1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘শীর্ষ সন্ত্রাসী তেমন নেই, সহযোগীরা শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজতে চাইছে’ পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা ইরানের পর আরো একটি দেশ দখলের ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের শপথ কাল ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মধ্যপ্রাচ্যের ১৬ মার্কিন ঘাঁটি পতিত আওয়ামী লীগের মতো বিএনপি কোনো কাজ করবে না : নজরুল ইসলাম যেদিকে তাকাই সেদিকেই অনিয়ম-দুর্নীতি : মির্জা ফখরুল জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী আলোচিত বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেখার ভার সুপ্রিম জুডিশিয়ারি কাউন্সিলের : আইনমন্ত্রী ‘যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে’ ইরান যুদ্ধ শেষ হয়েছে: ট্রাম্প

ফের কৃষকদের সঙ্গে বসছেন মোদি

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৪৩ Time View

তিন কৃষি আইনে সরকার কী ধরনের পরিবর্তন আনতে সম্মত, এমন কথা তোলামাত্রই চড়াও হয়েছেন দেশটির কৃষক নেতারা। তারা বলছেন, কৃষি আইনে সংশোধনের প্রস্তাব তারা আগেই খারিজ করেছেন। সমাধান একটাই, আর তা হলো আইন প্রত্যাহার।

এ নিয়ে কয়েক দফা বৈঠকে বসেও এখন পর্যন্ত সুরাহা মিলেনি। তাই আগামী শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) ফের কৃষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে মোদি সরকার।

ভারতের মন্ত্রীরা জানতে চেয়েছিলেন, কৃষি আইন প্রত্যাহার ছাড়া আর কি কোনো বিকল্প নেই? কৃষক নেতারা জবাব দেন, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিকল্প একটাই। তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার। এই জবাবের পরে ৪০ জন কৃষক নেতা একসঙ্গে টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানান।

এর আগে ষষ্ঠ রাউন্ডের বৈঠকে মোদি সরকারের মন্ত্রীরা কৃষক নেতাদের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করেছিলেন। সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসলেও কৃষক নেতারা সরকারের চা-পানি খাননি। অনেকটা নাখোশের মুখে এদিন চারটির মধ্যে দুটি দাবি মেনে নেয়া হয়েছিল।

সরকারের আশা ছিল, এর বিনিময়ে কৃষক নেতারা তাদের প্রধান দুই দাবি, কৃষি আইন প্রত্যাহার ও ফসলের দাম বা এমএসপি-র আইনি গ্যারান্টি নিয়ে নরম সুর নেবেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার আইন প্রত্যাহার না করার বিষয়ে অনড় দেখে কৃষক নেতারা আরও সুর কঠোর অবস্থানে চলে যান।

এমনকি বৈঠকের বিরতিতে মন্ত্রীদের তারা বলে দেন, ‘আপনারা সরকারি খাবার খান। আমরা নিজেদের লঙ্গরের খাবার খাব।’ বিজ্ঞান ভবনের মেঝেতে বসে গুরুদ্বারের লঙ্গর থেকে আসা ডাল-রুটি খেয়েছেন কৃষক নেতারা। আন্দোলনে মৃত কৃষকদের স্মরণে বৈঠকের শুরুতে দুই মিনিট নীরবতা পালন করেন তারা। মন্ত্রী-আমলারাও তাতে যোগ দেন।

ফলে সরকার-কৃষক সংগঠনগুলোর সপ্তম রাউন্ডের বৈঠকের পরেও সমাধানসূত্র বের হয়নি। ঠিক হয়েছে আগামী ৮ জানুয়ারি অষ্টম রাউন্ডের বৈঠক হবে। বৈঠকের পর কৃষক সভার নেতা হান্নান মোল্লা বলেন, ‘আমরা আজ এককাট্টা হয়ে সরকারকে বুঝিয়ে দিয়েছি, কৃষি আইন প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত কৃষকরা দিল্লির সীমানা থেকে বাড়ি ফিরবেন না। আর বৈঠকে ৪০টি সংগঠনের প্রতিনিধিরা এলেও ৪৫০টির বেশি সংগঠন আন্দোলনে রয়েছে।’

কৃষক নেতাদের অভিযোগ, হাজার হাজার কৃষক গত ৩৮ দিন ধরে শীত, বৃষ্টি মাথায় করে দিল্লির সীমানায় বসে থাকলেও সরকার জেদ ধরে রয়েছে। সিংঘু সীমানায় এদিন বিদ্যুৎ সরবরাহও বন্ধ হয়েছে।

কৃষক নেতা রাজেন্দ্র সিংহ বলেন, ‘প্রায় ৬০ জন কৃষক মারা গেছেন। মন্ত্রীরাও আজ শহিদ কৃষকদের জন্য নীরবতা পালন করেছেন। ’

কৃষকদের দুর্দশা সত্ত্বেও সরকারের অনড় মনোভাবের নিন্দা জানিয়েছেন কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা বঢরাসহ বিরোধী নেতানেত্রীরা। আর কৃষকদের লাগাতার প্রতিবাদ-বিক্ষোভের মুখে পড়ার পর পাঞ্জাবের বিজেপি নেতারা আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন।
খবর আনন্দবাজার

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ