উৎপাদনশীলতা দ্বিগুণ করতে আরো উন্নতজাতের ধান উদ্ভাবনের জন্য ধানবিজ্ঞানী ও গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক। কৃষিমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার গাজীপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মিলনায়তনে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। ব্রি ২০১৯-২০ বছরের গবেষণা পর্যালোচনাবিষয়ক এ কর্মশালাটি আয়োজন করে। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহ্‌সান রাসেল ও কৃষিসচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একসময় খাদ্য ঘাটতি ও ক্ষুধার দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। স্বাধীনতার পর জনসংখ্যা ছিল সাড়ে সাত কোটি; যা এখন বেড়ে হয়েছে ১৬ কোটির উপরে। এর সঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগতো আছেই। তারপরও বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে।’

এই সাফল্যের পিছনে ব্রির উদ্ভাবিত জাত ও বিজ্ঞানীদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে বলে উল্লেখ করেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি আরো বলেন, ‘কিন্তু ভবিষ্যতের খাদ্য নিরাপত্তায় মূল চ্যালেঞ্জ হলো আমাদের জনসংখ্যা প্রতিবছর ২২-২৩ লাখ বৃদ্ধি পাচ্ছে; অথচ নানান কারণে চাষের জমি কমছে। সেজন্য ২০৩০ সালের মধ্যে উৎপাদনশীলতা দ্বিগুণ করতে হলে আরো উন্নত জাত ও প্রযুক্তির উদ্ভাবন করতে হবে।’

ব্রি উদ্ভাবিত শতাধিক জাতের ধানের প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘এই জাতগুলো থেকে সেরাগুলো নিয়ে সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে যাতে করে কৃষকের নিকট এগুলো জনপ্রিয় হয়, কৃষকের নিকট সহজে পৌঁছানো হয়। তিনি আরো বলেন, একটি পুষ্টিউপাদান সমৃদ্ধ জাত না করে, বহু পুষ্টিউপাদান সমৃদ্ধ জাতের ধান উদ্ভাবন করতে হবে। এ ছাড়া, মোটা চালের চাহিদা দিন দিন কমছে, সেজন্য চিকন চাল এবং কৃষক ও ভোক্তার চাহিদা বিবেচনা করে জাত উদ্ভাবনে এগিয়ে আসতে হবে।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর। বিগত এক বছরের গবেষণার অগ্রগতি তুলে ধরেন ব্রির পরিচালক (গবেষণা) ড. কৃষ্ণপদ হালদার। এ ছাড়া গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কমলারঞ্জন দাশ, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সায়েদুল ইসলাম, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এম এ সাত্তার মণ্ডল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, সাবেক মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক নাজিরুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ইরি) বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. হোমনাথ ভাণ্ডারি, খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি. সিম্পসন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

ব্রির সাফল্য ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরে মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর জানান, এখন পর্যন্ত ব্রি ১০৫টি উচ্চফলনশীল জাত ও ২৫০টি লাগসই কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের আমলে ব্রি ধানের জাত উদ্ভাবনে বড় সাফল্য পেয়েছে। এই সময়ে ৫৪টি জাত ও ২০০ এর বেশি প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে ।

‘জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন অভিঘাত সহনশীল জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনেও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে ব্রি। এরই মধ্যে উদ্ভাবন করা হয়েছে লবণাক্ততাসহিষ্ণু ১২টি, খরাসহিষ্ণু তিনটি, জলমগ্নতাসহনশীল চারটি ও ঠাণ্ডাসহনশীল চারটি জাত’, যোগ করেন মহাপরিচালক।

জনগণের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুষ্টিসমৃদ্ধ নিরাপদ জাত উদ্ভাবনে বিশ্বের সর্বাধুনিক বায়োফর্টিফিকেশন ও জিএম প্রযুক্তি ব্যবহার করছে ব্রি বিজ্ঞানীরা। ডিজি ড. কবীর আরো জানান, এরই মধ্যে জিঙ্কসমৃদ্ধ পাঁচটি ও প্রিমিয়াম গুণসম্পন্ন ১১টি জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।

এ ছাড়া, মুজিব শতবর্ষের উপহার হিসাবে হাইজিংক সমৃদ্ধ ব্রিধান ১০০ কারিগরি কমিটির অনুমোদন শেষে জাতীয় বীজ বোর্ডে অনুমোদনের জন্য জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ