1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে নিহত ১৪, আহত ২২ বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ আরো বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বায়ুদূষণে শীর্ষে কিনশাসা, ঢাকার বাতাস মাঝারিমানের রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার আরো ৪১৮ প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট: সালাউদ্দিন তানভীর গ্রেপ্তার জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে চালু হচ্ছে ‘হেলথ ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ধাপে ধাপে গ্যাসের সংকট কমে যাওয়ার আশা তথ্য উপদেষ্টার

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩৮ Time View

মহামারি করোনার মধ্যেই রেকর্ড গড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। প্রথমবারের মতো ৪১ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। গত বছর এই দিনে রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৪১ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ১০৩ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ তিন লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা ছাঁড়িয়েছে (প্রতি ডলার ৮৪ টাকা ধরে)। এর আগে গত ৮ অক্টোবর রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন অতিক্রম করেছিল।

প্রতি মাসে ৪ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হিসেবে মজুদ রাখা হয়। এই বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে ১০ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রার মজুদ থাকতে হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, মাত্র ৪ মাসের ব্যবধানে রিজার্ভে ৮ বার রেকর্ড হয়েছে। গত ৩ জুন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। তিন সপ্তাহের ব্যবধানে ২৪ জুন সেই রিজার্ভ আরও বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই ৩০ জুন রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। এক মাস পর ২৮ জুলাই রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে। এর তিন সপ্তাহ পর ১৭ আগস্ট রিজার্ভ ৩৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। এরপর ২ সপ্তাহের ব্যবধানে ১ সেপ্টেম্বর তা ৩৯ বিলিয়নের ঘর অতিক্রম করে। এর ৫ সপ্তাহ পর গত ৭ অক্টোবর তা ৪০ বিলিয়ন ডলার এবং এর তিন সপ্তাহ পর বুধবার ৪১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ৬৭১ কোটি ডলারের রেমিটেন্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ২১৯ কোটি ডলার বা ৪৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে গত বছরের তুলনায় ২.২ বিলিয়ন ডলার বেশি রেমিটেন্স এসেছে। করোনা পরিস্থিতিতে ছোট আকারে হলেও রপ্তানি বেড়েছে। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত তিন দশমিক পাঁচ বিলিয়ন ডলার। গত বছর একই সময়ে ঘাটতি ছিল ৭১৫ মিলিয়ন ডলার।

এ ছাড়া চলতি অক্টোবর মাসেও বড় অঙ্কের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর পরিমাণ প্রায় ২০০ কোটি ডলার। তবে পুরো মাসের প্রকৃত হিসাব পাওয়া যাবে ১ নভেম্বর।

গত বছরের ১ জুলাই থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিটেন্স পাঠালে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। এই প্রণোদনা দেওয়ার ফলে ২০১৯-২০ অর্থবছরের শুরু থেকে প্রতি মাসেই রেমিটেন্স বাড়তে থাকে। তবে বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনার প্রভাবে গত অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিলে রেমিটেন্সের গতি কিছুটা নিম্নমুখী হয়ে পড়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ