1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বৃহত্তম ক্রিপ্টো প্ল্যাটফর্ম বাইন্যান্সে সাইবার হামলা, ৬৩০ কোটি ডলার চুরি পাটশিল্প পুনরুজ্জীবনে ২৩২০ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব সরকারের ব্র্যাক ব্যাংক-বিএইচএফ হকি ক্যাম্পে প্রশিক্ষণে ২৪ নারী গোলরক্ষক ঘুষ-দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে খুলনা রেঞ্জের ২৮ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার রাজধানীতে বৃষ্টি সম্ভাবনা; কমতে পারে তাপমাত্রা ডিগ্রি ছাড়াই মা ও শিশুর চিকিৎসা, ভুয়া চিকিৎসককে জরিমানা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের দাবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাওয়ের ঘোষণা বামদের কীর্তনখোলায় কোস্ট গার্ডের জাহাজের ধাক্কা, অল্পের জন্য রক্ষা পেল গমবাহী কার্গো প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারি সুদৃঢ় হয়েছে: হুমায়ুন কবির বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করলেন জভেরেভ

এসইসির ২ সিসি ধারার পক্ষে রায়

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৩ জুন, ২০১২
  • ১৪৯ Time View

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) আইনের ২ সিসি ধারা চ্যালেঞ্জ করে ২৪ পরিচালকের করা পাঁচটি রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাই কোর্ট।

বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনের বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেয়। এর ফলে উদ্যোক্তা পরিচালকদের ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার থাকার বাধ্যবাধকতা থেকেই গেল।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা, পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের বিষয়ে গত ২২ নভেম্বর একটি আদেশ জারি করে এসইসি।

এতে বলা হয়, কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ওই কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের ন্যূনতম ৩০ শতাংশ এবং প্রত্যেক পরিচালকের ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার থাকতে হবে।

আদেশ জারির ছয় মাসের মধ্যে এ শর্ত পূরণ করতে বলা হয়, যা শেষ হয় ২১ মে।

পরদিন এনসিসি ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স ও প্রাইম ফিনান্সের ২৪ জন পরিচালক হাই কোর্টে এই পাঁচটি আবেদন করেন।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অধ্যাদেশ, ১৯৬৯-এর যে ধারার ক্ষমতাবলে এসইসি ওই নির্দেশনা দিয়েছিল, সেই ২ সিসি ধারা অবৈধ ঘোষণার আবেদন জানান পরিচালকরা।

এসব আবেদনে গত ৪ জুন একটি রুল জারি করে আদালত। এসইসি আইনের ২ সিসি ধারা কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় রুলে।

ওই রুলের ওপর পাঁচ দিন ধরে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য শুনে বৃহস্পতিবার তা নিস্পত্তি করে দিল হাই কোর্ট।

এসইসির এই ধারায় বলা হয়েছে, ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইন অথবা বিদ্যমান কোনো আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হলে এসইসি এ ধরনের শর্ত আরোপ করতে পারবে।

হাই কোর্টের রায়ের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, “রিট আবেদনকারীরা বলেছিলেন যে ২ সিসি ধারায় এসইসিকে অবারিত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে এবং এই ক্ষমতা এসইসি লাগামহীনভাবে ব্যাবহার করতে পারে।”

আবেদনকারীদের বক্তব্য ছিল, ২ সিসি-তে কোনো নীতিমালা না থাকায় কতখানি ক্ষমতা এসইসি আরোপ করবে, তা নির্দিষ্ট করা নেই।

“আমরা বলেছি, এসইসির প্রস্তাবনায় স্পষ্ট বলা আছে যে আইনটি তৈরি করা হয়েছে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় এবং পুঁজিবাজারের কার্যাবলির স্বচ্ছতা বজাই রাখার জন্য। আদালত আমাদের এ বক্তব্য গ্রহণ করেছেন এবং পিটিশিন খারিজ করে দিয়েছেন,” বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

এ মামলায় এসইসির পক্ষে ছিলেন মুরাদ রেজা, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষে ছিলেন আমীর উল ইসলাম, শেখ ফজলে নূর তাপস এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) পক্ষে ছিলেন হাসান আরিফ ।

এসইসির ওই নির্দেশনার বিরুদ্ধে এর আগেও তিনটি রিট আবেদন খারিজ করেছিল হাই কোর্ট।

গত ৪ জুন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ২১ মের পরে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ২০৯টি কোম্পানির ২৩৫ জন উদ্যোক্তা, পরিচালকের ২ শতাংশের কম শেয়ার ছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ