1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটরের সঙ্গে প্রিয়দেশ ডটকমের প্রধান সম্পাদক ও সম্পাদকের সৌজন্য সাক্ষাৎ সকালেই সড়ক দুর্ঘটনায় দুই জেলায় প্রাণ হারালেন ১৫ জন, আহত ৩৪ বনানীতে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আটক ৭ নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের দগ্ধ ৩ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারকে নতুন ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী জাবিতে খাল পুনঃখননে বিশেষ টিম পাঠানো হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি চৌধুরী তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে শীর্ষ মাদক কারবারিদের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ১০ আগস্ট এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, দেখবেন যেভাবে অফিস চলাকালে প্রাইভেট চেম্বারে চিকিৎসক, বরখাস্তের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দ্রুতই শেষ হবে ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্প

রোহিঙ্গাদের নিয়ে ভাসানচরের পথে জাহাজ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪০ Time View

প্রথম দফায় ১ হাজার ৬৪২ জনের পর এবার দ্বিতীয় দফায় আরও ১ হাজার ৮০৪ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে পাঠানো হচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় নৌবাহিনীর জেটি থেকে প্রথম জাহাজটি ছেড়ে যায়। এর পর ধাপে ধাপে আরও ৪টি জাহাজ ভাসানচরের পথে ছেড়ে যায়।

চট্টগ্রাম থেকে তাদের ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ছয়টি জাহাজে করে। দুপুর নাগাদ তাদের ওই দ্বীপে গড়ে তোলা আশ্রয়ণ প্রকল্পে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এর আগে সোমবার রাতে কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্প থেকে ভাসানচরে নিয়ে যাওয়ার জন্য বাসে করে রোহিঙ্গাদের চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়। রাতে তাদের রাখা হয় বিএএফ শাহীন কলেজ মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী ট্রানজিট ক্যাম্পে।

জানা গেছে, উখিয়া ও টেকনাফের তালিকাভুক্ত (রেজিস্টার) ক্যাম্প ছাড়া বাকি সব ক্যাম্প থেকেই এবার রোহিঙ্গারা ভাসানচর যাচ্ছেন। উখিয়ার কুতুপালং-১, ২, ৩, ৪, ৫, ৮ ডব্লিউ ক্যাম্প থেকেও যাচ্ছে অনেক রোহিঙ্গা পরিবার। উখিয়ার কুতুপালং-৪ নম্বর ক্যাম্প থেকে ২৭ ও কুতুপালং-২ ডব্লিউ থেকে ২৪টি পরিবার ভাসানচরে যাচ্ছে।

নোয়াখালীর হাতিয়ায় সাগরের মাঝে ভেসে থাকা ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ঝড় জলোচ্ছ্বাস থেকে সুরক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থাও রয়েছে। বসবাসের যে ব্যবস্থা করা হয়েছে তা দেখতে গত সেপ্টেম্বরে দুই নারীসহ ৪০ রোহিঙ্গা নেতাকে সেখানে নিয়ে যায় সরকার। তারা ভাসানচরের আবাসন ব্যবস্থা দেখে মুগ্ধ হন। তারা ক্যাম্পে ফিরে অন্যদের ভাসানচরে যেতে উদ্বুদ্ধ করেন। দুই বছর আগে সরকার ভাসানচরে এক লাখ রোহিঙ্গাকে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু তাদের অনিচ্ছার কারণে তা সম্ভব হচ্ছিল না। অবশেষে এর যাত্রা শুরু হওয়ায় উখিয়া-টেকনাফের সাধারণ মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করছেন।

এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর প্রথম দফায় এক হাজার ৬৪২ রোহিঙ্গা ভাসানচরে গেছেন। তারও আগে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে সমুদ্র উপকূলে আটক আরও তিন শতাধিক রোহিঙ্গাকে সেখানে নিয়ে রাখা হয়।

ভাসানচরে যেতে আগ্রহী রোহিঙ্গাদের অনেকে জানান, তারা ভাসানচর পরিদর্শন শেষে ফিরে আসা রোহিঙ্গা নেতাদের মুখে সেখানকার বর্ণনা শুনে এবং প্রথম ধাপে যাওয়া রোহিঙ্গাদের দেয়া অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সেখানে যেতে রাজি হয়েছেন। তাদের মতে, পাহাড়ের ঘিঞ্জি বস্তিতে বসবাসের চেয়ে ভাসানচর অনেক নিরাপদ হবে। এ ছাড়া ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের বসবাসের জন্য নির্মিত অবকাঠামো অনেক বেশি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে বলে মনে করছেন রোহিঙ্গারা।

কোনো বলপ্রয়োগ ছাড়াই রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে যাওয়ার ইতিবাচক মনোভাব দেখে তাদের সেখানে পাঠানোর বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেয় সরকার।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ